Saturday, 20 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নিউইয়র্ক পুলিশে প্রথম বাংলাদেশি ক্যাপ্টেন আবদুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 51 বার

প্রকাশিত: December 23, 2018 | 12:00 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ক্যাপ্টেন হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন খন্দকার আবদুল্লাহ। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সর্বপ্রথম তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। এর আগে নিউ ইয়র্কের পুলিশের বিভিন্ন পদে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত মার্কিন নাগরিকরা কাজ করলেও কেউই ক্যাপ্টেন পদমর্যাদা পাননি।
নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট গত শুক্রবার এক টুইটার পোস্টের মাধ্যমে খন্দকার আবদুল্লাহকে অভিনন্দন জানান। ওই পোস্টে বলা হয়, ক্যাপ্টেন খন্দকার আবদুল্লাহকে নতুন পদোন্নতি পাওয়ার জন্য অভিনন্দন। প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান হিসেবে তিনি এই পদ অর্জন করলেন।
নিয়োগের পর ৩৩ বছর বয়সী খন্দকার আবদুল্লাহ বলেন, নিউইয়র্ক পুলিশের ক্যাপ্টেন হতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত। আমি সবার সহায়তা কামনা করছি।
গত ২১ ডিসেম্বর তাঁকে ক্যাপ্টেন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
শপথ নেন ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পাওয়া খন্দকার আবদুল্লাহ।

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ক্যাপ্টেন হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন খন্দকার আবদুল্লাহ। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সর্বপ্রথম তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। এর আগে নিউইয়র্ক পুলিশের বিভিন্ন পদে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত মার্কিন নাগরিকরা কাজ করলেও কেউই ক্যাপ্টেন পদমর্যাদা পাননি। ক্যাপ্টেনের পর নিউইয়র্ক পুলিশের পরের ধাপের পদবি পুলিশ কমিশনার।
নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট গত শুক্রবার এক টুইটার পোস্টের মাধ্যমে খন্দকার আবদুল্লাহকে অভিনন্দন জানান। ওই পোস্টে বলা হয়, ক্যাপ্টেন খন্দকার আবদুল্লাহকে নতুন পদোন্নতি পাওয়ার জন্য অভিনন্দন। প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান হিসেবে তিনি এই পদ অর্জন করলেন। গত ২১ ডিসেম্বর তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।


এদিকে, ক্যাপ্টেন হিসেবে নিয়োগ লাভের পর ৩৩ বছর বয়সী খন্দকার আবদুল্লাহ বলেন, নিউইয়র্ক পুলিশের ক্যাপ্টেন হতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত। তিনি সবার সহায়তা কামনা করে বলেন, ‘যাঁরা স্বদেশিদের সাফল্যে গর্ববোধ করেন, তাঁদের প্রতি আমার অশেষ ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। তাঁদের মুখ উজ্জ্বল হলেই নিজেকে ধন্য মনে করি।
২০০৫ সালের সামারে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেন খন্দকার আব্দুল্লাহ। তিনি কলেজে পড়ার সময় জব ফেয়ারে দেখেন এনওয়াইপিডিতে লোক নেওয়া হচ্ছে। তখন অনেকটা খেয়ালের বশে তিনি খন্ডকালীন ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দেন পুলিশ বিভাগে। ইউনিভার্সিটিতে পড়া অবস্থায় সিদ্ধান্ত নেন পুলিশ ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেওয়ার। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার স্বপ্ন তাঁকে পেয়ে বসে সেই সময়েই। ২০০৭ সালে পুলিশ অফিসার হিসেবে শপথ নেন কমিন্যাল জাস্টিসে স্নাতক খন্দকার আব্দুল্লাহ। ২০১৩ সালে তিনি এনওয়াইপিডির সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০১৬ সালের আগস্টে খন্দকার আব্দুল্লাহ আবার লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতি পান।
বিভাগীয় চূড়ান্ত পরীক্ষার পর গত ১০ ডিসেম্বর খন্দকার আবদুল্লাহকে জানানো হয়, তিনি ২১ ডিসেম্বর ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। খন্দকার আবদুল্লাহ তাঁর কর্মের জন্য এর মধ্যে পুলিশের আটটি মেডেল লাভ করেছেন।
জানা যায়, বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিবাসী হয়ে ১৯৯৩ সালে খন্দকার আব্দুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। সিলেটের বালাগঞ্জ থানার তালতলা গ্রামের প্রয়াত খন্দকার মদব্বির আলী ও মুহিবুন্নেসা চৌধুরীর ছেলে খন্দকার আবদুল্লাহ শিশুকালে যুক্তরাষ্ট্রে এলেও সাবলীল বাংলায় কথা বলেন। দুই সন্তানের জনক খন্দকার আব্দুল্লাহ স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে লংআইল্যান্ড এলাকায় বসবাস করেন। নিউইয়র্কে কুইন্সের এস্টোরিয়া আর উডসাইড এলাকায় তাঁর বেড়ে ওঠা।
উল্লেখ্য, এনওয়াইপিডির সদস্য সংখ্যা প্রায় ৩৬ হাজার। নিয়মিত বাহিনীতে প্রায় তিন শ বাংলাদেশি রয়েছেন। নিউইয়র্ক সিটির ট্রাফিকসহ পুলিশের অন্যান্য বিভাগ মিলে ১ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV