Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে মুসলমানদের ওপর হামলা বেড়েই চলেছে : মানবাধিকার কমিশনের তথ্য

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 175 বার

প্রকাশিত: June 23, 2018 | 6:20 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, নিউইয়র্ক সিটিতে ধর্মীয় এবং জাতিগত বিদ্বেষমূলক হামলার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ইতিপূর্বে পুলিশ কিংবা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অথবা ধর্মীয়/কম্যুনিটিভিত্তিক সংস্থায় অভিযোগ করে কোন প্রতিকার না পাওয়ায় গত বছর ৭১% ভিকটিমই বিচার প্রার্থনায় আগ্রহী হয়নি। নিউইয়র্ক সিটির হিউম্যান রাইটস কমিশনের জরিপে এমন ভয়ংকর তথ্য উঠে এসেছে। এ জরিপ চালানো হয় ২০১৬ সালের জুলাই থেকে গত বছরের শেষার্ধ পর্যন্ত। বাংলা, ইংরেজী, আরবী, রাশিয়ান, হিন্দি, উর্দূ, যুডিশ-এই ৭ ভাষায় পরিচালিত জরিপে অংশ নেন ৩১০০ জন। দক্ষিণ এশিয়ান এবং মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমান ছাড়াও শিখ ও জুইশরাও অংশ নেন এতে। এই জরিপ রিপোর্ট প্রকাশ উপলক্ষে ১৯ জুন মঙ্গলবার ব্রুকলীনে আরব-আমেরিকান ফ্যামিলি সাপোর্ট সেন্টারে এক অনুষ্ঠান হয়েছে কমিশন অন হিউম্যান রাইটসের পক্ষ থেকে। স্বাগত বক্তব্য এবং সামগ্রিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কী করা উচিত তা নিয়ে খোলামেলা মতামত ব্যক্ত করেন কমিশনার কারমেলিন পি মালালিস। জরিপে উঠে এসেছে :
*৩৮.৭% কোন না কোনভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন
* ৮.৮% শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন
* ১৬.৬% ধর্মীয়, বর্ণ অথবা জাতিগত বিদ্বেষের শিকার হয়েছেন কর্মক্ষেত্রে অথবা চাকরির ইন্টারভিউর সময়
* ২৭% মহিলা হেনস্থার শিকার হন হিজাব পরিহিত অবস্থায় সিটির সাবওয়েতে
* ৮০% জুইশ লাঞ্ছিত হয়েছেন অথবা বিদ্বেষমূলকভাবে সহায়-সম্পদের ওপর হামলা হয়েছে
* ১৯% দক্ষিণ এশিয়ানই কর্মক্ষেত্রে বিমাতাসুলভ আচরণের শিকার হয়েছেন
* ৭১% বলেছেন যে, তারা আক্রান্ত হবার তথ্য পুলিশ কিংবা কম্যুনিটিভিত্তিক সংগঠন অথবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করেননি। কারণ, এর আগে অভিযোগ করে কোন প্রতিকার দূরের কথা, উল্টো হুমকির শিকার হয়েছেন।
* জরিপে অংশ নেয়া শিখ সম্প্রদায়ের অনূর্দ্ধ ৩৫ বছর বয়েসীরা বলেছেন যে তারা আগের চেয়ে দ্বিগুণ হয়রানি-নাজেহাল-লাঞ্ছিত হচ্ছেন।

এহেন পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে নিউইয়র্ক সিটির এই মানবাধিকার কমিশন সুপারিশ করেছে যে, কম্যুনিটিভিত্তিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে সক্রিয় একটি নেটওয়ার্ক স্থাপন করতে হবে। যার মাধ্যমে ভিকটিমরা বিচার প্রার্থনায় উৎসাহিত হতে পারবেন। দুর্বৃত্তদের যদি গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে দ্রুত হ্রাস পাবে এহেন জঘন্য ঘটনাবলি। বলা হয় : জুইশ ফর র‌্যাসিয়েল এ্যান্ড ইকনোমিক জাস্টিস, সোউটো ইয়েটো সেন্টার ফর আফ্রিকান উইমেন, শিখ কোয়ালিশন, কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স’র নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার, আরব-আমেরিকান এসোসিয়েশন অব নিউইয়র্ক, আরব-আমেরিকান ফ্যামিলি সাপোর্ট সেন্টার, ছায়া-সিডিসি, মানবাধিকার কমিশনের স্টাফকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে নাগরিকের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার জন্যে। তৃণমূলে কথা বলতে হবে। অভয় দিতে হবে যে, অবিচার কিংবা বিচারহীনতার সংস্কৃতি দীর্ঘতর হবে যদি ভিকটিমরা সোচ্চার না হন। এমনকি সিটির এই মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমেও অভিযোগ করা যাবে। অনলাইন অথবা টেলিফোনেও তথ্য জানানোর সুযোগ রয়েছে। নির্ভয়ে যেন সকলে অভিযোগ পেশ করেন। পুলিশী এ্যাকশন অবশ্যই দ্রুত শুরু হবে মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমে ঘটনাবলি উপস্থাপন করা হলে। এই কমিশনের টেলিফোন নম্বও হচ্ছে ৭১৮-৭২২-৩১৩১।

এ সময় জানানো হয়, সিটি, স্টেট এবং ফেডারেল প্রশাসনের অনুদানে পরিচালিত অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা/ মানবাধিকার সংস্থার এটর্নীরাও এসব ব্যাপারে বিস্তারিত সহায়তা দিচ্ছে। পুলিশ যদি অভিযোগ আমলে নিতে কালক্ষেপন করে তাহলে তার বিরুদ্ধেও আইনগত পদক্ষেপের সুযোগ রয়েছে। সুতরাং ভিকটিমরা যেন কোনভাবেই অভিযোগ করা থেকে বিরত না হন।

নিউইয়র্ক সিটির মানবাধিকার আইন লংঘনকারিকেও সর্বোচ্চ আড়াই লাখ ডলার জরিমানার ব্যবস্থা রয়েছে। এই কমিশন সে পদক্ষেপ নেয়ার অধিকার রাখে। তবে ভিকটিমরা এগিয়ে না এলে কোন আইনই প্রয়োগ করা সম্ভব হবে না।
কমিশনার কারমেলিন তার বক্তব্যে বলেন, কোথায় তারা নামাজ/পূজা/প্রার্থনা করেন কিংবা কী তার দৈহিক অবস্থা বা কোত্থেকে তিনি এসেছেন-এ কারণে কেউ নাজেহাল/আক্রান্ত/লাঞ্ছিত হবে-এটি নিউইয়র্ক সিটি কখনো মেনে নেবে না। কাউকেউ বৈষম্যের শিকার হতে দেয় না এই সিটি কিংবা উপরোক্ত কারণে কেউ হয়রানি হবে-সেটিও বরদাশত করে না নিউইয়র্ক সিটি। আমরা সর্বশক্তি নিয়োগ করেছি এহেন পরিস্থিতি দমনে। জিরো টলারেন্স মনোভাব রয়েছে সিটি প্রশাসনে।
কমিশনার বলেন, শিখ, মুসলমান অথবা জুইশদের নিরাপত্তায় বদ্ধপরিকর এই সিটির সকল এজেন্সী। কর্মক্ষেত্রে বিমাতাসূলভ আচরণকেও মেনে নেয় না এই প্রশাসন। কমিশনার উল্লেখ করেন, জরিপে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী মনবাধিকার কমিশন সোচ্চার হবে। সিটির সকল এজেন্সীর সাথে মতবিনিময় করার মধ্য দিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আর এভাবেই সকল মানুষের জন্যে নিরাপদ সিটির ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার চেষ্টা করা হবে।

এ সময় সিটি মেয়রের ইমিগ্রেশন সম্পর্কিত কমিশনার বিটা মোস্তফি বলেন, বর্ণ, জাতীয়তা, ধর্মীয় কারণে কেউ হয়রানি হবে অথবা কর্মস্থলে বিমাতাসুলভ আচরণের শিকার হবে-এটি কোনভাবেই মেনে নেয়া উচিত নয়। এহেন পরিস্থিতির অবসানে আমরা কাজ করছি মানবাধিকার কমিশনের সাথে। চলতি পথে অথবা কর্মস্থলে কেউ যাতে অযথা হয়রানি না হন-সে চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে অভিবাসী সমাজ স্বস্তিতে নেই-এটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এই জরিপে। তাই আমরা কম্যুনিটির শান্তি-স্বস্তি অটুট রাখতে এখন থেকে দ্বিগুণ উৎসাহে কাজ করবো। কারণ, এই সিটির দায়িত্ব হচ্ছে নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষায় সজাগ থাকা।

নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের কম্যুনিটি এফেয়ার্স ইউনিটের কমিশনার মারকো এ ক্যারিয়ন বলেন, বৈষম্য, হয়রানি, বায়াস, হেইট ক্রাইমের স্থান নয় এই সিটি। মেয়র ব্লাসিয়োর প্রশাসন বদ্ধ পরিকর কম্যুনিটির সকলের নিরাপত্তা সংরক্ষণ এবং নাগরিকের যে কোন প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াতে। এধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কম্যুনিটি এফেয়ার্স ইউনিটের সকল কর্মকর্তা সার্বক্ষণিকভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন সকল সংস্থার সাথে। এ ধরনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন নিউইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোয়ালিশনের নির্বাহী পরিচালক স্টিভেন চৈ। তিনি বলেন, হেইট ক্রাইম প্রতিরোধে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণে এই জরিপ-প্রতিবেদনের গুরুত্ব অপরিসীম।

নিউইয়র্কস্থ জুইশ কম্যুনিটি রিলেশন্স কাউন্সিলের বোর্ড মেম্বার ও কমিশনার যোনাথন গ্রীণস্পান বলেন, ব্রুকলীনের অধিবাসী হিসেবে দু:খজনক হলেও সত্য যে, এই সিটিতে প্রতিনিয়ত ধর্মীয় ও জাতিগত বিদ্বেষের কারণে জুইশরাও হয়রানি, হেনস্থা এবং সহায়-সম্পদের ক্ষতির শিকার হচ্ছে। আজকের এই জরিপ প্রতিবেদনে সিটি প্রশাসনের আন্তরিকতার বহি:প্রকাশ ঘটলো যে, এই সিটিতে কোন ধরনের হেইটক্রাইম অথবা বৈষম্যকে স্থান দেয়া হবে না। শিখ কালচারাল সোসাইটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও মানবাধিকার কমিশনার গুরদেব সিংহ বলেন, এটি অনস্বীকার্য যে, আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছি এহেন ধর্মীয়-জাতিগত এবং বর্ণ বিদ্বেষকে রুখে দেয়ার সংকল্প গ্রহণে। আমাদের মধ্যেকার এই সংকল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব হলে অবশ্যই এই সিটির শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।

মানবাধিকার কমিশনার ও রাব্বাই শেরন ক্লেইনবাম অব কংগ্রেগ্যাশনের বীট সিমিহ্যাট টোরাহ বলেন, নিউইয়র্ক সিটি মানবাধিকার কমিশনের এই প্রক্রিয়ার জন্যে খুব ভালো লাগছে এবং আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি তাদেরকে। সামাজিক সম্প্রীতির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ঘটনাবলি শক্তহাতে প্রতিহত করার ক্ষেত্রে নাগরিকদের অবশ্যই উজ্জীবিত করবে এ ধরনের কর্মকান্ড। নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ল’র বেনন সেন্টার অব জাস্টিসের লিবার্টি এ্যান্ড ন্যাশনাল সিকিউরিটি প্রোগ্রামের উপ-পরিচালক এবং মানবাধিকার কমিশনার ফাইজা পাটেল বলেন, এই সিটিতে ধর্মীয়-জাতিগত-সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ-বৈষম্যের স্থান কখনোই হবে না। এই জরিপে তা চিহ্নিত হলো।

আরব-আমেরিকান ফ্যামিলি সাপোর্ট সেন্টারের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও রাওয়া ন্যান্সি বলেন, এখন থেকে আমাদের এই সেন্টারকে আরো গণমুখী করা হবে। যাতে ভিকটিমরা দ্বিধাহীন চিত্তে রিপোর্ট করতে সাহসী হন। এখানে শুধু মুসলমানেরাই নন, শিখ, জুইশ, এমনকি খ্রিস্টানরাও স্বাগত।

কেয়ারের নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের লিগেল ডিরেক্টর এলবার্ট ফক্স কাহ্ন বলেন, হয়রানি, বৈষম্য, নির্যাতন প্রতিরোধে মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রমে অংশিদার হতে পেরে আমরাও গৌরববোধ করছি। এই সিটিতে কেন আমেরিকার কোথাও হেইট ক্রাইমকে প্রশ্রয় দেয়া উচিত নয়। এজন্যে কম্যুনিটিভিত্তিক ঐক্যের বিকল্প নেই।

এলবার্ট ফক্স উল্লেখ করেন, ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহনের পর মুসলমানদের বিরুদ্ধে হামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে। তাই আমাদেরর আরো বেশী উদ্যমী হতে হবে আন্ত:ধর্মীয় সম্পর্ক উন্নয়নে। এক্ষেত্রে মানবাধিকার কমিশনের এই উদ্যোগ অপরিসীম ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করছি।

শিখ কোয়ালিশনের লিগেল ডিরেক্টর অমৃত কাউর বলেন, আমেরিকায় বিদ্বেষমূলক হামলা প্রতিরোধে আমাদের আরো কাজ করতে হবে। চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। শুধু পুলিশ প্রশাসনের প্রতি তাকিয়ে থাকলে চলবে না, নিজ নিজ অবস্থান থেকেও সংগঠিত হওয়া জরুরী।

নিউইয়র্কস্থ আরব-আমেরিকান এসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক রামা-আইসা ইব্রাহিম বলেন, সিটি মানবাধিকার কমিশনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি সময়ের তাগিদ অনুযায়ী এমন একটি অপ্রিয় সত্য উচ্চারণের পথ সুগম করার জন্যে।
এ জরিপ প্রসঙ্গে সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লিডিং টুগেদারের নির্বাহী পরিচালক সুমন রঘুনাথ বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনে কেউ কেউ আন্তধর্মীয় কলহ উষ্কে দিচ্ছে। আমরাও সেটি অনুধাবনে সক্ষম হচ্ছি না। আমাদের মধ্যে বিভক্তির দেয়াল রচনা করে আক্রমণের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে আমাদেও বিরুদ্ধে। মানবাধিকার কমিশনের এই আয়োজন ঐ ধরনের মহতলববাজি ঠেকাতে অবশ্যই ভ’মিকা রাখবে বলে মনে করছি।

জুইশ ফর রেসিয়াল এ্যান্ড ইকনোমিক জাস্টিসের নির্বাহী পরিচালক অড্রি সেশন বলেন, এই সিটিতে অপরাধ করে রেহাই পাবার অবকাশ নেই বলেই মানবাধিকার কমিশন এমন একটি জরিপের মধ্য দিয়ে কম্যুনিটির মধ্যেকার ভয়ংকর একটি সমস্যাকে চিহ্নিত করলো।

ছায়া সিডিসির নির্বাহী পরিচালক অনিতা শিচরণ বলেন, আজ মানবাধিকার কমিশনের জরিপে যে তথ্য উদঘাটিত হলো, তা আমরা অনেক আগে থেকেই দেখে আসছি এবং তা থেকে লোকজনকে রক্ষায় মাঠে রয়েছি। আমরা অবশ্যই মানবাধিকার কমিশনের এই উদ্যোগের সাথে থাকবো এবং কম্যুনিটির স্বস্তির জন্যে যতটা সম্ভব সহায়তা দিয়ে যাবো। এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ