নিউইয়র্কে নর্থ ব্রঙ্কস জামে মসজিদের সভাপতি এবং সেক্রেটারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/2218182128199574/
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কের নর্থ ব্রঙ্কস জামে মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক সেন্টারের বর্তমান কমিটির সভাপতি এবং সেক্রেটারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম এবং অসাংবিধানিক কার্যক্রমের অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ১৩ মে রোববার সন্ধ্যায় নর্থ ব্রঙ্কসের ৩০৬১ বেইনব্রীজ এভিনিউর চার্চ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ আনা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মসজিদের অনেক অনিয়ম আছে যা সময় সাপেক্ষে যাবতীয় প্রমাণসহ তুলে ধরা হবে। অবিলম্বে এসব অনিয়ম এবং অসাংবিধানিক কার্যক্রম বন্ধ না হলে নিয়মতান্ত্রিক ও সংবিধান সম্মতভাবে মসজিদ পরিচালনার স্বার্থে আইনের আশ্রয় গ্রহন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নর্থ ব্রঙ্কস জামে মসজিদ অ্যান্ড ইসলামিক সেন্টারের কোষাধ্যক্ষ শাহিন আহমদ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট লুৎফুর রহমান, কার্যকরী সদস্য আনছার হুসাইন চৌধুরী, হাজী আব্দুর রউফ, মো: শামীম, সিরাজুল ইসলাম ও নজরুল ইসলাম খান এবং আলহাজ্ব সোলাইমান ভূইয়া সহ অন্যান্যরা। সংবাদ সম্মেলনে বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অসাংবিধানিক ভাবে গঠিত মসজিদের বর্তমান কার্যকরী কমিটির অপতৎপরতা বলা বাহুল্য। দুর্নীতি বলতে কেবল অর্থ আত্মসাতকেই বুঝায় না। অন্যায়য়ের সাথে আপোষ, কর্তব্যে অবহেলা, ক্ষমতার অপব্যবহার, জনগণের অর্থের অপচয় এবং বিবেকের সাথে প্রবঞ্চনা – এসবও র্দূনীতির পর্যায়ে পড়ে। আমরা চাই আল্লাহর ঘর পরিচালনায় কোন ধরনের র্দূনীতি, অনিয়ম এবং স্বজনপ্রীতি থাকবে না।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, কিছুদিন আগে সভাপতি এবং সেক্রেটারী কর্তৃক বিলিকৃত প্রচার পত্রই প্রমাণ করে যে তারা কতটুকু অসাংবিধানিক ভাবে মসজিদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। প্রচার পত্রে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সংখ্যার কর্যকরী কমিটির গঠন সাধারণ সভার মাধ্যমে হয়েছে বলে উল্লেখ আছে। মসজিদের সাধারণ সদস্য কারা এবং এক মুসল্লাহ নামাজের জায়গা ক্রয়কারীদের অবস্থান এবং তারা আদৌ সাধারণ সদস্যের অন্তরভূক্ত কিনা তা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। যেখানে বহু বছর আগে হতে মাসিক ১০ ডলার বা তার উর্ধ্বে চাঁদা প্রদানকারী এলাকাবাসী আজ পর্যন্ত কোন সাধারণ সভার আহবান পাননি সেক্ষেত্রে সেই সব সাধারণ সদস্য কারা তাও প্রশ্নবিদ্ধ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, প্রচার পত্রের মাধ্যমে সভাপতি এবং সেক্রেটারী সুন্নী মতাদর্শের ব্যাখ্যা দিয়ে মসজিদের মুসল্লীদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করছেন। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ থেকে আলীম-উলামাদের আমেরিকায় আনতে সেক্রেটারী কর্তৃক মসজিদের পক্ষে স্পন্সর করা হয়েছে, যদিও বিষয়টি সেক্রেটারী অস্বীকার করেছেন। সেক্রেটারী কর্তৃক মসজিদের পক্ষে স্পনসার করার প্রমাণ পত্র আমাদের কাছে আছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়, গত ৩০শে এপ্রিল শবেবরাতের রাতে সেক্রেটারী মুসল্লীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বিদায়ী ঠিকাদার তার পাওনার অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে গেছে, যার পরিমান প্রায় দু’শ ষাট হাজার ডলার। উল্লেখিত ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়মের আশ্রয় নেয়ায় মুসল্লীদের দানকৃত অর্থের অপচয় হয়েছে। ঠিকাদারের কাজের পূর্বেই এত বড় অঙ্কের অর্থ অগ্রীম প্রদান করা সেক্রেটারীর আর্থিক অনিয়মের সামিল।
সংবাদ সম্মেলনে মসজিদের কিছু অসাংবিধানিক কার্যক্রম তুলে ধরে বলা হয়, সংবিধান মোতাবেক প্রতি বছর নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে বার্ষিক সাধারণ সভা হওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে কমিটির বার্ষিক কার্যক্রম সম্পর্কে মুসল্লী তথা এলাকাবাসী অন্ধকারে আছেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, মসজিদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কার্যকরী কমিটির মেয়াদ এক বছর। সেই প্রেক্ষিতে প্রতি বছর কার্যকরী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু অদ্যাবধি কার্যকরী কমিটির নির্বাচন সাধারণ সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না আমরা কমিটির সদস্য হয়েও অবগত নই।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি বছর মসজিদের আয়-ব্যয় হিসাব অডিট হওয়ার কথা। এই অডিট রিপোর্ট সাধারণ সভায় সংখ্যা গরিষ্ঠ ভোটে অনুমোদন ক্রমে সাধারণ সদস্যদের কাছে পেশ করার বিধান থাকলেও আজ পর্যন্ত কোন অডিট কমিটির মাধ্যমে মসজিদের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব অডিট করা হয়নি। ফলে মসজিদের মুসল্লীদের প্রদানকৃত চাঁদার অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে কিনা তার অডিটকৃত পরীক্ষিত প্রমাণ নেই।
সেক্রেটারী কমিটির সদস্যদের সামনে মসজিদের একটি ট্রাষ্টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে মর্মে ঘোষনা দিয়েছেন। মসজিদটি সকলের সাহায্যে ও সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত। সেই ক্ষেত্রে মুসল্লীদের পরামর্শ এবং প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ছাড়া এই মসজিদের জন্য ট্রাষ্টি বোর্ড গঠন করা মোটেই যুক্তিসংগত এবং সংবিধান সম্মত নয়। উল্লেখিত অনিয়ম এবং অসাংবিধানিক কার্যক্রম বন্ধ করা না হলে নিয়মতান্ত্রিক ও সংবিধান সম্মতভাবে মসজিদ পরিচালনা করার স্বার্থে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/2218190344865419/
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!