Saturday, 20 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

বৈশ্বিক সন্ত্রাস দমন সূচকে ৪ ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের, ১৬৩টি দেশের মধ্যে ২৫তম

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 127 বার

প্রকাশিত: January 12, 2019 | 5:02 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : বাংলাদেশ বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে চার ধাপ এগিয়েছে। এ সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থা পূর্বের থেকে খারাপ হলেও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিবেচনায় বিশ্বের ১৬৩টি দেশের মধ্যে ২০১৭ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২১-এ। ২০১৮ সালে সেটি চার ধাপ এগিয়ে হয়েছে ২৫তম। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ্যান্ড পিস-এর তৈরি করা এ সূচকে এ বছর বাংলাদেশের স্কোর হয়েছে ৫.৬৯৭। যা ২০১৭ সালে ছিল ৬.১৮১। দক্ষিণ এশিয়ার যে চারটি দেশে সন্ত্রাসবাদ কমেছে এবং সার্বিক নিরাপত্তার উন্নতি হয়েছে তার অন্যতম অবস্থান বাংলাদেশের। এ অঞ্চলের অপর তিন দেশ হচ্ছে- ভুটান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা।

সূচকে সব থেকে খারাপ অবস্থা ইরাকের। দেশটি ৯.৭৪৬ স্কোর নিয়ে সন্ত্রাসকবলিত দেশ হিসেবে প্রথম স্থানে রয়েছে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। আর তৃতীয় নাইজেরিয়া। চতুর্থ ও পঞ্চম যথাক্রমে সিরিয়া ও পাকিস্তান। 

সন্ত্রাসে সেরা ওই পাঁচ রাষ্ট্রের কারও অবস্থানেই কোনো পরিবর্তন হয়নি এক বছরেও। অর্থাৎ দেশগুলো সন্ত্রাস দমনে কোনো উদ্যোগই নেয়নি বা নিলেও তাতে সন্ত্রাসবাদ হ্রাসে কোনো ফল আসেনি। সন্ত্রাসে সেরা ১০ দেশের যে গ্লোবাল ইনডেক্স তৈরি করেছে ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবারও তাতে নাম রয়েছে ভারতের। দেশটির অবস্থান গত বছরের তুলনায় এক ধাপ নিচে নেমে এবার সপ্তম স্থানে রয়েছে ভারত। আফগানিস্তান (দ্বিতীয়), পাকিস্তান (পঞ্চম) এবং ভারত (সপ্তম)- এই তিনটি রাষ্ট্রের কারণেই সূচকে সার্বিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থান গত বছর থেকে অবনতি হয়েছে। আইইপি’র হিসেবে ২০০২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ফিলিপাইন ও মিয়ানমারে সন্ত্রাসের কারণে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে। এ সূচকে এবার মিয়ানমারের অবস্থান ১৩ ধাপ নিচে নেমেছে, দেশটির অবস্থান এখন ২৪তম। মিয়ানমারের স্কোর ৫.৯১৬। সূচকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থারও অবনতি হয়েছে। ১২ ধাপ পিছিয়ে (খারাপের দিক থেকে) দেশটি রয়েছে ২০তম স্থানে।

প্রতিবছর আইইপি এই গ্লোবাল টেরর ইনডেক্স বা জিটিআই সূচক প্রকাশ করে থাকে। এ বছর সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, চরমপন্থি সংগঠনগুলোর কারণে নতুন করে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। সাইবার জগতে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো এই সাইবার সন্ত্রাসের টার্গেটে পরিণত হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে সেখানে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির কথা তুলে ধরা হয়েছে। রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে সন্ত্রাসবাদ কমবেশি সব দেশেই হয়। জরিপের আওতাধীন ১৬৩টি রাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় অর্ধেক রাষ্ট্রের স্কোর ১০ এর মধ্যে ২ এর নিচে। অর্থাৎ ওই রাষ্ট্রগুলোতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তুলনামূলক কম হয়, অথবা রাষ্ট্রগুলোর সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে এমন সব কার্যকর মেকানিজম রয়েছে যাতে তারা সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেকাংশেই সফল। 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV