Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সীমান্ত নীতি বাস্তবায়নে বাইবেলকে হাতিয়ার করছে হোয়াইট হাউস!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 183 বার

প্রকাশিত: June 16, 2018 | 12:36 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত সীমান্ত নীতি বাস্তবায়নে বাইবেলকে হাতিয়ার করছে হোয়াইট হাউস। এই সীমান্ত নীতি অনুযায়ী, অবৈধভাবে প্রবেশকারী বাবা-মায়ের কাছ থেকে তাদের সন্তানদের আলাদা করে হেফাজতে রাখবে কর্তৃপক্ষ। আর এর স্বপক্ষে যুক্তি দেখাতে গিয়ে বাইবেলকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স। অথচ খোদ যিশুই শরণার্থী ছিলেন। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সারাহ স্যান্ডার্সের ওই সাফাইয়ের সমালোচনা করছেন অনেকে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সিএনএন-এর এক প্রশ্নের উত্তরে সারাহ স্যান্ডার্স বলেন, আমি এটা বলতে পারি যে, এই আইন বা নীতির প্রয়োগ বাইবেলের সঙ্গে খুবই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশন্স ও দেশটির ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টমাস হোম্যান জানান, অবৈধভাবে প্রবেশকারী বাবা-মায়ের কাছ থেকে সন্তানদের আলাদা করার নীতিটি নতুন নয়। যেসব প্রক্রিয়া এরই মধ্যে চালু রয়েছে সরকার সেগুলোকে আরেকটু বিস্তৃত করছে।

হোম্যান বলেন, দুটি পরিস্থিতিতে আমরা সব সময় পরিবারকে বিচ্ছিন্ন করেছি। প্রথমত যখন আমরা সন্তানের বাবা-মা হিসেবে তাদের চিহ্নিত করতে পারি না এবং মনে করা হয় শিশুটিকে পাচার করা হচ্ছে।

অনেক সময় পাচারকারীরা শিশুদের ভুয়া বাবা-মা সাজিয়ে পাচারের চেষ্টা করে জানিয়ে হোম্যান বলেন, দ্বিতীয় যে ক্ষেত্রে আমরা পরিবারকে বিচ্ছিন্ন করি সেটা হচ্ছে বিচারের সময়। এই দেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে। এদেশে প্রবেশে সঠিক উপায় রয়েছে। একই ভাবে ভুল পন্থাও রয়েছে।

গত এপ্রিলে অ্যাটর্নি জেনারেলও যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের বিচার করা যদি আমাদের দায়িত্ব হয় তাহলে কিছু সময়ের জন্য সন্তানদের আলাদা রাখতেই হবে। সূত্র : বাংলাট্রিবিউন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV