Sunday, 21 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

সন্তানকে ফিরে পেতে ভারতে আইনি লড়াইয়ে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মার্কিনি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 101 বার

প্রকাশিত: December 2, 2018 | 12:00 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : সন্তানের দায়িত্ব পেতে আদালতে আইনি লড়াই করছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এক মার্কিন যুবক (৩০)। এ লড়াই চালাতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ছুটে এসেছেন ভারতের গুজরাটে। ২০১০ সালের জুলাইয়ে দক্ষিণ গুজরাটের ভালসাদে স্থানীয় এক যুবতীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ওই বাংলাদেশী। স্ত্রীকে নিয়ে চলে যান যুক্তরাষ্টের ডালাসে। সেখানে জন্ম হয় তাদের একটি ছেলে সন্তানের। এখন ওই সন্তানের বয়স চার বছর। এরই মধ্যে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে। ডালাসের আদালত ওই সন্তানকে তার পিতার হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।এ অবস্থায় ওই বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ওই যুবকের স্ত্রী সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে প্রতারণার আশ্রয় নেন। তিনি প্রথমে আদালতের কাছে অনুমতি চান তিন মাসের জন্য সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া থাকতে। আদালত তা অনুমোদন করে। কিন্তু তিনি অস্ট্রেলিয়া গিয়ে ভিন্ন কৌশল ব্যবহার করেন। সেখান থেকে ভারতে ‘ওভারসিজ সিটিজেনশিপ অব ইন্ডিয়া’র জন্য আবেদন করেন। চলে আসেন গুজরাটে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।
গুজরাটে এসেই ওই যুবতী উল্টো মামলা করে দেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তার সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে।  ওদিকে ব্যাঙ্গালুরুর একজন আইনজীবিকে পাওয়ার অব এটর্নি দিয়ে ওই যুবক একটি হেবিয়াস করপাস পিটিশন দাখিল করেন। তাতে নিজের সন্তানের কাস্টডি দাবি করেন তিনি। অর্থাৎ ছেলেকে ফিরে পেতে চান। কিন্তু এ আবেদন গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায় হাইকোর্ট। আদালত থেকে বলা হয়, আবেদনকারীর অনুপস্থিতিতে এ পিটিশনের শুনানি করা যথার্থ হবে না। শিশুটির কাস্টডি নিশ্চিত করতে হলে আবেদনকারীর উপস্থিতি প্রয়োজন, যদি রায় তার পক্ষে যায়। 
তাই ৩০ বছর বয়সী ওই বাংলাদেশী নাগরিক সন্তানের কাস্টডি বা দায়িত্ব পেতে আইনি লড়াই চালাতে ডালাস থেকে ছুটে এসেছেন ভারতে। তার আইনজীবি বলেছেন, এখন নতুন করে এ বিষয়ে একটি আবেদন দাখিল করা হবে। উল্লেখ্য, ওই দম্পতির বৈবাহিক সম্পর্ক এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে, যেখান থেকে তাদের ফিরে যাওয়া আর সম্ভব ছিল না। এ অবস্থায় বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ওই যুবক ডালাসের একটি আদালতে বিচ্ছেদ আবেদন করেন। তখন তার স্ত্রীও সন্তানের কাস্টডি দাবি করে আবেদন করেন। এ নিয়ে গত বছর শুনানি হয়। এ সময়ে বাংলাদেশী ওই যুবতীর স্ত্রী তার সন্তানকে নিজের কাছে রাখার আবেদন করেন। সন্তানকে তিন মাসের জন্য নিজের সঙ্গে করে অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যাওয়ার অনুমতি চান আদালতের কাছে। আদালত তাকে সেই অনুমতি দেয়। এরপরই ২০১৭ সালের জুলাইয়ে তিনি অস্ট্রেলিয়া চলে যান। 
ওদিকে গুজরাট হাইকোর্টে তার স্বামী দাবি করেছেন, তার সাবেক ওই স্ত্রী অস্ট্রেলিয়া থেকে নিজে ও তার শিশু সন্তানের জন্য ‘ওভারসিজ সিটিজেনশিপ অব ইন্ডিয়া’র (ওসিআই) জন্য আবেদন করেন। বাংলাদেশী ওই যুবক আরো দাবি করেন, সন্তানকে নিজের সঙ্গে রাখার অনুমতি সম্বলিত যে কাগজ তার সাবেক স্ত্রী প্রস্তুত করেছেন, তাতে তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। আবেদনে তিনি আরো বলেন, তিনি একজন বাংলাদেশী। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। তাই যে সন্তানের পিতামাতার একজন ভারতীয় এবং একজন বিদেশী এবং তারা বিচ্ছেদপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন, ওই সন্তানের ওআইসি স্ট্যাটাস আইন অনুমোদন করে না। ইতিমধ্যে ডালাসের আদালত সন্তানকে নিজের কাছে রাখার জন্য ভারতীয় ওই নারীর আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। জানুয়ারিতে তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে সন্তানকে তার পিতার কাছে রাখার অনুমতি দেয় আদালত এবং তাদের বিচ্ছেদ অনুমোদন করে। 
অন্যদিকে সন্তানসহ ওই নারী ভারতে পৌঁছেই তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেন। তাতে দাবি করেন, তার ওপর সহিংস আচরণ করা হয়েছে। ভালসাদ জেলা আদালতে সন্তানকে নিজের কাছে রাখার জন্য তিনি গার্ডিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্ডস অ্যাক্টের অধীনে আরেকটি মামলা করেছেন। তার এ আবেদনের শুনানি হবে ২৬ শে ডিসেম্বর। মানবজমিন 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV