এস কে সিনহার বই ‘অ্যা ব্রোকেন ড্রিম’ অ্যামাজনে : বইয়ে দেশত্যাগ এবং বিদেশে বসে তার পদত্যাগের তরতাজা বর্ণনা
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : আলোর মুখ দেখেছে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা’র (এস কে সিনহা) লেখা বই- অ্যা ব্রোকেন ড্রিম: রুল অব ল, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি। অ্যামাজনে পাওয়া যাচ্ছে বইটি। প্রকাশের আগেই বিভিন্ন মহলে বইটি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। অ্যামাজনের ওয়েবসাইটে বইটির ভূমিকা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে এস কে সিনহা লিখেছেন, বিচার বিভাগ একটি রাষ্ট্রের অপরিহার্য এবং অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ এবং এর স্বাধীনতা একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পূর্বশর্ত। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে আবির্ভূত বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে গণতন্ত্রকে সংবিধানে রাষ্ট্রীয় নীতির একটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। এবং সংবিধান নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেয়।
১৯৭৪ সাল থেকে বিচার বিভাগের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার বয়ানের পর এস কে সিনহা ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের পর সৃষ্ট পরিস্থিতির ব্যাপারে আলোকপাত করেন। তিনি লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিদের সর্বোসম্মত রায়ে শাসন ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রবণতা সম্পর্কে দেয়া পর্যবেক্ষণ সাধারণ নাগরিক এবং সুশীল সমাজের প্রশংসা পায়। দেশি এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ রায়।
তবে ধারাবাহিকভাবে দুঃখজনক ও অভূতপূর্ব কিছু ঘটনা ঘটে যা বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করে। রায়ের পর তৈরি হওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে এস কে সিনহা লিখেছেন, রায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলে সংসদ একটি প্রস্তাব পাস করে। প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা সংসদে আমার সমালোচনায় মুখর হন। কি পটভূমিতে তিনি দেশত্যাগ এবং বিদেশে বসে পদত্যাগ করেছিলেন তার তরতাজা বর্ণনা দিয়েছেন বইয়ে। মানবজমিন
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!