নিউইয়র্কে বুয়েটিয়ানদের নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কের উডহ্যাভেন ম্যানরে স্হানীয় (নিউইর্য়ক, নিউজার্সী, কানেকটিকাট) বুয়েটিয়ানদের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহনে গত ১০ই মার্চ শনিবার অনুষ্ঠিত হয় বুয়েটিয়ান নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। এতে অংশগ্রহন করেন ১৩৫ জন বুয়েটিয়ান সহ প্রায় ৩০০ জন অতিথি। গত বছরের ইফতার এবং পিকনিকের পর এটি বুয়েটিয়ানদের তৃতীয় আয়োজন।
আয়োজকদের উদ্দেশ্য থাকে সবসময়ই একটি ব্যাতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান আয়োজন এবং উপস্হাপনার। এবারের শুরু গতানুগতিকতার বাইরে একটি নান্দনিক ম্যাগাজিন প্রকাশের মধ্য দিয়ে। স্যুভেনির প্রকাশনার তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্হপতি মাহফিল আলী। আয়োজকদের মাঝে অ্যাকাউন্টস-এর মত গুরু দায়িত্বে ছিলেন প্রকৌশলী হাসান আহমেদ ও প্রকৌশলী আরিফ আল আমিন। গণ সংযোগ এবং আমন্ত্রণের কঠিন কাজটি করেছেন প্রকৌশলী শরীফ রহমান ও প্রকৌশলী রনি আহমেদ। প্রকৌশলী কামার জামান সহায়তা করেছেন সাউন্ড সিস্টেম, যন্ত্র ও অতিথি শিল্পী আনয়নে। বুয়েটিয়ান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি ব্যাবস্হপনা ও তত্ত্বাবধায়ন করেছেন স্হপতি লায়লা ফারজানা মুনমুন।
পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল মূলত চার পর্বে – স্মৃতিচারণ, বুয়েটিয়ানদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, ডিনার এবং অতিথি শিল্পির সংগীত। মুল অনুষ্ঠানের শুরু হয় ৭টায়, শেষ রাত বারটায়। প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানের শুরু ও শেষ হয় কঠোরভাবে নির্দিষ্ট সময়সূচী মেনে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বুয়েটিয়ান ও অতিথিদের ফুল ও স্যুভেনির দিয়ে অভ্যর্থনা জানায় রিভোনা, নাহফিলা, রাইলীন, রিম্পী ও ওয়াফী। আয়োজকদের পক্ষে মাহফিল আলী ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উপস্হিত বুয়েটিয়ান, পরিবার, স্পন্সর, ডোনার এবং সেচ্ছাসেবীদের। বুয়েটিয়ানের পটভূমি সম্পর্কে বলেন হাসান আহমেদ। এরপর স্মৃতিচারণ পর্বটা পরিচালনা করেন কামার জামান। এতে অংশ গ্রহন করেন প্রকৌশলী দম্পতি সানজানা সোলায়মান ও শরীফ মন্ডল, প্রকৌশলী রাজ্জাক চোকদার, প্রকৌশলী সুফিয়ান খন্দকার, প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান এবং প্রকৌশলী শরীফ রহমান।
রাত ঠিক সাড়ে আটটায়, লায়লা ফারজানা মুনমুনের উপস্হাপনায় শুরু হয় বুয়েটিয়ান সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। শুরুতেই মহান ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদের স্মরণ করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। স্মরণ করা হয় সদ্য প্রয়াত শিক্ষক বাংলাদেশের প্রথম নারী উপাচার্য স্হপতি খালেদা একরাম, সর্বজন শ্রদ্ধেয় তড়িত কৌশলের প্রফেসর মোহাম্মদ আলী চৌ্ধুরী, গণিতের প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস।
লায়লা ফারজানা মুনমুন ও প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের যৌথ গ্রন্থনা ছিল মন ও মননে অসাধারণ যার শুরুতে ছিল সমবেত সংগীত ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে’, শেষে ‘ধন ধান্য পুষ্প ভরা’। আর অনুষ্ঠানের যবনিকায় ছিল নজরুল ইসলামের অসাধারণ আবৃত্তিতে ‘জাগো বাহে কোনঠে সবাই’।
সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় একক গান পরিবেশন করেন বুয়েট পরিবারের শাহপার ইসলাম সিমি, ফাহমমিদা শারমিল লিসা, বিদিশা দেওয়ানজী, স্হপতি মাবরুক আদনান অমি, স্হপতি ফারজানা সুলতানা শর্মী, স্হপতি লায়লা ফারজানা মুনমুন, প্রকৌশলী সৌগত সরকার, প্রকৌশলী জীবন বিশ্বাস। নৃত্যে ছিলেন উদিত তন্বী। দ্বৈত সংগীতে দম্পতি স্হপতি মারহানা সুসান ও আনোয়ার সাদিক মিথুন। দ্বৈত আবৃত্তি করেন দুররে মাকনুন নবনী ও স্হপতি শাহরিয়ার তৈমুর। একক আবৃত্তি করেন প্রকৌশলী আজহার ইসলাম। ছোট ছোট নাট্যাংশে অভিনয় করেন স্হপতি লায়লা ফারজানা মুনমুন ও নজরুল ইসলাম।
ডিনারের পর দর্শকরা উপভোগ করেছেন অতিথি শিল্পী এস আই টুটুলের প্রাণবন্ত, রুচিশীল মনোজ্ঞ পরিবেশনা। যখন শেষ গানটি গাইলেন তখন রাত ঠিক ১২টা।
বিদায়ের আগে স্মৃতি ধরে রাখতে সবাই ক্লিক- ক্লিকে ব্যাস্ত লায়লা ফারজানা মুনমুনের করা অসাধারণ কম্পোজিশন ও থিমে করা ব্যাকড্রপ পিছনে রেখে। যেখানে প্রযুক্তি ও মানুষের উপর ‘আমাদের’ ফজলুর রহমান খানের বাণী এই সন্ধ্যার আয়োজনকে প্রতিফলিত করে। “The technical man must not be lost in his own technology; he must be able to appreciate life, and life is art, drama, music, and most importantly, people.” ~ Fazlur Rahman Khan
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!