সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার দন্ডে নিউইয়র্কে মধ্যরাতে শতগজের ব্যবধানে উল্লাস আর ক্ষোভ
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্ক সময় বৃহস্পতিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টায় একশত গজের ব্যবধানে একদিনে আনন্দ-উল্লাস এবং আরেকদিকে প্রচন্ড বিক্ষোভের ঘটনায় হতভম্ব এলাকাবাসী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র তারেক রহমানসহ কয়েকজনকে দন্ড প্রদানের পর বিজয়োল্লাস করেন আওয়ামী পরিবারের লোকজন। সন্ধ্যা থেকেই তারা পালকি পার্টি সেন্টারসহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন। স্যাটেলাইট টিভির মাধ্যমে রায় শোনার পরই উল্লাসে ফেটে পড়েন।
এ সময় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘আইনের শাসনের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গিকারের আরেকটি পর্ব অতিবাহিত হলো। এ রায়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতারই স্পষ্ট প্রকাশ ঘটলো।’ ‘কেউই আইনের উর্দ্ধে নন-অপরাধ করে কেউই রেহাই পাবে না’-বর্তমান সরকারের সে নীতির প্রতি প্রবাসীদেরও পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। এই বিজয়োল্লাসে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ছিলেন।
এই বিজয়োল্লাসের স্থান থেকে একশত গজ দূরে হাটবাজার পার্টি হলে সন্ধ্যা থেকেই বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী জড়ো হন। রায়ের পরই তারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা ক্ষুব্ধচিত্তে এই রায় প্রত্যাখান করেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ স¤্রাট বলেন, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়নভাবে দেয়া এ রায় কখনোই প্রবাসীরা মেনে নেবে না।’
তারেক পরিষদ আন্তর্জাতিক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির অন্যতম যুগ্ম সম্পাদক আকতার হোসেন বাদল ক্ষুব্ধচিত্তে বলেন, ‘এ রায়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা এবং তার সাঙ্গপাঙ্গদের মুখোশ উন্মোচিত হলো। বাংলাদেশের বিচার বিভাগ যে স্বাধীন নয়, তারও বহিপ্রকাশ ঘটলো।’
সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক গিয়াস আহমেদ বলেন, ‘আমরা জাতিসংঘের সামনে, হোয়াইট হাউজ এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের সামনে মানববন্ধনসহ কংগ্রেসের সকল সদস্যকে অবহিত করবো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার এমন নগ্ন আচরণ সম্পর্কে।’
যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক এম এ বাতিন বলেন, ‘সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবে ধৈর্যের বাধ ভেঙ্গে যাচ্ছে। প্রবাস থেকেই দুর্বার আন্দোলন করতে হবে।’ ‘এ রায় পুরোপুরি ফরমায়েসী। এক ব্যক্তিকে খুশী করে পদোন্নতির লোভে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানসহ অন্যদের বিরুদ্ধে শাস্তি দেয়া হলো। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ কখনোই তা মেনে নেবে না’-উল্লেখ করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন। এনআরবি নিউজ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!