Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

বিশ্বে বেকারের সংখ্যা ১৯ কোটি ২৭ লাখ : আইএলও প্রতিবেদনে তথ্য

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 140 বার

প্রকাশিত: January 24, 2018 | 10:01 AM

সারোয়ার জাহান: ২০১৬ সালে বৈশ্বিক চাকরি বাজারে বেকারত্বের হার বাড়ার পর গেলো বছরে তা কমেছে। ২০১৭ সালে বৈশ্বিক বেকারত্বের হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশে। এ হিসেবে বিশ্বে এখনো বেকারের সংখ্যা ১৯ কোটি ২৭ লাখ মানুষ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকায় ২০১৭ সালে ২৬ লাখ কর্মসংস্থান বেশি হয়েছে। এ কারণে ২০১৬ সালের তুলনায় বেকারত্বের হার কমেছে।
চলতি বছরও কিছুটা আশার কথা শুনিয়েছে সংস্থাটি। আইএলও মনে করছে, ২০১৮ সালে বৈশ্বিক বেকারত্বের হার দশমিক ১ শতাংশ কমে আসবে। তবে চাকরি খোঁজার মানুষের সংখ্যা বাড়ায় বেকারের সংখ্যায় তেমন পরিবর্তন আসবে না।

‘ওয়ার্ল্ড এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল আউটলুক-২০১৮’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইএলও এ তথ্য তুলে ধরেছে। যেখানে বিশ্বজুড়ে বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের অবস্থা এবং পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে।

এতে বলা হয়, গেলো কয়েক বছর উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শ্রমবাজার উন্নত হয়েছে। তবে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির এই হার টিকে থাকবে না। শ্রমবাজারে চাকরি পাওয়ার সংখ্যা কমবে।

আইএলওর মহাপরিচালক গাই রাইডার বলেন, নিম্ন মানের চাকরির সংখ্যা বাড়ছে। এটা একটা আশঙ্কার বিষয়।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৪০ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান নাজুক পর্যায়ের (ভালনারেবল)। এর অর্থ হচ্ছে তারা কম বেতনে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করেন। এসব চাকরিতে নিরাপত্তার বিষয়টি অবহেলিত। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রতি চারজনে তিনজন এ ধরনের চাকরিতে আছেন।

এ বিশেষজ্ঞ বলেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে আরো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। শ্রমিকের উন্নয়নেও কাজ করতে হবে।

অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে শ্রমিকদের উদাহরণ দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের শ্রম পরিস্থিতির কারণে দরিদ্র শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া এবং নেপালের শ্রমিকদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত, কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে শ্রমিকরা বেশি নিয়োজিত রয়েছে। অন্যদিকে যে দেশগুলো নিয়োগপত্র ছাড়াই শ্রমিকদের খাটাচ্ছে তাদের মধ্যে চীন, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনকে উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। আমাদের সময়.কম

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV