Thursday, 19 March 2026 |
শিরোনাম
নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ও অ্যাসেম্বলি হাউসে আন্তর্জাতিক আবহে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন : বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসের রেজুলেশন গ্রহণ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 107 বার

প্রকাশিত: March 28, 2019 | 12:58 PM


https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/636311413469857/

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ও অ্যাসেম্বলি হাউসে আন্তর্জাতিক আবহে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপিত হয়েছে। স্থানীয় সময় ২৭ মার্চ বুধবার অস্টমবারের মতো নিউইয়র্ক স্টেটের রাজধানী আলবেনীতে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল “বাংলাদেশ ডে” হিসেবে। আলবেনীর ক্যাপিটাল হিলে এদিন আবারো উড়লো বাংলাদেশের পতাকা। নিউইয়র্ক অ্যাসেম্বলি ও স্টেট সিনেটে বাংলাদেশের ৪৮ তম স্বাধীনতা দিবসের ওপর পৃথকভাবে রেজুলেশন গ্রহণ করা হয়। স্টেট সিনেটর লুইস সিপুলভিদা ও অ্যাসেম্বলিওম্যান ক্যারীনেস রেইস সিনেট ও স্টেট অ্যাসেম্বলি হাউজে এ সংক্রান্ত বিল উত্থাপন করেন। স্টেট সিনেট ও এসেম্বলী অধিবেশনে গৃহীত পৃথক রেজুলেশনে তুলে ধরা হয় বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। রেজুলেশনে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট, দেশ স্বাধীনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসামান্য অবদান, পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতম গণহত্যার কথা উল্লেখ করা হয়। এসময়

উভয় কক্ষের জনপ্রতিনিধিরা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযথ সম্মান নিবেদন করেন। স্টেট সিনেটর ও এসেম্বেলীম্যানগণ এসময় তাদের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশী কমিউনিটির অবদানেরও উচ্ছ্বসিত প্রসংশা করেন।
সিনেট এবং অ্যাসেম্বলি গ্যালারি এদিন বাংলাদেশীদের জন্য সংরক্ষিত ছিল। উভয় হাউজে শোভা পাচ্ছিল বাংলাদেশের পতাকা। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন শতাধীক বাংলাদেশী। এর মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশী-আমেরিকান রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, মুক্তিযোদ্ধা, সমাজকর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী।


অ্যাসেম্বলি হাউজের অধিবেশনে প্রথমে ‘বাংলাদেশ ডে’র প্রস্তাবনাটি রেজুলেশন আকারে গৃহীত হয়। এদিন স্থানীয় সময় দুপুর প্রায় দেড় টায় পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে অ্যাসেম্বলি অধিবেশন শুরু হয়। পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ইসলামিক চিন্তাবিদ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মুফতি সৈয়দ আনসারুল করিম আল আজহারী। এর পর অ্যাসেম্বলি হাউজে অ্যাসেম্বলিওম্যান ক্যারীনেস রেইস উত্থাপিত বাংলাদেশ ডে বিলটি পাঠ করে শুনানো হয়। এতে বলা হয়, তৎকালীন পাকিস্তান সামরিক সরকার বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে গণহত্যা চালিয়েছিল। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন ৩০ লাখ মানুষ। সম্ভ্রমহানি হয় দু’লাখ মা-বোনের। রেজুলেশনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করে তাঁকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়। বিলের সমর্থনে বেশ ক’জন অ্যাসেম্বলিম্যান সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।


বাংলাদেশ ডে রেজুলেশন গ্রহণকালে এ্যাসেম্বলী ফ্লোরে বাংলাদেশী কমিউনিটির কয়েকজন উপস্থিত থাকেন। অন্যান্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা হাউজ কক্ষের গ্যালারীতে উপবিষ্ট ছিলেন।
এদিন দুপুর প্রায় ৪টায় স্টেট সিনেটের অধিবেশনে ‘বাংলাদেশ ডে’র রেজুলেশন গ্রহণ অনুষ্ঠানের শুরুতেও পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মুফতি সৈয়দ আনসারুল করিম আল আজহারী। এরপর প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে ‘লুইস ভাই’ হিসেবে খ্যাত সিনেটর লুইস সিপুলভিদা উত্থাপিত বাংলাদেশ ডে বিলটি পাঠ করে শোনানোর পর ৬ জন সিনেটর এর সমর্থনে জোরালে বক্তব্য রাখেন। এখানেও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস স্থান পায়। পরে সিনেট হাইজে রেজুলেশনটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। বাংলাদেশ ডে বিল উপস্থাপনকালে সিনেট ফ্লোরেও বাংলাদেশী কমিউনিটির কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। সিনেট গ্যালারীতে উপবিষ্ট ছিলেন অন্যান্য বাংলাদেশীরা।


স্টেট সিনেট ও অ্যাসেম্বলি হাউসে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াতকালে মুফতি সৈয়দ আনসারুল করিম আল আজহারী তার তেলাওয়াতকৃত কুরআনের আয়াতের মর্মার্থ তুলে ধরেন। তিনি আন্ত:ধর্মীয় বিশ্লেষণ পূর্বক মহান আল্লাহর একত্ববাদের বিষয়টি সাবলিলভাবে তুলে ধরেন। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় এক আল্লাহর অনুশাসন মেনে চলা এবং বিশ্ব মানবতার প্রতি ভালোবাসার অনন্য নজীর স্থাপনকারী মহা নবী (সা:) এর আদর্শ অনুকরণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি পবিত্র কুরআন-হাদীসের কথা উদ্বৃত করে বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামে কোন সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের স্থান নেই। এসময় পিন-পতন নিরবতায় সিনেটর ও অ্যাসেম্বলিম্যান সহ হাউজে উপস্থিত সকলেই মুফতি সৈয়দ আনসারুল করিম আল আজহারীর বক্তব্য শ্রবণ করেন। বক্তব্য শেষে করতালির মাধ্যমে সকলে তাকে অভিনন্দিত করেন। কয়েকজন সিনেটর ও অ্যাসেম্বলিম্যানও তাদের বক্তব্যে তার আলোচনার প্রশংসা করেন।


স্টেট অ্যাসেম্বলি হাউজ ও সিনেট হাউজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্টেট সিনেটর লুইস সিপুলভেদা ও এসেম্বলীওম্যান ক্যারীনেস রেইস আলবেনী হলে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মানে এক অভ্যর্থনা পার্টির আয়োজন করেন। ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিটির কনভেনার মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে এবং কমিটির মেম্বার সেক্রেটারী নজরুল হকের পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানে স্টেট সিনেটর লুইস সিপুলভিদা, জন ল্যু, জামাল টি বেইলি, রক্সান প্রসাদ, অ্যাসেম্বলিওম্যান ক্যারীনেস রেইস, এ্যাসেম্বলী ম্যান মার্ক ক্রিসপো, ভিক্টর পিচাডো, ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আবদুস শহীদ, সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এন মজুমদার, সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশা, বর্তমান কো-কনভেনার ফরিদা ইয়াসমিন, কোষাধ্যক্ষ মঞ্জুর চৌধুরী জগলুল, সদস্য শাহেদ আহমদ, এ ইসলাম মামুন, কফিল চৌধুরী, সায়দুর রহমান লিংকন, মো. শামীম মিয়া, রফিকুল ইসলাম, নূর উদ্দিন, বুরহান উদ্দিন, শ্যামল কান্তি চন্দ, মো. আলাউদ্দিন এবং পল্লব সরকার। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট এডভোকেট নাসির উদ্দিন, জালাল চৌধুরী প্রমুখ।


স্টেট সিনেটর ও অ্যাসেম্বলিম্যানগণ ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশী কমিউনিটির ভূয়শী প্রশংসা করেন। তুলে ধরেন নানা ক্ষেত্রে তাদের অবদানের কথাও। অনুষ্ঠানে আগামীতে মার্কিন জনগণের সেবা ও তাদের জীবনমান উন্নয়নে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে বাংলাদেশী-আমেরিকানদের প্রস্তুতি গ্রহণের কথাও ওঠে আসে।
এসময় এ ঐতিহাসিক আয়োজনের জন্য বাংলাদেশীদের পক্ষ থেকে সিনেটর লুইস সেপুলভেদা ও অ্যাসেম্বলিওম্যান ক্যারীনেস রেইসকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। এ অনুষ্ঠানে বেশ ক’জন বাংলাদেশী-আমেরিকান, দু’জন কৃতি ছাত্র রাহাত মাহবুব ও হামি হাসান এবং বাংলাদেশ ডে আয়োজনে সহায়তাকারী ব্রঙ্কসের ১৪টি সংগঠনকে প্রক্লেমেশন ও সাইটেশন প্রদান করা হয়। সম্মাননা তুলে দেন সিনেটর লুইস সিপুলভিদা ও অ্যাসেম্বলিওম্যান ক্যারীনেস রেইস।
এরপর বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্ট-বাফা সহ অন্যান্য শিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। তাদের নাচ, গান, আর কবিতা আবৃত্তি দর্শকদের দারুণভাবে মুগ্ধ করে।


এর আগে এ দিন সকাল ৯টায় ‘বাংলাদেশ ডে’ উৎসবে যোগ দিতে ব্রঙ্কসের ইউনিয়ন পোর্ট রোডের ফ্যামিলি ফার্মেসির সামনে থেকে নিউইয়র্কের রাজধানী আলবেনীর উদ্দেশ্যে শতাধিক বাংলাদেশী নিয়ে দু’টি বাস ছেড়ে যায়। আয়োজক সহযোগি ১৪টি সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বাংলাদেশী আমেরিকানরা সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাপিটাল হিলে পৌঁছালে সিনেটর লুইস সিপুলভিদা ও তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান। নিরাপত্তা তল্লাশি শেষে প্রথমে অতিথিদের নিয়ে যাওয়া হয় অ্যাসেম্বলীর অধিবেশন কক্ষে। সেখানকার আনুষ্ঠানিকতা ও দুপুরের খাবারের বিরতির পর সিনেট অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশীরা। সেখানেও অ্যাসেম্বলী অধিবেশনের মতোই পবিত্র কুরআন থেকে তেলওয়াতের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হয়। উল্লেখ্য, মধ্যাহ্ন ভোজে নিউইয়র্কের বাঙালি মালিকানাধীন অন্যতম সেরা রেষ্টুরেন্ট খলিল বিরিয়ানী হাউজের ঐতিহ্যবাহী বিরিয়ানী দিয়ে সকলকে আপ্যায়িত করা হয়।
বাংলাদেশী-আমেরিকানদের গলায় জড়ানো লাল-সবুজের উত্তরীয় এবং স্বাধীনতার আমেজে পরিধেয় পোশাকে নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট, এ্যাসেম্বলী হাউস এবং লবি হলের খোলা চত্বর হয়ে ওঠে এক খন্ড বাংলাদেশ।

এদিকে, সকালে যাত্রা এবং বিকেলে ফেরার পথে বাসের মধ্যে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহের, ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম এবং সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠ’র সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা আবু কাউসার চিশতি, জুনেদ আহমেদ চৌধুরী, রন্ধন শিল্পী মোঃ খলিলুর রহমান, এডভোকেট আলাউদ্দিন, খালেদ আহমেদ, ফাতিহা বেগম, আনোয়ার হোসেন রনি, প্রফেসর আমিনুল হক চুন্নু, আলী আহমেদ, মাসুদ রানা প্রমুখ। বিকেল প্রায় ৬টায় বর্ণাঢ্য এ আয়োজন শেষে সকলে গন্তব্যে রওয়ানা হয়।


এদিকে, ফেরার পথে বাসের মধ্যে নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউস, এ্যাসেম্বলী হাউস এবং লবি হলের অভ্যর্থনা পার্টি সহ ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২০১৯ নিয়ে টকশো’র আদলে একটি বিশ্লেষণধর্মী ব্যতিক্রমী পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম এবং সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠ’র সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিমের উপস্থাপনায় এ আয়োজনে অংশ নেন সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহের এবং প্রবাস নিউজ.কম ও ভোরের কাগজের যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি শামীম আহমেদ।
আলোচকরা অনুষ্ঠানমালার নানা দিক বিশ্লেষন সহ কিছু পরামর্শও তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে ঐতিহাসিক বাংলাদেশ ডে বিলটি পাশ হয় ২০১২ সালের ২৪ মার্চ। ব্রঙ্কস থেকে নির্বাচিত সাবেক সিনেটর বর্তমান কাউন্সিলম্যান রুবিন ডিয়াজের ধন্যবাদ প্রস্তাব বিলের মাধ্যমে বিলটি পাশ হয়। তাকে রেজুলেশন তৈরি করে সহযোগীতা করেন প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে ‘লুইস ভাই’ হিসেবে পরিচিত এটর্নী লুইস সিপুলভেদা (বর্তমান সিনেটর)। তাদের সহযোগীতা করেন ব্রঙ্কস বাংলাদেশী কমিউনিটির নের্তৃবৃন্দ।
জানা যায়, রুবিন ডিয়াজ ও লুইস সিপুলভেদা বাংলাদেশী কমিউনিটির সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে ও একসাথে কাজ করার বিষয়ে প্রয়াত কমিউনিটি সংগঠক জাকির খানের কাছে আগ্রহ ব্যাক্ত করেন। বাংলাদেশ কমিউনিটিকে নিয়ে এমন একটি অনুষ্ঠান করতে চান যার ফান্ডিং তারা বহন করবেন। জাকির খান তাদের ইচ্ছার বাস্তবায়ন ঘটাতে কমিউনিটির অনেকের সাথে যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে লুইস সিপুলভেদা এবং জাকির খানের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের সভাপতি মোহাম্মদ এন মজুমদারের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের ৪১ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন বিষয়ে এক সভার আয়োজন করা হয় ব্রঙ্কসের একটি রেষ্টুরেন্টে। ওই সভায় বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের ততকালীন সভাপতি মাহবুব আলমের প্রস্তাবনায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে ২০১২ সালের ২৪ মার্চ নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে ততকালীন সিনেটর রুবিন ডিয়াজ বাংলাদেশ ডে বিলটি উত্থাপন করেন। বিলের আলোকে সিনেটর রুবিন ডিয়াজ সিনেটে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি ১৯৭১ সালের মার্চে অপারেশন সার্চ লাইটের নামে গণহত্যা, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে বাংলাদেশীদের আত্মত্যাগ এবং পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে বাংলাদেশী মা-বোনদের সম্ভ্রমহানির কথা সবিস্তারে তুলে ধরেন। সেদিন মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই এই ঐতিহাসিক বিলটি সর্বসম্মতভাবে সিনেটে পাশ হয়। সেথেকে প্রতি বছর দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ ডে রেজ্যুলেশন প্রস্তুতকারী এটর্নী লুইস সিপুলভেদা (বর্তমান সিনেটর) এসেম্বলিম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর আলবেনীতে বাংলাদেশ ডে উদযাপনে আরো ব্যাপকতা পায়। ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপনের প্রথম আহ্বায়ক কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন মোহাম্মদ এন মজুমদার এবং মেম্বার সেক্রেটারী ছিলেন মরহুম জাকির খান।

https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/409194516512430/
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/587052645094277/
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/419433422203007/
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/836714786664021/
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/437841556957216/
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/860104767714745/
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV