Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৭-১১ স্টোরগুলোতে ব্যাপক অভিযান ও ধরপাকড় : হানা দেয়া হবে বাসা-বাড়িসহ অন্য সব কর্মক্ষেত্রেও -আইস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 164 বার

প্রকাশিত: January 11, 2018 | 1:12 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী কড়াকড়ির অংশ হিসেবে গত কয়েকদিন থেকে লস  যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৭-১১ স্টোরগুলোতে ব্যাপক অভিযান ও ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে। গতকাল বুধবার একদিনেই ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ফ্লোরিডা পর্যন্ত ইমিগ্র্যান্ট অধ্যুষিত ১৭টি স্টেটে ৯৮টি স্টোরে হানা দিয়ে ২১ জনকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

অভিযানের জন্য বিশেষভাবে বেছে নেয়া হয়েছে ছোট কিন্তু লাভজনক ব্যবসার রোল মডেল হিসেবে পরিচিত সেভেন ইলেভেন ফ্রান্চাইজি স্টোরগুলোকে। কারণ ইমিগ্রেশন জানে সেভেন ইলেভেন স্টোরগুলোতে ভারত উপমহাদেশসহ আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ল্যাটিন আমেরিকার অনেক দেশ থেকে আগত অবৈধ অভিবাসীরা কাজ করে। একেকটি স্টোরে দল বেঁধেই হানা দিচ্ছে ইমিগ্রেশন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইস-এর এজেন্টরা। সেভেন ইলেভেন স্টোরগুলো প্রতিদিন তিন শিফট করে দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা সপ্তাহের সাত দিনই খোলা থাকে। তাই ইমিগ্রেশন এজেন্টরা হানা দিচ্ছে দিনের বিভিন্ন সময়ে। মালিক অথবা অনডিউটি ম্যানেজারের কাছে এবং কর্মরত এমপ্লয়ীদের কাছে সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ডসহ আমেরিকা কাজ করার অনুমতিযুক্ত কাগজপত্র (ওয়ার্ক অথরাইজেশন) দেখতে চাচ্ছে। না পেলে অবৈধ কর্মীদের এবং তাদেরকে বেআইনীভাবে কাজ দেবার জন্য মালিক বা ম্যানেজারদেরকে গ্রেপ্তার করে ডিটেনশান সেন্টারে পাঠিয়ে দিচ্ছে। মানিকদের করা হচ্ছে কমবেশি অর্ধ লক্ষ ডলার জরিমানা।

আইস-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক থমাস বলেছেন, অভিযানযজ্ঞের সবে শুরু। বাসা-বাড়িতে হানা দেয়াও জোরালোভাবে শুরু হবে। সংগে হানা দেয়া হবে অন্য সব কর্মক্ষেত্রেও ।

সেভেন ইলেভেন-এর ডালাস শহরের কর্পোরেট অফিস থেকে এসব অভিযান ও গ্রেপ্তারের দায় নিতে অস্বীকৃত জানানো হয়েছে। ওখান থেকে এক মুখপাত্র বলেছেন সেভেন ইলেভেনের স্টোরগুলো ইনডিভিজুয়াল ফ্রান্চাইজি ওনারদের মানিকানধীন। কাজেই স্টোরে কাকে কাজে নেয়াহল, নেবার সময় কাগজপত্রের বৈধতা দেখা হল কিনা নাকি জেনেশুনে অবৈধদের নিয়োগ করা হল তার দায় দায়িত্ব বর্তাবে স্টোরগুলোর মালিক বা ম্যানেজারদের ওপর। এজন্য কাগজপত্রহীনদের সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ।

এ কঠিন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশসহ কাগজপত্রহীন ইমিগ্র্যান্টদের সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে ইমিগ্রেশন এডভোকেসি গ্রুপগুলো। 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV