Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সুচিত্রা সেনের জন্মাবার্ষিকী পালন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 91 বার

প্রকাশিত: April 8, 2018 | 6:55 AM

সাবেদ সাথী : নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উপমহাদেশের কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেনের ৮৭তম জন্মাবার্ষিকী পালন করেছে যুক্তরাষ্ট্রস্থ সুচিত্রা সেন মেমোরিয়াল। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজার হল রুমে দিনব্যাপী এ উৎসবে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে মহানায়িকাকে স্মরণ করেন নিউ ইয়র্ক প্রবাসী সুচিত্রা সেনের ভক্তরা। এ অনুষ্ঠানে নিউ ইয়র্ক প্রবাসী বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।

নিউইয়র্ক প্রবাসী সংস্কৃতিসেবী গোপাল স্যানালের তত্ত্বাবধানে ও পরিচালনায় প্রায় প্রতি বছরই কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেনের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়ে থাকে। একই সঙ্গে পাবনায় সুচিত্রা সেনের বেদখল হওয়া পৈত্রিক বাড়ি দখলমুক্ত করার জোর দাবি জানিয়ে আসছে এ সংগঠনটি।

প্রবাসী সংস্কৃতিসেবী মিনহাজ শাম্মু ও আবৃত্তিকার মুমু আনসারীর সঞ্চালনায় দিনব্যাপী জন্ম উৎসবের শুরুতে প্রদীপ জ্বালিয়ে মহানায়িকাকে স্মরণ করা হয়। প্রদীপ প্রজ্বলন করেন টিভি অভিনেত্রী রেখা আহমেদ, লুৎফুন নাহার লতা ও শিরীন বকুল। 

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি এই অভিনেত্রীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠান, সুচিত্রা সেনের স্মৃতিচারণ ও সুচিত্রা সেন অভিনীত চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়। 

সুচিত্রা সেন মেমোরিয়ালের প্রধান গোপাল স্যানাল বাংলাদেশের পাবনা জেলায় সুচিত্রা সেনের বাড়িটি ‌’সুচিত্রা সেন যাদুঘর’ ও পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজের একটি ছাত্রী নিবাস সুচিত্রা সেনের নামে নামকরণ করায় বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। 

তিনি বলেন,উপমহাদেশের কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেনের ভক্ত রয়েছে সারা বিশ্বব্যাপী। নিউ ইয়র্ক প্রবাসী সুচিত্রা ভক্তদের কথা বিবেচনা করেই সুচিত্রা সেন মেমোরিয়াল ইউএসএ গঠন করা হয়েছে। প্রবাসী গড়ে উঠা বাংলা ভাষাভাষী নতুন প্রজন্মের কাছে প্রয়াত সুচিত্রা সেনের স্মৃতি ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরার জন্য এ সংগঠনটি চেষ্টা চালাবেন বলে আশা করছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সুচিত্রা সেন অভিনীত বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা করেন উপস্থিত আলোচকরা।

বক্তারা বলেন, সুচিত্রা সেন একজন ভারতীয় চলচিত্র অভিনেত্রী, ষাটের দশক থেকে ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি। তিনি মূলত বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। রূপালি পর্দার উত্তম-সুচিত্রা জুটি আজও তুমুল দর্শকপ্রিয়।

নিউ ইয়র্ক প্রবাসী বিশিষ্ট টিভি অভিনেত্রী লুৎফুন নাহার লতা বলেন, বাঙালির প্রাণকে নাড়া দিয়েছিলেন যে অভিনেত্রী তার নাম সুচিত্রা সেন। তার অভিনয়, কণ্ঠ, বাচনভঙ্গি আর অসামান্য ব্যক্তিত্ব সবকিছু নিয়েই সুচিত্রা সেন। বাংলা এবং হিন্দি সিনেমার জগতকে নাড়া দিয়েছিলেন অপরিসীম দক্ষতায়। বাংলা সিনেমার জগতে এমন সুদক্ষ ও ভুবনমোহনী অভিনেত্রী আর আসেনি। তিনি জন্মেছিলেন এই বাংলার মাটিতে সেটি আমাকে গর্বিত করে। এ ধরনের একটি উদ্যোগের জন্য আয়োজকদের তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। 

উল্লেখ্য, তিনি জন্ম সূত্রে বাংলাদেশি। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল পাবনা জেলার সদর পাবনায় সুচিত্রা সেন জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার বাবার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার অন্তর্গত সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রাম। তার জন্মগত নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত। বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন এক স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মা ইন্দিরা দেবী ছিলেন গৃহবধূ। তিনি ছিলেন পরিবারের পঞ্চম সন্তান ও তৃতীয় কন্যা। সুচিত্রা সেন পাবনা শহরেই পড়াশোনা করেছিলেন। তিনি ছিলেন কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনী। বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমারের বিপরীতে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। 

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় সুচিত্রা সেন সপরিবারে ভারত চলে যান। ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV