বাংলা সংস্কৃতির জয়গানে আটলান্টিক সিটিতে ৩৮তম বঙ্গ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
আটলান্টিক সিটি থেকে সুব্রত চৌধুরী : ব্যাপক আনন্দ আয়োজনে ও বাংলা সংস্কৃতির জয়গানে মুখরিত হয়ে গত ১লা জুলাই রবিবার সমাপ্ত হল ৩৮তম ‘ নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স ‘ যা ‘বঙ্গ সম্মেলন’ নামে সমধিক পরিচিত। গত ২৯ জুন শুক্রবার বিকেলে ‘জাগোা বাঙালি’ উল্লাসধ্বনিতে শুরু হয়েছিল তিনদিনব্যাপী এই বঙ্গ সম্মেলনের। আটলান্টিক সিটির কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই বঙ্গ সম্মেলনে পদ্মার এপার ওপার দুই বাংলার বাঙালিদের সম্মিলন ঘটেছিল।

বাংলা সাহিত্যের দুই দিকপাল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে কনভেনশন সেন্টার এর দুটি হলের নামকরন করা হয়েছিল। রবীন্দ্র মঞ্চ ও নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত বঙ্গ সম্মেলনের বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে ছিল সেমিনার, আবৃত্তি, হাসির নাটক, রবীন্দ্র সংগীত, বাউল সংগীত, উচ্চাঙ্গ সংগীত, ফোক সংগীত, আধুনিক গান, নৃত্যানুষ্ঠান, গীতি আলেখ্য, আন্তর্জাতিক বাংলা চলচ্চিত্র পুরষ্কার, শিশু-কিশোরদের বিভিন্ন পরিবেশনা, র্যাফেল ড্র সহ হরেক রকমের নান্দনিক আয়োজন।এছাড়া অন্য একটি হলে অনুষ্ঠিত হয় বাংলা চলচিএ প্রদর্শনী।
বঙ্গ সন্মেলনে অংশগ্রহনকারী বাঙালিরা ঘুরে ঘুরে নিজেদের পছন্দ মতো অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। বঙ্গ সম্মেলনে ভারতীয় প্রথিতযশা শিল্পী ও কলাকুশলীদের সাথে বাংলাদেশ থেকে আগত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী অদিতি মহসীন ও বাউল সংগীত শিল্পী কিরন চন্দ্র রায়ের মনোজ্ঞ পরিবেশনা বঙ্গ সম্মেলনে আগত বাঙালিরা প্রাণভরে উপভোগ করেন।
কনভেনশন সেন্টার এর বিশাল চত্বর জুড়ে হরেক রকমের পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছিল দেশের ও প্রবাসের স্বনামধন্য ব্যবসায়ীরা, এসবের মাঝে আপন ঔজ্জল্যে জ্বলজ্বল করছিল খ্যাতনামা বই বিপনী প্রতিষ্ঠান ‘মুক্তধারা’। বাঙালি খাবারের লোভে খাবারের ষ্টলে ছিল ভোজনবিলাসীদের দীর্ঘ লাইন। তিনদিন ব্যাপী বঙ্গ সম্মেলন উপলক্ষে আগত বাঙালিদের বাঙালিত্বের জয়গানে মুখরিত আটলান্টিক সিটি কনভেনশন সেন্টার যেন পরিনত হয়েছিল এক খণ্ড ‘মিনি বাংলা’য়।
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!