নিউইয়র্কের কর্মস্থলে হিজাব-টুপি-টারবান বিল পাশ, প্রবাসীদের ধন্যবাদ র্যালি
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : ‘ঐক্যবদ্ধ শক্তি কখনো পরাজিত হয় না। তারই প্রকাশ ঘটলো নিউইয়র্ক স্টেট পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে এই রাজ্যের কর্মস্থলে মুসলিম, শিখ এবং অন্য ধর্মীয় পোশাকের অবাধ ব্যবহারের বিল পাশের মধ্য দিয়ে। টানা ৮ বছরের দেন-দরবারের সুফল এলো গত ৯ এপ্রিল। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি তাহলে নিজেদের অধিকার থেকে কেউই বঞ্চিত করতে পারবে না’-এমন অভিমত পোষণ করেন বাংলাদেশি আমেরিকান এডভোকেসি গ্রুপ তথা বাগের জেনারেল সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন।
মুসলিম সম্প্রদায়ের অধিকারের প্রশ্নে ঐতিহাসিক এই বিল পাশের জন্যে স্টেট সিনেট ও স্টেট এ্যাসেম্বলির প্রতি আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ জানতে ১২ এপ্রিল শুক্রবার অপরাহ্নে নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজায় এক ‘কৃতজ্ঞতা সমাবেশ’-এ স্টেট সিনেটর জন ল্যু এবং স্টেট এ্যাসেম্বলীম্যান ব্রায়ান বার্নওয়েলও ছিলেন।তারা উভয়ে বলেন, নিউইয়র্ক হচ্ছে অভিবাসী সমাজের গড়া রাজ্য এবং তাই এই রাজ্যে সকল মানুষের সমান অধিকার সমুন্নত রাখতে আমরা বদ্ধ পরিকর। ধর্ম, বর্ণ এবং জাতিগত কারণে একজন নাগরিকও যাতে হয়রানি, হেনস্তা অথবা বৈষম্যের শিকার না হন, সে ব্যাপারেও আমরা সোচ্চার রয়েছি।
আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও বাগের বিভিন্ন স্থরের কর্মকর্তা ছাড়াও উপরোক্ত বিলের পক্ষে দেন-দরবারকারি কয়েকটি সংগঠনের লোকজনও ছিলেন। নতুন প্রজন্মের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
কলেজ ছাত্রী দিনা উদ্দিন, সমাজকর্মী দিলরুবা চৌধুরী, বাগের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গির কবির, চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কামাল ভুঁইয়া, ইয়ং ডেমক্র্যাটিক ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ জয় চৌধুরী, মুসলিম উম্মাহ ও মীর মাসুম আলী, শাহানা মাসুম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সকলেই সংকল্প ব্যক্ত করেন, কমিউনিটিভিত্তিক দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে গড়ে উঠা এই ঐক্য অব্যাহত রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, হিজাব, টুপি, টারবান, পায়জামা-পাঞ্জাবি আইনসিদ্ধ হতে যাচ্ছে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের কর্মস্থলে। ৯ এপ্রিল মঙ্গলবার এমন একটি বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ হলো নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে। উপস্থিত ৬০ সিনেটরের সকলেই ভোট দেন এ বিলে (এস৪০৩৭)।
উল্লেখ্য, এর আগে অনুরূপ একটি বিল পাশ হয়েছে স্টেট এ্যাসেম্বলিতে। সেটি উত্থাপন করেছিলেন জ্যামাইকা নির্বাচনী এলাকার এ্যাসেম্বলিম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন। আর সিনেটে উত্থাপন করেন একই এলাকার স্টেট সিনেটর জন ল্যু। উভয় বিল যাবে স্টেট গভর্ণরের স্বাক্ষরের জন্যে। তিনি স্বাক্ষর করলেই তা আইনে পরিণত হবে।
এমন একটি বিল সর্বপ্রথম স্টেট পার্লামেন্টে উঠেছিল ২০১১ সালে। কিন্তু রিপাবলিকানদের আপত্তির জন্য তা কখনোই স্টেট সিনেটে পাশ হতে পারেনি। গত বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিউইয়র্ক স্টেট পার্লামেন্টের উভয় কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ডেমোক্র্যাটরা। এনআরবি নিউজ
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত
- নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র্যালি’