ফেসবুকের ৫৭ বিলিয়ন ফ্রেন্ডশিপের তথ্যদান!
বাঁধন : ২০১১ সালে বিশ্বের সকল দেশে ফেসবুক গ্রাহকদের ফ্রেন্ডশিপের তথ্য একটি গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছিল ফেসবুক। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক অনুসন্ধানে এই তথ্য উঠে এসেছে।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বের ওপর একটি গবেষণার জন্য ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটিকে এই বিপুল পরিমাণ তথ্য দিয়েছিল ফেসবুক। এই গবেষণায় ক্যামব্রিজ, হার্ভার্ড এবং ইউনিভার্সিটির অফ ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকদের পাশাপাশি দুইজন ফেসবুক কর্মকর্তাকে সহ-লেখক হিসেবে যুক্ত ছিল। এই গবেষণায় ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকাকে তথ্য বিক্রি করে দেওয়াতে অভিযুক্ত অ্যালেক্সান্ডার কোগানও যুক্ত ছিলেন। তিনি অ্যালেক্সান্ডার স্পেকটার নামে সেই গবেষণায় কাজ করছিলেন।
ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে দেওয়া একটি প্রেস রিলিজে বলে হয়, ‘আমাদের চলতি গবেষণাটি স্পেকটার’স ল্যাব এবং ফেসবুকের যৌথভাবে তৈরি করা হচ্ছে।’
ফেসবুক এখন পর্যন্ত এই যৌথ গবেষণা নিয়ে মুখ খোলেনি।
কলোম্বিয়া ইউনিভার্সিটির টিওডব্লিউ সেন্টার ফর ডিজিটাল জার্নালিজমের গবেষণা পরিচালক জোনাথন আলব্রাইট বলেন, ‘৫৭ বিলিয়ন ফ্রেন্ডশিপ কিন্তু কম নয়। এটা আমাদেরকে তাদের মধ্যকার পূর্বের বন্ধুত্ব ইঙ্গিত করে। এরকম তথ্য শেয়ার করা ফেসবুকের জন্য নতুন কিছুই নয়। ফেসবুকের সঙ্গে অ্যালেক্সান্ডার কোগানের পূর্বের বন্ধুত্ব ছিল বলে আমি মনে করি। তাছাড়া এতো গোপন তথ্য নিজেদের মধ্যে শেয়ার করা সম্ভব নয়।’
ইমেইলের মাধ্যমে ফেসবুকের মুখপাত্র ক্রিস্টিন শেন বলেন, ‘ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটিকে আমরা শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বের তথ্য দিয়েছি। যেমন ধরুন একজন মানুষ এই এই দেশের মানুষের সঙ্গে এতোগুলো ফ্রেন্ডশিপ করেছে। কোনোরকম ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করা হয়নি।’
এর আগে এই গবেষণায় যুক্ত অ্যালেক্সান্ডার কোগানের বিরুদ্ধে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকাকে তথ্য বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ এসেছিল। এই ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনের সময় ৫ কোটি মানুষের ফেসবুকের তথ্য হাতিয়ে তাদের পছন্দের ওপর ভিত্তি করে ট্রাম্পকে নির্বাচনে জিতিয়ে দিতে সাহায্য করেছিল।
কোগান এই প্রতিষ্ঠানকে তথ্য বিক্রি করেন একটি অ্যাপের মাধ্যমে। তার বানানো ‘দিস ইজ মাই ডিজিটাল লাইফ’ অ্যাপটি ২০১৫ সালে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ওপর একটি জরিপ চালায়। ফেসবুকের এই অ্যাপ ছিল মূলত একটি কুইজ। এর মাধ্যমে কুইজে অংশগ্রহণকারীদের ব্যক্তিত্বের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা।
প্রায় তিন লাখ ২০ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী ওই কুইজে অংশ নেন। অর্থাৎ কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা এই অ্যাপের মাধ্যমে তিন লাখ ২০ হাজার জনের বিস্তারিত তথ্য পেয়েছিল। শুধু তাই নয়, ফেসবুকের সেই সময়কার নীতি অনুযায়ী, অ্যাপটির মাধ্যমে ওই তিন লাখ ২০ হাজার জনের বন্ধুদের বিস্তারিত তথ্যও কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার হাতে চলে যায়। সব মিলিয়ে পাঁচ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য পায় গবেষণা সংস্থাটি। পরে এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন তৈরি করা হয়। যে ভোটারের ব্যক্তিত্ব যেমন তাকে লক্ষ্য করে ঠিক তেমন বার্তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়। সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান /আমাদের সময়.কম
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো