Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

দেশপ্রতি গ্রিন কার্ড পাওয়ার হার ৭ শতাংশে বেঁধে দেওয়ায় মার্কিন গ্রিনকার্ড পেতে অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হচ্ছে!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 135 বার

প্রকাশিত: June 18, 2018 | 3:39 PM

বিশ্বজিৎ দত্ত : হাতে গ্রিন কার্ড আর চোখে ‘আমেরিকান ড্রিম’। অনেকেরই স্বপ্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই গ্রিন কার্ড ( সেদেশে পাকাপাকিভাবে থেকে যাওয়া ও চাকরি করার ছাড়পত্র) হাতে পাওয়া। সদ্য প্রকাশিত একটি সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, অ্যাডভান্স ডিগ্রি সম্পন্ন গ্রিন কার্ড পেতে গেলে অপেক্ষা করতে হবে অজানা বছর অর্থাৎ ১ শ থেকে দেড়শো বছর। গ্রিন কার্ডের আবেদনের ওয়েট টাইম বা অপেক্ষার সময়কাল হিসেব করেই এই তথ্য দিয়েছে ওয়াশিংটনের থিঙ্কট্যাঙ্ক সংস্থা কাটো ইনস্টিটিউট।

সম্প্রতি ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)-এর তরফে গ্রিন কার্ডের আবেদনের একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই পরিসংখ্যানের সঙ্গে ২০১৭ সালে যতগুলি গ্রিন কার্ড ইস্যু হয়েছে, তার ভিত্তিতেই এই হিসেব দিয়েছে কাটো ইনস্টিটিউট।

ইউএসসিআইএস-এর তথ্য বলছে, চলতি বছরের ২০ এপ্রিল পর্যন্ত তাঁদের স্বামী বা স্ত্রী এবং নাবালক সন্তাান-সন্ততি গ্রিন কার্ডের আবেদন করেছেন। এদের মধ্যে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন অভাবনীয় প্রতিভার অধিকারীদের জন্য এই ওয়েট টাইম তুলনামূলকভাবে কম। এই উচ্চ দক্ষতাসম্পন্নদের ইবি-১ ক্যাটেগরিতে রাখা হয়। ইবি’র সম্পূর্ণ কথাটি হল এপ্লয়মেন্ট বেস্ড। অর্থাৎ, আবেদনকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন সংস্থায় এবং কোন পদে কাজ করছেন তার ভিত্তিতে তাঁর ক্যাটেগরি ঠিক করা হয়। কাটো ইনস্টিটিউটের রিপোর্ট বলছে, এই ইবি-১ ক্যাটেগরির সর্বনিম্ন ওয়েট টাইম হল ৬ বছর। সর্বোচ্চ ১২ থেতে ১৪ বছর হতে পারে।

তালিকায় এর পরেই আসছে ইবি-৩ ক্যাটেগরি। শুধুমাত্র স্নাতক ডিগ্রি রয়েছে এমন আবেদনকারীদের এই ক্যাটেগরিতে রাখা হয়। কাটো ইনস্টিটিউটের দাবি, এই ক্যাটেগরির ওয়েট টাইম কমপক্ষে ১৭ বছর। কিন্তু, যে ক্যাটেগরির আবেদনকারীদের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়, সেটা হল ইবি-২ ক্যাটেগরি। এই ক্যাটেগরিতে থাকা অ্যাডভান্স ডিগ্রি সম্পন্নদের গ্রিন কার্ড পেতে গেলে অজানা সময় অপেক্ষা করতে হবে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। এই ওয়েট টাইম বেড়ে যাওয়ার পিছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনকেই দায়ী করা হচ্ছে। দেশপ্রতি গ্রিন কার্ড পাওয়ার হার ৭ শতাংশে বেঁধে দেওয়ার কারণেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। amadershomoy.com

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV