Tuesday, 27 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদের সমাবেশ; মামলার কারণে আর্থিক ক্ষতি ও ভোটাধিকার ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ নিউইয়র্কে আ্যসালের ১৯তম বার্ষিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত; শ্রমিক অধিকার, নাগরিক ক্ষমতায়ন ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের অঙ্গীকার নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
সব ক্যাটাগরি

কেমন হলো এবারের ঢাকার বইমেলা?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 67 বার

প্রকাশিত: March 3, 2019 | 11:57 AM

রাখাল রাহা : ১. মেলার ডিজাইন ও স্টল বিন্যাস নকশা তুলনামূলকভাবে আগের চেয়ে ভালো এবং মেলা যথেস্ট খোলামেলা মনে হয়েছে। ২. টয়লেট মোটামুটি পরিচ্ছন্ন ছিলো। খাবার দোকানগুলোর মান বেড়েছে। ৩. তোরণ নির্মাণসহ শিশু কর্ণারকে সুন্দর করার চেস্টা চোখে পড়েছে। ৪. স্বাধীনতা স্তম্ভের জলাধারের দৃশ্যকে মেলার সাথে সংযুক্ত রাখায় ক্রেতা-দর্শকরা এর পাড়ে বসে সুন্দর সময় কাটাতে পেরেছে। আরো অনেক ছোট ছোট ইতিবাচক বিষয় চোখে পড়েছে।
যে সীমাবদ্ধতা কাটানো যায়নি : ১. বইমেলায় আগত মানুষের অন্তত অর্ধেক সংখ্যক সারাবছর আর কখনো বইয়ের সংস্পর্শে আসেন না। বইয়ের খুচরো বিক্রি বইমেলার পর অধিকাংশ প্রকাশনীর অধিকাংশ বইয়ের ক্ষেত্রে খুব বেশি হয় না। প্রায় ৯০ শতাংশ প্রকাশক সারা বছরের মোট বিনিয়োগের প্রায় ৯০ শতাংশ বিনিয়োগ বইমেলার সময় করেন। এ দেশের প্রকাশনা খাত, প্রকাশক ও ক্রেতা-পাঠকের এই বৈশিস্ট্য বুঝে মেলার নকশা প্রণয়ন এবারেও করা যায়নি। ২. এবারের নকশা ও স্টল বিন্যাস কেমন হয়েছে তা জানতে হলে মেলা প্রাঙ্গণের উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব কোণ এবং প্রধান প্রবেশ পথের ডান পাশের স্টলগুলোকে জিজ্ঞেস করতে হবে। কিছু প্রকাশকের সাথে কথা বলে মনে হয়েছে অন্তত পাঁচভাগের একভাগ স্টল বা প্যাভিলিয়ন শুধুমাত্র অবস্থানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর স্টল খুঁজে পাওয়ার সমস্যা এবারেও প্রকট ছিলো। ৩. শিশু প্রাঙ্গণের অধিকাংশ প্রকাশনীর বই একেবারেই মানসম্মত নয়, কাট-পেস্ট করা বিশ্রী রকমের রং ও ছবিতে ছাপানো। প্রাঙ্গণের মোট জায়গাও কম। আর আগের মতোই এর প্রবেশমুখে সিসিমপুর থাকায় ভিড়ের সময় এখানে প্রবেশ করা যায় না। ৪. পুরো মেলা প্রাঙ্গণে এবারও সম্পূণরূপে ইট বিছানো হয়নি। ফলে ধুলা বা বৃষ্টি হলে যাতায়াতের সমস্যা থেকেই গেছে। ৫. মেলার হোস্ট বাংলা একাডেমি প্রতিবারের মতো এবারও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্টল নিয়েছেন। শিশুদের তেমন বই না থাকলেও তারা প্রতিবারের মতো এবারও শিশু প্রাঙ্গণের মুখে হাঁটাচলার জায়গা কমিয়ে বড় স্টল দিয়েছেন।
মেলাকে পাঠক-ক্রেতা-লেখক-প্রকাশকের উপযোগী করতে হলে : ১. সবচেয়ে কম ক্ষতি করে কীভাবে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক প্রকাশক-ক্রেতা-লেখককে লাভবান করানো যায় এটা মাথায় রেখে মেলার নকশা ভাবনা ভাবতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে আমি ২০১২ সাল থেকে বলে আসছি। বাংলাদেশ লেখক ঐক্যের সদস্য হিসেবে আমরা ২০১৬ সাল থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করেও বলেছি। ২. শিশু প্রাঙ্গণে কাট-পেস্ট ও কপি করা প্রকাশকদের অংশগ্রহণ কমাতে হবে, যথেষ্ট ফাঁকা জায়গা রাখতে হবে, সিসিমপুরের মতো আয়োজন সরিয়ে একপাশে নিতে হবে। সৃজনশীল প্রকাশকদের মধ্যে যাদের মানসম্পন্ন অনেক শিশুতোষ বই আছে তাদের শিশু প্রাঙ্গণে স্টল দিতে হবে। ৩. অনেক নবীন সম্ভাবনাময় প্রকাশক উঠে আসছেন, অনেক প্রবীণ প্রখ্যাত প্রকাশক স্তিমিত হয়ে যাচ্ছেন। এটা বুঝে স্টল বরাদ্দ দিতে হবে।
পরিশেষে : প্রতিবার বইমেলায় অসংখ্য নতুন প্রকাশকের আগমন দেখে অনেকে বিস্মিত হন। আমি দেখি এ রকম একটা জ্ঞানপ্রতিরোধী রাষ্ট্রেও জ্ঞানভিত্তিক সমাজের আকাক্সক্ষা মানুষের কমছে না। বইমেলায় এতো এতো লেখক দেখে অনেকে হাসেন। আমি দেখি এই দুরাচারী রাষ্ট্রেও মানুষের সৃজন ও মননচর্চার প্রতি ভালোলাগা উবে যাচ্ছে না। বইমেলায় অসংখ্য মানুষকে শুধু শুধু ঘুরতে দেখে অনেকে হতাশ হন। আমি দেখি জ্ঞানবিমুখ জাতি গঠনের এতো এতো রাষ্ট্রীয় আয়োজন সত্ত্বেও জ্ঞানের আয়োজনে মানুষের কোনো না কোনোভাবে শরিক হয়ে থাকার প্রবণতা হ্রাস পাচ্ছে না। এটাই আশার। এই আশার বাতি আমাদের জ্বালিয়ে রাখতেই হবে। ফেসবুক থেকে

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ