দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ‘কমফোর্ট ওমেন’ ভাষ্কর্যকে স্বীকৃতি দিল সান ফ্রান্সিকো
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি সৈন্যদের দ্বারা নির্যাতিত যৌনদাসীদের উপস্থাপন করা ‘কমফোর্ট ওমেন’ ভাষ্কর্যকে স্বীকৃতি দিল সান ফ্রান্সিকে। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে বেসরকারীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের এই অঙ্গরাজ্যে ওই ভাষ্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছিল। বুধবার সান ফ্রান্সিসকোর মেয়র ইডউইন লি স্বাক্ষর করেন যে, নগর পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এটি গ্রহণ করেছে।
ভাষ্কর্যটিতে কোরিয়া, চীন ও ফিলিপিনের তিনজন কমবয়সী নারীকে তুলে ধরা হয়েছে যেখানে তারা একে অন্যের হাত ধরে বৃত্তাকারে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের পাশে চতুর্থ নারী হিসেবে একজন বয়স্ক নারীর মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। এ মূর্তিটি দ্বারা ‘কিম হাক-সান’কে উপস্থাপন করা হয়েছে, যিনি যৌনদাসীদের মধ্যে সর্বপ্রথম তার অভিজ্ঞতার কথা বলেছিলেন।
জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুসারে, ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানি মিলিটারিরা প্রায় ২ লাখ নারীকে তাদের যৌনদাসী বানিয়েছিল। সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি ছিল কোরিয়ান নারী। এছাড়া চীন, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন ও তাইওয়ানের অনেক নারীও ছিল তাদের কব্জায়। এসময় অনেকে নিজের ইচ্ছায়, কেউ কাজের আশায় আবার কেউবা বাধ্য হয় তাদের দাসী হতে।
মূর্তির পাশে খোদাই করে লিখা- ‘এ স্মৃতিস্তম্ভ লাখ লাখ নারীর নিপীড়নের স্মৃতি বহন করে যারা ‘কমফোর্ট ওমেন’ নামে পরিচিত। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে জাপানি সাম্রজ্যবাদী সশস্ত্র বাহিনী দ্বারা ১৯৩১-১৯৪৫ সাল পর্যন্ত যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিল তারা।’ বিবিসি
- নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু
- নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক
- Bangladesh Calls for Stronger Support for LDCs Ahead of Doha Midterm Review
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আরও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ