সংবিধান সংশোধনে মতামত-পরামর্শের জন্য হাসিনা, খালেদা ও এরশাদকে বিশেষ কমিটির চিঠি
কাজী সোহাগ: সংবিধান সংশোধন সংলাপে অংশ নিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপি’র চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে চিঠি দিয়েছে সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি। গতকাল রাতে এ তিন শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে তাদের রাজনৈতিক দলীয় কার্যালয়ের ঠিকানায় চিঠি পাঠানো হয়। এদিকে খালেদা জিয়াকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, আপনি ইচ্ছা করলে ৫ জন সদস্যকে সঙ্গে আনতে পারবেন। এছাড়া, অন্যান্য রাজনৈতিক দল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সাবেক প্রধান বিচারপতিদেরও চিঠি দেয়া হয়। সব আমন্ত্রণপত্রেই স্বাক্ষর করেন সংসদ উপনেতা ও বিশেষ কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। জাতীয় সংসদের বিশেষ দূত মারফত চিঠিগুলো পৌঁছে দেয়া হয়। সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪, ২৫ ও ২৬ শে এপ্রিল। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় প্রথম আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডির কার্যালয়ে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছানো হয়। এরপর রাত আটটায় বিএনপি’র চেয়ারপারসন ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার গুলশানের কার্যালয়ে, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বনানীর কার্যালয়ে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সংবিধান সংশোধন নিয়ে গঠিত কমিটি পঞ্চম সংশোধনী সংক্রান্ত সর্বোচ্চ আদালতের প্রদত্ত রায় এবং দেশের গুরুত্ব বিবেচনায় কিছু ধারা সংবিধানে সংযোজন ও বিয়োজনের জন্য কাজ করছে। এ বিষয়টি সর্বদলীয় মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে করার জন্য আপনাদের (রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ) সুপারিশ ও প্রস্তাবনা গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে আগামী ২৫শে এপ্রিল সকাল ১১টায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ কমিটির। বিকাল ৪টায় এরশাদসহ অন্যান্য সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলের সঙ্গে মতবিনিময় হবে কমিটির। আগামী ২৬শে এপ্রিল সকাল ১১টায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক হবে বিশেষ কমিটির। তবে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ কয়েকজন ব্যক্তি কারাগারে আটক এবং আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন থাকায় তাদের বাদ দেয়া হয়েছে। এদিকে আজ সকাল ১০টার মধ্যে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সাবেক প্রধান বিচারপতিদেরও চিঠি পৌঁছে দেবে বিশেষ কমিটির পক্ষ থেকে বিশেষ দূতরা। এর আগে গত ১১, ১২ ও ১৩ই এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বাসভবনে (গণভবন) বিশেষ কমিটি মতবিনিময় করেন। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে কমিটি তাদের কাজের অগ্রগতি অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী কমিটির বেশির ভাগ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেন এবং তাদের কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি কমিটিকে কিছু বিষয়ে মতামত দেন এবং সেগুলো সংবিধানে অনুচ্ছেদ আকারে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিতর্ক এড়াতে বিরোধীদলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে শেখ হাসিনা মতবিনিময় করার পরামর্শ দেন বিশেষ কমিটিকে। এ কারণে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, বিজেপি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি নেতাদেরও আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেয়া হয়। নবম জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় বাজেট অধিবেশনে ২১শে জুলাই সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী। তার প্রস্তাব সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দল বিএনপি’র একজন সদস্যের নাম প্রস্তাব করা হলেও দলটি তা নাকচ করে দেয়।মানবজমিন
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের