Friday, 19 June 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন‍্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ওমেন অব কারেজ অ্যাওয়ার্ড জিতলেন রোহিঙ্গা বিষয়ক আইনজীবী রাজিয়া

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 72 বার

প্রকাশিত: March 6, 2019 | 8:32 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : রোহিঙ্গা বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি নাগরিক রাজিয়া সুলতানা জিতেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ওমেন অব কারেজ অ্যাওয়ার্ড। তার জন্মভূমি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ও সব শ্রেণির মানুষের জন্য কাজ করার কারণে এমন অভিজাত পুরস্কারে বাছাই করা হয়েছে তাকে। এ বছর এমন পুরস্কারের জন্য বিশ্বের ১০ জন নারীকে বাছাই করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রয়েছেন রাজিয়া সুলতানা, মিয়ানমারের নাও কনিয়া পাও, জিবুতির মোমিনা হুসেইন দারার, মিশরের মামা ম্যাগি, জর্ডানের কর্নেল খালিদা খালাফ হান্না আল তাল, আয়ারল্যান্ডের সিস্টার ওরলা ট্রেসি, মন্টেনিগ্রোর ওলিভেরা ল্যাকিচ, পেরুর ফ্লোর ডি মারিয়া ভেগা জাপাতা, শ্রীলঙ্কার মারিনি দি লিভেরা ও তানজানিয়ার আন্না আলোয়স হেঙ্গা।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি প্রেস রিলিজ প্রকাশ করেছে। তাতে রাজিয়া সুলতানা সম্পর্কে বলা হয়েছে, ১৯৭৩ সালে জাতিগত রোহিঙ্গা পিতামাতার ঔরসে মিয়ানমারের মংডুতে জন্মগ্রহণ করেন রাজিয়া সুলতানা। মিয়ানমারে নিজের সম্প্রদায় ও সব মানুষের জন্য মানবাধিকারের সেবায় তিনি নিজের ক্যারিয়ারকে উৎসর্গ করেছেন। তিনি বাংলাদেশি নাগরিক।
আইনজীবী, শিক্ষিকা ও মানবাধিকার বিষয়ক পরামর্শক হিসেবে তিনি জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন। তিনি সরাসরি রোহিঙ্গাদের জন্য, বিশেষ করে নারী ও বালিকাদের জন্য ২০১৪ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি রোহিঙ্গাদের জন্য দেয়া আইনি পরামর্শ নিয়ে চর্চা করছেন। গবেষণা ও শিক্ষা বিষয়ক কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছেন। বিশেষ করে মানসিক আঘাত, গণধর্ষণ, রোহিঙ্গা নারী ও বালিকাদের পাচার থেকে রক্ষা করা নিয়ে কাজ করছেন রাজিয়া। ২০১৬ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশে কয়েকশত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। প্রকাশ করেছেন দুটি রিপোর্ট। এর নাম ‘উইটনেস টু হরর’ এবং ‘রেপ বাই কমান্ড’। এতে মিয়ানমারের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা কিভাবে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে যৌন সহিংসতা চালিয়েছে তা প্রামাণ্য আকারে তুলে ধরা হয়েছে। কালাদান প্রেসের জন্য সাম্প্রতিক ‘দ্য কিলিং ফিল্ডস অব আলেথানকাইওয়া’ রিপোর্ট সম্পাদনে তিনি অবদান রেখেছেন। একজন আইনজীবী ও শিক্ষাবিদ ছাড়াও রাজিয়া ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশনের (এফআরসি) একজন সমন্বয়কারী এবং আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের (এআরএনও) নারী শাখার পরিচালক। সব সময়ই তাকে চিহ্নিত করা হয় একজন রোহিঙ্গা, একজন মানবাধিকারকর্মী হিসেবে। কিন্তু রাজিয়া বিশ্বাস করেন শান্তি আনার জন্য মিয়ানমারের সবার অধিকার ও ন্যায্যবিচার নিশ্চিত করতে হবে। মানবজমিন  

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV