Thursday, 11 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
সব ক্যাটাগরি

সুখে থাকা, ভালো থাকার একমাত্র উপায় ভালোবাসা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 162 বার

প্রকাশিত: March 11, 2019 | 3:27 PM

পলি শাহীনা : এলার্মের শব্দের আগেই প্রতিদিন ঘুম ভাঙ্গে আমার । ঘুম ভাঙ্গার পর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া ,বিক্রিয়া ঠিক আছে কিনা সেদিকে খেয়াল না করেই পুরো দিনের কাজের হিসেবগুলো হাতের আঙ্গুলে কষতে থাকি । প্রতিটি সূর্যদয়ের সঙ্গে শুরু হয় একেকটি সংগ্রাম মুখর দিন । সম্ভবত জীবনের সবচেয়ে ব্যস্ততম সময় পার করছি এখন, তাও বেশ বুঝতে পারি । দিনের শুরুতে আধো আলো আধো অন্ধকারে অভ্যাসবশত প্রতিদিন আয়নায় মুখ দেখি আর ভাবি দুই হাতে এত কাজ শেষ করবো কিভাবে ? কখনো কখনো মনে হয় প্রবাসী নারীদের দুটো হাত নয় আটটা হাত রয়েছে। তাঁরা নারী নয় দেবী । বিধাতা বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন তাঁদেরকে । দিনশেষে প্রতিটি কাজ সমান গুরুত্বের সাথে সঠিক সময়ে সমাপ্ত করতে পারেন তাঁরা। কোন কাজ অবহেলায় আগামীকালের জন্য পড়ে থাকে না । প্রবাসী নারীদের হাতে অদৃশ্য কোন যাদুর কাঠির শক্তি রয়েছে ; যে কাঠির ছোঁয়ায় তাঁরা হয়ে উঠেন অনন্যা ।

সেদিন ছিল আকাশভাংগা বৃষ্টির দিন । তবুও ঘরের কোণে বসে থাকবার কিংবা অলস সময় কাটানোর কোন ফুরসৎ নেই । দুপুরের গায়ে হেলান দিয়ে মেঘের আড়ালে সূর্য যখন পূর্ণ বিশ্রামে তখন কর্মক্লান্ত দিন শেষে দৌড়াতে দৌড়াতে প্রয়োজনীয় কাজে আমি ট্রেনে উঠে বসি । ট্রেনে উঠে দেখি সে চিরাচরিত দৃশ্য , কেউ বই পড়ছেন, কেউ হেডফোনে গান শুনছেন , কেউবা সংবাদপত্র পড়ছেন, আবার কেউ মনোযোগের সহিত মুঠোফোনে ব্যস্ত আছেন।ট্রেনে উঠার পর সবসময় কিছু সময় নিয়ে আমি মানুষ দেখি। নিরবে মানুষ দেখা আমার শখ। প্রতিটি মানুষ ব্যস্ত নিজেকে নিয়ে। এখানে কেউ কারো নয়, দুনিয়া আমিময় । এত কাছে থেকেও মানুষগুলো কতদূরে ; কেউ যেন কারো পাশে নেই। ট্রেন জার্ণি আগে আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হলেও এখন ট্রেন জার্ণি আমার কাছে সুখকর একটি বিষয় । ট্রেন জার্ণির সময়টুকুতে আমার আমিকে ভীষন যত্নে সময় দেই। জীবনে কবে কখন নিজের জন্য একান্ত কিছু সময় পেয়েছি বা নিজেকে একান্ত সময় দিতে পেরেছি ; চেষ্টা করেও তা আজ আর মনে করতে পারছিনা । ট্রেনে বসে থাকা সময়টুকুতে আমি আমার ভেতরে ডুব দেই সন্তোর্পনে । তখন আমার চারপাশে কেউ থাকে না যাঁদের ফরমায়েশ , আব্দার পালন করতে হয় প্রতিটি মুহূর্তে । যদিও কেউ কেউ বলেছেন ট্রেনে বসে বই পড়তে বা গান শুনতে। আমি সেসবের ধারে পাশেও যাই না। ট্র্বনে আমার আমিকে নিয়ে সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকি।

ট্রেন শা শাঁ করে গন্তব্যের দিকে ছুটে চলছে । জানালার পাশে বসে বাহিরের অসীম আকাশ দেখছি । গাছগুলো পত্রশূন্য । প্রকৃতিতে সবুজের এমন শূন্যতা ভালো লাগেনা একদম । বিশাল আকাশ, হাইওয়ের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রার্থনারত আবরণবিহীন গাছপালা মিলেমিশে বুকের গহীনে একাটা হাহাকার তৈরি করেছে । আমি বিবর্ণ নিস্তব্দতায় ডুবে যাই চোখ বন্ধ করে । কত স্মৃতি ভেসে উঠছে একের পর এক মনের ঘরের ক্যানভাসে । যেখানে আমি ছাড়া দুনিয়ার অন্য কারো প্রবেশাধিকার নেই । আমার একান্ত নির্জন সময়ে সে মনের ঘরে প্রবেশ করি আমি। খন্ড খন্ড স্মৃতিগুলোকে নেড়েচেড়ে দেখি । বুকের সঙ্গে শক্ত করে জড়িয়ে ধরি । স্মৃতিগুলো চোখের জলে ভেজে , বুকের তপ্তশ্বাসে শুকায়। ভাবছি, আমি আজ কত বড় হয়ে গেছি ? একা একা পথ চলি, ট্রেনে উঠি । অথচ এইতো সেদিনের কথা , বাসে, ট্রেনে সারাক্ষণ বাবা আমার হাতদুটো শক্ত করে ধরে রাখতেন। আমার চারপাশে বাবার দু’হাত দিয়ে বিশাল একটা বৃত্ত এঁকে রাখতেন । যেন আমার গায়ে পৃথিবীর কোন আঘাত লাগতে না পারে। দুনিয়ার যত ঝড় ঝাপ্টা সব বাবার উপর দিয়ে যেত, আমি নিরাপদে থাকতাম । ট্রেনের ছাদে টুপটাপ বৃষ্টির নৃত্যে মনে পড়ে যায় মায়ের কথা । এমন বৃষ্টির দিনে আম্মা শুকনো চাল ভাজার সাথে শুকনো শিমের বিচি ভেজে খেতে দিতেন। দাদার সাথে বসে আমরা সব ভাইবোনেরা মিলে খেতাম । বৃষ্টির গতি বাড়ার সাথে সাথে আমার নাকে এসে তীব্রভাবে লাগছে মায়ের হাতের ভুনা খিচুড়ির গন্ধ। যে গন্ধে আমি দিশেহারা। দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরের শহর নিউইয়র্কের ট্রেনে বসে এই বৃষ্টিভেজা দিনে খুব বাবা, মায়ের মুখখানা মনে পড়ছে । তাঁরা গত হয়েছেন অনেক বছর আগে , আজো তাঁদের ভালোবাসাময় সৃতিগুলো একরাশ ঝর্ণার স্রোত হয়ে আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায় সুখসাগরে ।

দুচোখ বন্ধ করে জীবনের এমন সুখ স্মৃতিগুলো রোমন্থন করা অবস্থায় হঠাৎ কানে বিকট শব্দ ভেসে এলো । চোখ মেলে দেখি এক কৃষ্ণাঙ্গ বাবা, মায়ের সাথে তাঁদের দুই সন্তান ট্রেনে প্রবেশ করেছে । বাবা , মা অনর্গল কথা কাটাকাটি, চিৎকার চেঁচামেচি করছে। দুজনে একসঙ্গে কথা বলছেন বিধায় কেউ কারো কথা শুনছেন বলে মনে হলো না । ৯/১০ বছরের ছেলেটা অসহায়ের মত বাবা, মা দুজনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে একবার বাবার মুখের দিকে আরেকবার মায়ের মুখের দিকে নিশ্চুপ তাকিয়ে আছে। বাবা, মায়ের মনোযোগ না পেয়ে ছোট বাচ্চাটা কিছু সময় একঘেঁয়ে কান্না করে থেমে যায়। বাবা স্ট্রলার ছুঁড়ে মারে মায়ের দিকে , সেটি গিয়ে লাগে বড় ছেলেটার পায়ে। ছেলেটা স্ট্রলারের ধাক্কায় ট্রেনের মেঝেতে পড়ে যায়। বাবা, মা কেউ তাকে হাত ধরে উঠালো না, সে নিজে উঠে দাঁড়ায় । দৃশ্যটি খুব করুণ ছিল। তাঁদের কথপোকথনে বুঝলাম বড় ছেলেকে সঠিক সময়ে স্কুল থেকে পিক আপ করা হয়নি বলে দুজন দুজনকে দোষারোপ করছেন। পরের স্টেশনে বাবা নেমে যায়। মা এবার ট্রেনে শান্ত হয়ে দু’সন্তানকে নিয়ে বসেছেন । ছোট বাচ্চাটা আবার কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। সম্ভবত সে ক্ষুধার্ত । মায়ের ধমকেও সে থামছেনা । কথায় আছে, সভ্যতার চেয়ে ক্ষুধার বয়স বেশী । ট্রেন ভর্তি মানুষ তার চিৎকারে মুখের দিকে চেয়ে থাকলেও তার কান্না থামছেনা । রবোটিক এই শহরে আদর, স্নেহ , ভালোবাসা ছাড়া মা যতই বাচ্চাটার হাতে গেইম ডিভাইস তুলে দিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করছে , ততই বাচ্চাটার কান্নার গতিবেগ বেড়ে যাচ্ছে। বেপোরয়া বাচ্চাটাকে মা আর কোলে ধরে রাখতে পারলো না । সে ট্রেনের মেঝেতে গড়াগরি শুরু করেছে । লক্ষ্য করে দেখলাম ছোট এই বাচ্চাটার জন্য মায়ের ব্যাগে কোন খাবার নেই । যদিও এমন ছোট বাচ্চা নিয়ে যে কোন জায়গায় ভ্রমণের আগে ব্যাগে জুস, পানি, বিস্কুট ইত্যাদি খাবারগুলো রাখা উচিৎ ছিল মায়ের । বাচ্চাটার কান্নায় সেদিনের ট্রেন জার্ণিতে আমি আর আমার সাথে একান্ত নিভৃতে সময় কাটাতে পারলাম না ।

টাইম স্কয়ারে এসে ট্রেন বদল করে যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচি আমি । ৭ নম্বর ট্রেনে আমার ভ্রমণটুকু খুব সংক্ষিপ্ত হয় বলে চোখ, কান খোলা রেখে সজাগ থাকি যেন ঘুমিয়ে না পড়ি। এমন পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে, ঘুমিয়ে পড়ায় নির্দিষ্ট গন্তব্য ফেলে ভুল গন্তব্যে চলে গেছি। ৭ নম্বর ট্রেনে উঠে যে সিটে আমি বসেছি ঠিক তার সামনের সিটে বসেছেন এক মা সাথে ৯/ ১০ বছর বয়সের তাঁর শিশুকন্যা । আমার খোলা চোখ জোড়া চলে যায় সামনের সিটে বসা মা, মেয়ের দিকে । ১৫/২০ মিনিটের ট্রেন জার্ণিতে দেখা মা, মেয়ের ভালোবাসার সে দৃশ্যটুকু আমার জীবনে দেখা সুন্দর ভালোবাসাময় দৃশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম । ক্লান্ত মা দু’হাত দিয়ে মেয়েকে বুকের সাথে জড়িয়ে রেখেছেন। মেয়েটার কাঁধে স্কুল ব্যাগ । মেয়ে মায়ের বুকে মাথা গুঁজে মুখ লুকিয়ে আছে। কিছু সময় পর পর হাসিমুখে মায়ের দিকে মুখ তুলে তাকায় ; উত্তরে মা ও হাসেন । মা ব্যাগ থেকে পানির বোতল বের করে মেয়েকে খেতে দেয়। একই প্রক্রিয়ায় মা , মেয়ে অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। তাঁদের নীরব চাহনির একটা ভাষা আছে , যা আমি বুঝিনি । কিন্তু তাঁরা মা , মেয়ে নীরব চোখে যে কিছু একটা বলে যাচ্ছে তা আমার কাছে স্পষ্ট । তাঁদের নীরব চোখের কথোপকথনে যেন গোলাপ ফুটছে । দৃশ্যটি এত সুন্দর ছিল যা আমার কলমের খোঁচায় ভাষায় রূপদান সম্ভব নয় । জগতে ভালোবাসার এমন কিছু দৃশ্য থাকে যা শুধু অনুভব করা যায়, ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। এখানেই বোধ করি ভাষার সীমাবদ্ধতা ।

মা, মেয়ের এমন নীরব ভাব বিনিময় দেখে মনে পড়ে যায় আমার মায়ের কথা। আম্মা আমার কাছে নিউইয়র্কে বেড়াতে এলে সাধারণত ২/৩ মাসের বেশী কখনো থাকতেন না। এই শহরকে উনি ভালোবাসতে পারেন নি হয়ত। এখানে এলেই উনি অসুস্থ হয়ে পড়তেন। উনার অসুখ ছিল অনেকটা মনের অসুখ, অস্থির। হাঁসফাঁস করতেন দেশে ফিরে যাবার জন্য। শহরের যত দর্শনীয় স্থানেই উনাকে নিয়ে যেতাম মন ভালো করার জন্য, উনি কোনটাই পছন্দ করতেন না । বলতেন উনার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে । সত্যি সত্যি বাংলাদেশে গেলে আম্মা সুস্থ হয়ে যেতেন । আম্মা আমার কাছে থাকাকালীন সময়গুলো দূরন্ত ঘোড়ার মত লাফিয়ে লাফিয়ে দ্রুত চলে যেত । আম্মা দেশে যাবার সময় ঘনিয়ে এলেই আমি শব্দহারা, দূর্বল হয়ে পড়তাম । এয়ারপোর্টে আম্মাকে বিদায় দেবার আগ মুহূর্তে আমিও ট্রেনের ঐ মেয়েটার মতন চোখে চোখে নীরব ভাষায় আম্মার সাথে কথা বলতাম । আম্মাকে বিদায় দেবার সময় তাঁর চলে যাওয়ার পথের দিকে বোবা দৃষ্টিতে চেয়ে থাকতাম । আম্মা, আমি কেউ কোন কথা বলতাম না। কিন্তু দু’জনেই দু’জনের মুখের ভাষা বুঝতাম । এয়ারপোর্টে টেনে দেওয়া সীমানার এপাড়ে আমি পাথরের মত ঠায় দাঁড়িয়ে আর ওপাড়ে আম্মা প্লেনের উদ্দেশ্যে হাঁটতে হাঁটতে শূন্যে মিলিয়ে যাবার আগ পর্যন্ত বার বার পিছনে ফিরে তাকিয়ে আমাদের মা, মেয়ের নীরব ভাব বিনিময় চলতে থাকতো।

চোখ, কান খোলা রেখেও ট্রেনে মা, মেয়ের এমন অপার্থিব সুন্দর ভালোবাসার দৃশ্য দেখতে দেখতে সেদিনও আমি নিজের গন্তব্য ফেলে ভুল গন্তব্যে চলে যাই। ভালোবাসার শক্তি অপরসীম। ভালোবাসা মানুষকে বেঁঁধে রাখে।

ট্রেন থেকে যখন নেমেছি ততক্ষণে দিনের আলোকিত পৃথিবী রাতের কোলে ঢলে পড়েছে। পিছঢালা ছাই রঙ্গা পথ ধরে আমি সামনের দিকে হেঁটে চলছি আর ভাবছি ২ নম্বর ট্রেন আর ৭ নম্বর ট্রেনের সমবয়সী বাচ্চা দুটোর কথা । একই বয়সী বাচ্চা দুটোর বেড়ে উঠার অভিজ্ঞতা একেবারেই ভিন্ন। একজন বেড়ে উঠছে চরম অবহেলায়, আরেকজন প্রবল ভালোবাসায় । দুজন বাচ্চা এখন জীবনের এমন একটা সময় পার করছে; যে বয়সে বাবা, মা মাথার ভেতরে যে বোধ ঢুকিয়ে দেবেন, তাদের পরবর্তী জীবনে সে বোধের প্রতিফলন দেখা যাবে। বাচ্চাদের মনোজগতে পরিবারের প্রভাব পড়ে প্রবলভাবে।

ভালোবাসা ছোট্ট একটা শব্দ হলেও এর ব্যাপকতা বিশাল। বাবা, মায়েদের উচিৎ তাঁদের ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিটি শিশুমনে ভালোবাসার বীজ বপন করে দেওয়া। ভালোবাসা চর্চার বিষয়। শিশুরা দৈনন্দিন জীবনে পরিবার, আত্মীয়, বন্ধুদের ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসতে গিয়ে ভালোবাসা বিষয়টা এক সময় আপনা আপনি তাদের জীবনে অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে। শিশুদের মাথায় ঢুকিয়ে দিতে হবে বেঁচে থাকার মূল উদ্দেশ্য হলো সুখে থাকা, ভালো থাকা। আর এই সুখে থাকা, ভালো থাকার একমাত্র উপায় ভালোবাসা। আজকের শিশুটি আগামীদিনের ভবিষ্যৎ। শিশুদের ভালোবাসায় গোটা পৃথিবী হাসুক নির্মল আনন্দে। সবার জীবন হোক সুন্দর।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV