Wednesday, 24 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

ঠিকানা’র ২৮তম বর্ষপূূর্তি উদযাপন : সাংস্কৃতিক উৎসব, পুরস্কার প্রদান

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 159 বার

প্রকাশিত: February 28, 2018 | 10:52 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : একুশের চেতনায় ঋদ্ধ, পাঠকনন্দিত এবং কমিউনিটি-বান্ধব পত্রিকা ঠিকানা’র ২৮ বছর পূর্তি ও ২৯ বছরে পদার্পণ দিবসটি যথাযোগ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক উৎসবের পাশাপাশি ছিলো ‘ঠিকানা পুরস্কার-২০১৭’ প্রদান। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ কৃতিত্বের অধিকারী প্রবাসী ৭ বিশিষ্টজনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এ উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটসের পিএস-৬৯-এ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, সন্ধ্যায় বসেছিল ‘দেবে আর নেবে’র এক মহামিলন সভা। দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্ত মানুষের ঢলে উপচে পড়ে স্কুলের অডিটোরিয়াম। এ মহামিলনে যোগ দিয়েছিলেন প্রবাসী সুধীজন, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও যোগ দেন ঠিকানা’র সম্মানিত বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী, অগণিত পাঠক, পৃষ্ঠপোষক ও বিভিন্ন সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। তাদের সরব উপস্থিতি ঠিকানা পরিবারের আয়োজনকে সাফল্যমন্ডিত করে তোলে। ভালবাসায় সিক্ত হয়ে উঠে ঠিকানা পরিবার। নিউইয়র্ক ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকেও অতিথিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রাণভরে অনুষ্ঠানমালা উপভোগ করেন।

 
ঠিকানা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ২৮ বছর আগে, ১৯৯০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জন্ম নিয়েছিলো, তারাই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামী দিনেও এগিয়ে যাবে। কোন শক্তিই ঠিকানাকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যূত করতে পারবে না এ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শুরু হয় অনুষ্ঠান। শুরুতেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক নজরুল কবীর ও ফাতেমা রুমা আগত অতিথেদের ঠিকানার আজকের এ আনন্দ-উৎসব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান। এরপর পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত ও তরজমা করেন ড. বিন আল রশিদ, পবিত্র বাইবেল পাঠ করেন ডা. টমাস দুলু রায়, পবিত্র গীতা পাঠ করেন সুশীল কুমার সাহা ও ত্রিপিটক পাঠ করেন সুরীত বড়ুয়া।
এরপর ছিলো শ্রদ্ধাজ্ঞাপন পর্ব। এ পর্বে ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
ঠিকানার অনুষ্ঠানটি এ পর্যায়ের অনুষ্ঠান পাঁচ পর্বে বিভক্ত ছিলো। প্রথম পর্বে ছিলোÑ উদ্বোধনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দ্বিতীয় পর্বেÑ বক্তব্য প্রদান; তৃতীয় পর্বেÑ ঠিকানার নতুন ওয়েব সাইট উদ্বোধন; চতুর্থ পর্বে অ্যাওয়ার্ড প্রদান কমিটির বিচারকমন্ডলীর পরিচয় ও পুরস্কার বিতরণী এবং পঞ্চম ও শেষ পর্বে আবারও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবশেষে ফটোসেশন ও অ্যাপায়ন পর্ব।
ঠিকানার অনুষ্ঠানের সূচনা সাংস্কৃতিক পর্বে ছিল শ্রীচিন্ময় সেন্টার ও শতদলের পরিবেশনা । সূচনা সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন শ্রীচিন্ময় সেন্টারের শিল্পীবৃন্দ। এরপর তারা পরিবেশন করেন আমেরিকান ন্যাশনাল অ্যানথেম ও শ্রীচিন্ময় রচিত ঠিকানার গান। দু’দেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সময় অতিথিরা সবাই দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান। শ্রীচিন্ময় সেন্টারের পরিবেশনায় যারা অংশ নেন, এর মধ্যে ছিলেনÑ রঞ্জনা কে ঘোষ, নীলিমা, অঞ্জলি, নেমি, সমহিতা, সালেহা, হিল্লোল, সুরেশ্রি, অর্পণ, ঋষাকেতু, কানন প্রমুখ।
এরপর শতদলের পরিবেশেনায় গীতি আলেখ্যানুষ্ঠান সবার প্রশংসা কাড়ে। কবীর কিরণ এ পর্বের অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। শতদলের যে সব শিল্পীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন এরমধ্যে ছিলেন, মতিউর রহমান, পারভেজ সাইফুল্লা, নিপা জামান, ছন্দা বিনতে সুলতান, সম্পা চৌধুরী, রুবেল, রাবেয়া, বসরী, মাইসা ইফাত, নায়লা অভিষেক, তৃনা, ঋষিকা, প্রীতি, দুরাত, আয়শা, উষি, গোধলী প্রমুখ।

দ্বিতীয় পর্বে ছিল বক্তব্য প্রদান। আগত অতিথিদেরকে ঠিকানার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঠিকানার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান। তিনি অনুষ্ঠানে আগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, ঠিকানার পথচলা দীর্ঘ ২৮ বছর। এই ২৮ বছরের ইতিাহাস কিছুটা আমার জানা। কিছুটা আপনাদের। তবে যেটা আমরা সবাই জানি, সেটা হচ্ছে একুশের জাতক ঠিকানা সাংবাদিকতার মৌল আদর্শে বিশ্বাসী। সে অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। কোন রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না।
তিনি আরো বলেন, এ বিশ্বে মানুষের পায়ে দুটি শৃঙ্খল আছে। একটি দাসত্বের, আর অন্যটি ভালবাসার শৃঙ্খল। ঠিকানার পায়ে রয়েছে কম্যুনিটির মানুষের ভালোবাসার শৃংখল।
ফজলুর রহমান বলেন, সব কিছু উজার করে দিয়ে ঠিকানার জন্ম দিয়েছেন দূরদর্শী এম এম শাহীন। আর একে মেধা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের গুণাবলী দিয়ে যৌবনদীপ্ত করে মানুষের নির্ভরতার প্রতীকরূপে গড়ে তুলেছেন তারই অগ্রজ সাঈদ-উর-রব। এখন আমরা সবাই তারই ফল ভোগ করছি। আশা করছি আপনাদের ভালবাসা নিয়ে ঠিকানা ভবিষ্যতেও তার লক্ষ্যে অটল থেকে এগিয়ে যাবে। তিনি গভীর আন্তরিকতায় তার সহকর্মীদের সহযোগিতা কথাও স্মরণ করেন।
এরপর মূল বক্তব্য রাখেন ঠিকানার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ও সাবেক এমপি এম এম শাহীন।
এম এম শাহীন বলেন, মূলত প্রবাসে বাংলা ভাষাকে এগিয়ে নেয়া এবং কম্যুনিটির মানুষের মধ্যে বাংলাকে টিকিয়ে রাখতেই ঠিকানা পত্রিকা প্রকাশ করা হয়। প্রবাসের মানুষের সঙ্গে সেতুবন্ধ রচনায় ঠিকানা ভূমিকা রাখবে সেটাও প্রত্যাশা ছিলো। সেই ভূমিকা ঠিকানা সব সময় রেখে এসেছে, এখনো রাখছে।
তিনি আরো বলেন, ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছিল সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে। সেই ধারাবাহিকতা আজও আমরা ধরে রেখেছি। আগামীদিনগুলোতেও আমরা আপনাদের সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।
এ সময় তিনি ঠিকানার জন্ম থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলার গল্প বলেন।
এম এম শাহীন বলেন, প্রবাসের লেখক, কবি, সাহিত্যিক, প্রবন্ধকারসহ বিভিন্ন সেক্টরের লেখকদের মধ্যে একটি ঠিকানা তৈরি করে দিতেই প্রকাশ করেন ঠিকানা। তিনি ঠিকানা প্রকাশের প্রেক্ষিত উল্লেখ করে কম্যুনিটির জন্য ঠিকানা যেসব ভূমিকা রেখে চলেছে তা তুলে ধরেন।
তিনি অনুষ্ঠানে আগত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি সম্মানিত বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী এবং পাঠকদের প্রতি সেই সঙ্গে ঠিকানার পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন অংশে ঠিকানার থিম সং বাজানো হয়।
অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে ঠিকানার ওয়েব সাইট (িি.িঃযরশধহধ.ঁং.পড়স) উদ্বোধন করেন ঠিকানার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ও সাবেক এমপি এম এম শাহীন। তিনি জানান, ওয়েবসাইটটি পূর্ণাঙ্গকরণের কাজ চলছে। অচিরেই তা শেষ করা হবে। ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছেন রুহিন হোসেনের পরিচালনাধীন প্রতিষ্ঠান আইটিল্যান্ডার্স।
এর আগে শিল্পী তাজুল ইমাম ঠিকানার বর্ষপূর্তির কভারের প্রচ্ছদের চিত্রকর্মটি এঁকে তা উপহার দেন ঠিকানা পরিবারকে। ঠিকানাকে দেয়া শিল্পকর্মটির মোড়ক উন্মোচন করেন এম এম শাহীন। এরপর ঠিকানার ২৮ বছর পূূর্তি ও ২৯ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ঠিকানা পরিবারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম ও টাইম টিভির পক্ষ পরিচালক মেরী জুবাইদা।
সমাপনী বক্তব্য রাখেন ঠিকানার বার্তা সম্পাদক ও অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়কারী মিজানুর রহমান। তিনি ঠিকানার পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এরপর ছিল অনুষ্ঠানের চতুর্থ পর্ব পুরস্কার প্রদান। ঠিকানার সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ পর্ব পরিচালনা করেন ফাতেমা রুমা ও নজরুল।
ঠিকানার পুরস্কার নিয়ে বলতে গিয়ে রুমা ও নজরুল বলেন, প্রবাস কম্যুনিটিকে যাঁরা নিজেদের মেধা, প্রজ্ঞা, পা-িত্য ও কৃতিত্ব দিয়ে আলোকিত করছেন; যাঁদের কলমে, তুলিতে, গানে এবং নৃত্যে বাংলার শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রবাসে নতুন আভায় উদ্ভাসিত হচ্ছে, তেমন ৭জন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী, লেখক, সাহিত্যিক, সঙ্গীত শিল্পী ও একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে ঠিকানা পুরস্কার-২০১৭ প্রদান করে আমরা বিশেষভাবে সম্মানিত বোধ করছি। বিজ্ঞ বিচারক প্যানেল এঁদের নির্বাচিত করেছেন। এ প্যানেলে ছিলেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট দেওয়ান শামসুল আরেফিন, বিশিষ্ট কবি ও শিক্ষক শামস আল মমীন এবং ঔপন্যাসিক মুনিয়া মাহমুদ।
যাঁরা পুরস্কার পেলেন: এরপর পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন। ঠিকানার পক্ষ থেকে এ বছরে ছয় বিশিষ্টজন এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন চিত্রশিল্পী তাজুল ইমাম; গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক ফেরদৌস সাজেদীন; বিশিষ্ট কবি তমিজ উদ্্দীন লোদী; প্রাবন্ধিক শামসাদ হুসাম; কণ্ঠশিল্পী কাবেরী দাশ; ঔপন্যাসিক ডা. সিনহা আবুল মনসুর এবং প্রবাসের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠন বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস (বিপা)।
পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে এ্যাওয়ার্ড তুলে দেন ঠিকানার চেয়ারম্যান এম এম শাহীন। হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন ঠিকানার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান। পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তাদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত পড়ে শোনানো হয়।
শেষে মঞ্চে ডেকে পুরস্কার প্রদান কমিটির বিচারকমন্ডলীদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। যাঁদের বিচারে সাতজনকে পুরস্কৃত প্রদান করা হয়, তারা হলেন দেওয়ান শামসুল আরেফীন, শামস আলীম মমীন ও মুনিয়া মাহমুদ। ঠিকানা পুরস্কারের সময় মঞ্চে বিশেষ লাইটের ব্যবস্থা করা হয়।
এরপর অনুষ্ঠানের স্পন্সরদের মঞ্চে ডেকে নেয়া হয়। তাদেরকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ অনুষ্ঠানের স্পন্সর ছিলেন বিশিষ্ট রিয়েলটর মইনুল ইসলাম, বিশিষ্ট রিয়েলটর আনোয়ার হোসেন, ব্যবসায়ী এ কে এম কামাল, সেলিম, সালেহ আহমেদ ওয়েল কেয়ার, এটর্নি এন মজুমদার ও এর্টনি মঈন চৌধুরী । এছাড়াও থিম সংয়ের গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক সুফের মামাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
পুরস্কার প্রদান শেষে ঠিকানার থিম সংয়ের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করে বিপার একদল নৃত্য শিল্পী ও ঠিকানার থিম সংয়ে লিপসিং করেন শতদলের শিল্পীরা। এই সময়ে একঝাঁক তরুণ-তরুণী তাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এরপর আয়োজন হয় ফটোসেশন। এ সময় ঠিকানার এম এম শাহীন ঠিকানা পরিবারের সবাইকে মঞ্চে ডেকে নেন এবং তারাও ফটোসেশনে অংশ নেন। নৃত্যপরিবেশনের সময় ঠিকানা পত্রিকা হাতে নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করেন।
এরপর আয়োজন করা হয় অনুষ্ঠানের পঞ্চম ও শেষ পর্ব। এ পর্বে বিপার শিল্পীরা পরিবেশন করে কবিতা আবৃত্তি, গান ও নৃত্য। বিপার শিল্পীবৃন্দের টানা আধঘন্টার পরিবেশনা সবাইকে মুগ্ধ করে। বিপার শিল্পীবৃন্দের টানা আধঘন্টার পরিবেশনা সবাইকে মুগ্ধ করে। এ্যানী ফেরদৌসীর পরিচালনায় বিপার নৃত্যে অংশ নেন -আজমেরী মৌসুমী, ফিরোজা জ্যোতি, আপিয়া জাহান, তানজিলা নেওয়াজ, নামিয়া আমিন, শায়ান শারমিন, নিহাল রহমান, জেরিন ইসলাম, নাহরীন ইসলাম, সুমাইয়া আলম, নাবিলা হামিদ, মুন হাই, লিওনা মুহিত, রিতিকা দেব, মুনিরা আহমেদ, সামিয়া ইসলাম, মাহিমা খান, নওশীন, সেহনুম, এলমা, কামিলা ও দিয়া। সঙ্গীতে সেলিমা আশরাফ, নিলোফার জাহান, পারভীন সুলতানা, আকলিমা চৌধুরী, সাদাত তাসিন, দিদাত আহমেদ, জিনাতুন নাহার, মোহম্মদ ইউসুফ বিটুল, আসিফুল ইসলাম, আবৃত্তি করেছেন মৃদুল আহমেদ। আরও ছিলেন, ফারুজানা সুলতানা, সবিতা পাল, ম. জসীম, উর্মি রোজারিও, জেরিন মাইশা, নিশাত চৌধুরী, রুশমিকা নাবিহা প্রমুখ।
এরপর মঞ্চে আসেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তনিমা হাদী ও শাহ মাহবুব। তারা দু’জনে একক দুটি করে এবং ডুয়েট দুটি গান পরিবেশেন করেন। তাদের গান দর্শক শ্রোতাদের বিমোহিত করে।
সবশেষে রাত ১১টার কিছুক্ষণ আগে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সমাপ্তি টানেন ঠিকানা পরিবারের সদস্য নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী। এর আগে অনুষ্ঠানে শেষ সময় পর্যন্ত যারা ছিলেন তাদেরকে নিয়ে ফটোসেশন করা হয়। ফটোসেশনে অংশ নেন সমবেত সুধীর একাংশ। অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিদের জন্য ডিনারের ব্যবস্থা করা হয়।
ঠিকানার অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য যারা ভলানটিয়ার হিসাবে কাজ করেছেন শাহ রবের নেতৃত্বাধীন একাধিক টিম। তাদেরকে ধন্যবাদ জানানো হয় ও মঞ্চে ডেকে নিয়ে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। যারা অনুষ্ঠানকে সফল করতে কাজ করেন এরমধ্যে ছিলেন, সামিউর রব, শাহ রব, জাহিন, তাহমিদ, জেমিমা, রাফিদ, তাসফিয়া, তানিফা, ওমর, আরিবা, ইকরা, শাহ। তারা অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদেরে অভ্যর্থনা জানানো ও সেই সঙ্গে তাদের অ্যাপায়নের দায়িত্বে ছিলেন। অনুষ্ঠানের সাউন্ডে ছিলেন নিবীর খান ও আরিফ। অনুষ্ঠানের ভিডিওগ্রাফিতে ছিলেন আমজাদ হোসেন। বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন রিড ও তার দল। অনুষ্ঠানের মঞ্চ ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন মঞ্জুর হোসেন ও নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান, কলামিস্ট মাহমুদ রেজা চৌধুরী, দেওয়ান শামসুল আরেফিন, জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক খান, ড. শওকত আলী, ড. দলিলুর রহমান, ডা. সরওয়ারুল হাসান চৌধুরী, বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিরিন বকুল, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এম আজিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, বাংলাদেশ লীগ অব আমেরিকার সভাপতি ্েবদরুল ইসলাম বাবলা, সাবেক সভাপতি এমাদ চৌধুরী, প্রভাষক নিপ্পন চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম লিটন, আবু তাহের, কম্যুনিটি নেতা নবেন্দু বিকাশ দত্ত, আব্দুল কাদের চৌধুরী শাহীন, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা মণিকা রায়, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব, কার্যনির্বাহী সদস্য সাদী মিন্টু, সাবেক কর্মকর্তা কাজী আজহারুল হক মিলন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান সেলিম, বিশিষ্ট আইনজীবী ও মূলধারার রাজনীতিবিদ এন. মজুমদার, মূলধারার রাজনীতিবিদ হাসান আলী, কম্যুনিটি লিডার নাসির আলী খান পল, তোফাজ্জল করিম, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, আলী ইমাম শিকদার, আহবাব চৌধুরী খোকন, মূলধারার রাজনীতিবিদ মাফ মিসবাহ, মাজেদা উদ্দিন, শো টাইম মিউজিকের প্রেসিডেন্ট আলমগীর খান আলম, কবি শামস আল মমীন, লেখক এবিএম সালেহ আহমেদ, কবি লাভলু, শিশুক সেলিম, ছন্দা বিনতে সুলতান, আবু রায়হান, ড. ফারুক আজম, তপন জামান, দলিলুর রহমান, বিশিষ্ট অভিনেত্রী রেখা আহমেদ, কবি মামু আনসারী, মাকসুদা আহমেদ, নাসরিন চৌধুরী, রওশন হাসান, গীতিকার মেহফেজুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি গিয়াস আহমেদ, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষযক সম্পাদক এম এ বাতিন, বিএনপি নেতা কাজী শাখাওয়াত হোসেন আজম, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি জিয়া হাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি স্বপ্ন বড়–য়া, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন খান, তাজুল ইসলাম, শামসুদ্দিন, আজকালের প্রধান সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ জিকো, সম্পাদক মনজুর আহমেদ, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভির ডিরেক্টর ম্যারি জুবায়েদা, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ. খান, সাপ্তাহিক প্রবাসের সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, মিলিনিয়াম টিভির প্রেসিডেন্ট নূর মোহাম্মদ, ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক জাকিয়া খান, সাপ্তাহিক সন্ধানের সম্পাদক সঞ্জীবন কুমার, আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস, সময় টিভির যুক্তরাষ্ট্র নির্বাহী সাহাবুদ্দিন কিসলু, এনটিভির আবীর আলমগীর, পুলক মাহমুদ, এটিএন বাংলার যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি কানু দত্ত, সাংবাদিক আব্দুল মালেক, সাহেদ আলম, দৈনিক নয়া দিগন্তের যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি ইমরান আনসারী, প্রথম আলোর প্রতিনিধি ইব্রাহিম চৌধুরী খোকন, অধ্যাপিকা হুসনে আরা, সাপ্তাহিক আজকালের নির্বাহী সম্পাদক শাবাবুদ্দিন সাগর, প্রতিনিধি স্বপন হাই, টিভিএন২৪-এর প্রেসিডেন্ট আহমেদুল বারী ভূঁইয়া পুলক, প্রতিনিধি শামীম আল আমিন, রফিক উদ্দিন, এএফএম মিবাউজ্জামান, সাপ্তাহিক বাংলাদেশের প্রতিনিধি সোলায়মান আলী, সাংবাদিক মনিজা রহমান, সুনামগঞ্জ সমিতির সভাপতি জোসেফ চৌধুরী, ওসমানী স্মৃতি পরিষদের সভাপতি নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, বিশিষ্ট আইনজীবী প্যারি ডি. সিলভার, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তা ফারুক হোসেন মজুমদার, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসানুজ্জামান হাসান, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, সুরছন্দের প্রিন্সিপাল এমদাদুল হক, জাফর ফেরদৌস, বিএনপি নেতা ও মূলধারার রাজনীতিবিদ শাহজাহান শেখ, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি বদরুন নাহার খান মিতা, যুক্তরাষ্ট্র জাসদের সাধারণ সম্পাদক সাহান, পরেশ সাহা, রীনা সাহা, ওয়েল কেয়ারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সালেহ আহমেদ, এফবিসিসিআই’র কর্মকর্তা শেকিল আহমেদ চৌধুরী, পিপল এন টেকের প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিপ, মূলধারার রাজনীতিবিদ হেলাল শেখ, জেবিবিএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম, এনওয়াই ইন্স্যুরেন্সের প্রেসিডেন্ট ও জেবিবিএ’র সাবেক সহ-সভাপতি শাহ নেওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, ছাত্রদলের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম জনি,কম্যুনিটি লিডার শাহাদাৎ হোসেন রাজু, মজিবুর রহমান, সাহিত্য একাডেমির পরিচালক মোশাররফ হোসেন, জেবিবিএ’র সাবেক কর্মকর্তা হাসান জিলানী, মূলধারার রাজনীতিবিদ মজিবর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পলাশ পিপলু, বিয়ানীবাজার সমিতির উপদেষ্টা গৌস খান, ড্রামের নির্বাহী কাজী ফৌজিয়া, জাতীয়তাবাদী ফোরামের নেতা অধ্যক্ষ নূরুল আমিন পলাশ, ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নাছিম আহমেদ, সাইদুর খান ডিউক, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, শেখ হায়দার আলী, আনোয়ার হোসেন, কামরুজ্জামান, কুইন্স লাইব্রেরির সেলিনা শারমিন, শিল্পী নাসরিন সৈয়দ, শিল্পী ওয়াহিদ, কম্যুনিটি লিডার কামাল হোসেন মিঠু, লেখক মোস্তাক আহমেদ, গোলাপগঞ্জ সোসাইটির সাবেক সভাপতি বেলাল উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জন ফাহিম, রফিকুল ইসলাম ডলার, কম্যুনিটি লিডার খন্দকার ফরহাদ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান, কলামিস্ট শিতাশু গুহ, কুলাউড়া এসোসিয়েশনের সভাপতি আশরাফ আহমেদ ইকবাল, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহমেদ, নবাবগঞ্জ এসোসিয়েশনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী আজিজুল হক মুন্না, নিউজার্সি বিএনপির সভাপতি সৈয়দ জুবায়ের আলী, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা নূর ইসলাম বর্ষণ, এটর্নি সোমা সাঈদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান, কম্যুনিটি লিডার আব্দুল মুসাব্বির, মদিনা মসজিদের সভাপতি এডভোকেট নাসির উদ্দিন, রাশেদ আল মোসাইদ প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV