Tuesday, 27 October 2026 |
শিরোনাম
Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশী বা এশিয়ানদের কি কোন চাওয়া পাওয়াই নেই কেবল নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সাথে ছবি তোলা ছাড়া?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 200 বার

প্রকাশিত: January 31, 2019 | 2:37 PM

মেরী যোবায়দা : কদিন ধরেই ভাবছিলাম একটা বিষেয়ে লিখব। কেমন করে যেন হয়নি। আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই একের পর এক বিল পাশ হচ্ছে এবং টাইম লাইন জুড়ে নির্বচিত জনপ্রতিনিধিদের সাফল্য গাথা। আমাদের বাংলাদেশী বা এশিয়ানদের যারা নির্বাচনের সময় খুব মুখর ছিলেন তাদের এখন দেখা যায় কেবলই ভিক্টরী সেলিব্রেশনে। অনেকগুলো বিল এ পর্যন্ত পাশ হয়েছে যা আমরা ইনক্লুসিভ সমাজের তাগিদে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। কিন্তু বাংলাদেশী বা এশিয়ানদের কি কোন চাওয়া পাওয়াই নেই কেবল নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সাথে ছবি তোলা ছাড়া? যদি সকল বাংলাদেশীরা সয়ংসম্পূর্ন হয়ে যায়, সেটা অবশ্যই গর্বের বিষয়। যদি না হয়ে থাকে তাদের কি এমন কিছুই নাই এই স্টেটের কাছে চাওয়ার? কোন কিছুই?

জেনে নেন যে বছরের বেশিরভাগ পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত হয়ে যায় প্রথম দুই মাস, জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারীতে। বাকী সময় সেগুলো নিয়েই পার করা হয়।

নির্বচিত প্রতিনিধিরা অনেক ওয়াদা করে অফিসে আসে। মানুষের যেমন ডিম্যান্ড থাকে তাদেরও নির্বাচনী ওয়াদা পুরনের তাগিদ থাকে। কার জন্য কি করতে পারছে এটার একটা তালিকা তাদের জন্যও কল্যানকর। কেউ যদি কিছু না চায়, গায়ে পরে কেমনে করবে তারা?

আমাদের মানুষদের মধ্যে বিভেদ সুক্ষ। অন্যদের মধ্যেও বিভেদ আছে। তবে একটা বিশেষ জায়গায় তারা সবাই এক। আর আমাদের উল্টা। উপরে আমরা সবাই এক। ভীতরে আমরা কেউ কারো নেই। পা ধরে টেনে নামানো বংঙ্গালী। অন্যরা দশটা গ্রুপ করে উপরে বিভাজন দেখিয়ে দশটা এজেন্ডা আদায় করতে। আর আমাদের মানুষেরা দশটা দল করে মেইক শিউর করতে যেন একজনের এজেন্ডাও পাশ না হয়।

আপনারা যারা জনকল্যানমূলক সংগঠনের সাথে জড়িত, দয়া করে একবার চোখ খুলে দেখুন আপনাদের মানুষদের কি নেই অথবা কোন জিনিসটায় সরকারী ভাবে পরিবর্তন হলে মানুষের উপকার হবে। বিশ্বাস করেন জনপ্রতিনিধিরা আপনাদের দাবী দাওয়া শোনার জন্য, আপনাদের সাহায্য করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। যখন আপনারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াত করেন তারা উন্মুখ হয়ে আসে, ভাবে হয়তো একটা কিছু করার সুযোগ পাবে। যখন দেখে যে পরিবার সংসার ফেলে রাত দুপুর পর্যন্ত আপনাদের মাঝে বসে ছিল কেবল লোক দেখাতে যে আপনাদের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক কত জোড়ালো তখন মনক্ষুন্ন ও বিরক্ত হয়ে ফিরে যায় যা আপনারা দেখেন না।

তাদের কাজ দেন। তারা কাজ চায়। কাজ করার ওয়াদা করেই অফিসে এসেছে। কোন কিছু করার ইতিহাস ছাড়া বার বার আপনাদের মাঝে ফিরতে তাদেরও লজ্জা লাগে, তারাও মানুষ। আর আপনারা কিছু না চাইলে জোড় করেও আপনাদের দিতে পারবে না। ফেইসবুক থেকে নেয়া

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ