Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে জ্যামাইকার টিলি পার্কে স্থায়ী শহীদ মিনার হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 142 বার

প্রকাশিত: January 26, 2018 | 4:33 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে জ্যামাইকার টিলি পার্কে স্থায়ী শহীদ মিনার হচ্ছে। নিউইয়র্কে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার স্থাপনের দাবী ছিল দীর্ঘদিনের। জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফেন্ডস সোসাইটি স্থায়ী শহীদ মিনারের দাবীটি নিয়ে যান কুইন্স বোরো প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ম্যালিন্ডা কাটজের কাছে। ৫ বছর আগে কাটজ যখন নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জ্যামাইকা আসেন তখন তার কাছে অনেকগুলো দাবীর মধ্যে স্থায়ী শহীদ মিনারের দাবীটি উত্থাপন করা হয়। ম্যালিন্ডা কাটজ সেদিন কথা দিয়েছিলেন, স্থায়ী শহীদ মিনার স্থাপনের ব্যাপারে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করবেন। প্রথম দিকে এ শহীদ মিনার কোথায় হবে সেটি নিয়ে নানা রকম প্রশ্ন ছিল। কিন্তু জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির দাবী ছিল এটি জ্যামাইকার হাইল্যান্ড এভিনিউ তথা ১৬৫ ও ১৬৬ স্টীটের মধ্যখানে ক্যাপ্টেন টিলি পার্কেই হবে। গত মঙ্গলবার স্থায়ী শহীদ মিনার স্থাপনের ব্যাপারে বাংলা গণমাধ্যমগুলোর পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয় সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে। এর পর সঙ্গে সঙ্গে কাটজ এ বিষয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে ডেকে পাঠান। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় শহীদ মিনার নির্মাণের বিষয়ে। বিশেষ করে এটি কোথায় হবে জানতে চাওয়া হলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন, এটি ক্যাপ্টেন টিলি পার্কেই হবে এবং এ নিয়ে পার্ক কর্তৃপক্ষসহ সকলের সঙ্গে জোর আলোচনা হচ্ছে। এসময় এ বিষয়ে বিস্তারিত শিগগরই জানা যাবে বলে জানান কুইন্স বোরো প্রেসিডেন্ট ম্যালিন্ডা কাটজ।
এ বিষয়ে জ্যামাইকা বাংলাদেশে ফ্রেন্ডস সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও কমিউনিটি বোর্ড মেম্বার মূলধারার রাজনীতিক ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার বলেন, এ খবরটি আমাকে দারুন আনন্দ দিচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে এ নিয়ে আমরা দাবী জানিয়ে আসছিলাম। স্থায়ী শহীদ মিনারটি হলে বাংলাদেশের ইতিহাস বিশেষ করে ভাষার জন্য যে বাঙালী জীবন দিতে পারে সেটি প্রবাসের নতুন প্রজন্ম জানতে পারবে। পার্কের খোলা জায়গার শহীদ মিনারে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন সবাই একসঙ্গে বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবে। সবাই একসঙ্গে গাইবে ‘ আমার ভাইরের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি.. আমি কি ভুলিতে পারি।’ বিষয়টি ভাবতেই ভালো লাগছে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV