যুক্তরাষ্ট্রে ফিতরা সর্বনিম্ন ৬ ডলার, সর্বোচ্চ ৩৮ ডলার : প্রবাসীরা দেশে জাকাত-ফিতরার অর্থ পাঠাতে পারেন
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : যুক্তরাষ্ট্রে এবার ফিতরা সর্বনিম্ন ৬ ডলার, সর্বোচ্চ ৩৮ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। নিউইয়র্কের শরীয়া বোর্ডের অফিস ম্যানেজার মাওলানা বোরহান উদ্দিন জানিয়েছে, এবার সর্বনিম্ন ফিতরা ৬ ডলার এবং সর্বোচ্চ ৩৮ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ফিতরা নির্ধারণী পণ্যের মূল্য হিসেবে ১২ ডলার এবং ২৫ ডলারও ফিতরা আদায় করা যেতে পারে। তবে সাধারণভাবে কমপক্ষে ১২ ডলার ফিতরা আদায় করাই শ্রেয়।
নিউইয়র্কের ইসলামিক স্কলাররা জানিয়েছেন, গম বা আটার বাজারমূল্য হিসাব করে এবার যুক্তরাষ্ট্রে সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে জন প্রতি ৬ ডলার। কিসমিস, আনার ও পনির বাজারমূল্য হিসাব করে জন প্রতি সর্বোচ্চ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮ ডলার। যাদের বার্ষিক সমুদয় ব্যয় মিটিয়ে ২ হাজার ৫শ ডলার অথবা সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণের সমপরিমাণ সম্পদ রয়েছে তাদেরকে জাকাত আদায় করার কথা জানিয়েছেন ইসলামিক স্কলাররা।

ইসলামিক স্কলাররা জানান, সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ হয় গমের মূল্যের ভিত্তিতে এবং কিসমিস, আনার ও সমমানের মূল্যবান ফলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ফিতরা নির্ধারিত হয়। সে অনুযায়ী সর্বনিম্ন ফিতরা ৬ ডলার ও সর্বোচ্চ ৩৮ ডলার ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এর বেশিও আদায় করা যাবে।
ইসলামিক স্কলাররা বলেন, কেউ যদি নির্ধারিত সর্বোচ্চ ফিতরার বেশি আদায় করতে চান তাহলে তা আদায় করতে পারেন তবে সর্বনিম্ন ফিতরা অবশ্যই দিতে হবে।
ইসলাম ধর্মের বিধান অনুযায়ী প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। নাবালক ছেলে-মেয়ের পক্ষ থেকে অভিভাবককে এই ফিতরা আদায় করতে হয়। আর তা দিতে হয় ঈদুল ফিতরের নামাজের আগেই। ইসলামিক স্কলাররা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে জাকাত ও ফিতরা আদায়ের সুযোগ না থাকলে প্রবাসীরা দেশে জাকাত ও ফিতরার অর্থ পাঠাতে পারেন।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!