Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

ইসলামি দেশগুলো কতখানি ইসলাম মেনে চলে?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 48 বার

প্রকাশিত: June 5, 2018 | 4:34 PM

নূর মাজিদ : জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর হুসেইন আস্কারি তার এক সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন। এই গবেষণায় পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, যে সমস্ত দেশ ঐতিহ্যগতভাবে মুসলিম অধ্যুষিত তাদের তুলনায় ইসলামি মূল্যবোধ ধরে রাখার ক্ষেত্রে অমুসলিম কিছু দেশ বেশ এগিয়ে রয়েছে। এমনকি তারা মুসলিম দেশগুলোর তুলনায় ইসলামিক অনুশাসনের প্রয়োগের ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছে।

এই তালিকার প্রথম সাতটি দেশই এমন অমুসলিম দেশ। ইসলামি মুল্যবোধের সঠিক প্রয়োগের বিচারে এগিয়ে থাকা দেশগুলি হলো নিউজিল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, ও কানাডা। অন্যদিকে এই তালিকার শীর্ষ দশের শেষ তিনে স্থান পেয়েছে তিনটি ঐতিহ্যগতভাবেই মুসলিম দেশ। দেশগুলি হলো, মালয়েশিয়া, কুয়েত এবং বাহরাইন। তবে ইসলামের রক্ষাকর্তা দাবী করা দেশ সৌদি আরবের স্থান তালিকার একদম নিচের দিকে ১৩১ নম্বরে রয়েছে।

গ্লোবাল ইকনোমিক জার্নালে প্রকাশিত এই প্রতিবেদন অনেকের জন্যেই বিস্ময়কর হলেও প্রফেসর আস্কারি এই প্রতিবেদনের গুরুত্ব উপলদ্ধি করার জন্য মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, শুধুমাত্র কোরআন, হাদিসের পবিত্র বাণীর শ্রবণ ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনের সামাজিকতা রক্ষার আয়োজন ইসলামি মূল্যবোধের যথাযথ প্রতিপালন নয়। এর সঙ্গে সততা, সুশাসন, জনকল্যাণ ও নাগরিকদের অধিকার সংরক্ষণের মত বিষয়গুলি জড়িত রয়েছে।

ইসলামের সঠিক প্রতিফলন সম্পর্কে মুসলিমদের অবহেলা অনেক সময় অমুসলিমদের কাছেও নিন্দনীয় বিষয় হয়ে পড়ে। যেমন একজন চীনা ব্যবসায়ী একদা উল্লেখ করেন, আমার কাছে অনেক মুসলিম বণিক ব্যবসায়িক কাজে আসেন। তারা আমার পন্যে ভুয়া লেভেল ও ব্রান্ডের সিল লাগিয়ে দিতে বলেন, কিন্তু আমি দাওয়াত দিলে তারা তা গ্রহণ করেন না। তারা বলেন আমার খাদ্য হালাল নয়। তবে তারা যেসমস্ত পণ্য অসাধু উপায়ে বিক্রয় করছেন তার উপার্জন কি হালাল!

অপর এক নও মুসলিম জাপানি নাগরিক বলেন, আমি যখনই পশ্চিমে সফরে যাই সেখানে আমি মানুষকে দেখতে পাই যারা ব্যক্তি জীবনে ইসলামকে গভীরভাবে অনুসরণ করেন। আবার আমি যখন পূর্বে সফর করেছি সেখানে আমি অনেক দেশে ইসলাম দেখতে পেরেছি কিন্তু একজন মুসলিমকেও খুঁজে পাইনি। – আওয়ার টাইম

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV