Monday, 16 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
সব ক্যাটাগরি

২৮-তম নিউইয়র্ক বইমেলা : ‘নারী প্রকাশক’ তাই বৈষম্যের শিকার-পপি চৌধুরী :: বৈষম্যের অভিযোগ দূরভিসন্ধিমূলক জবাবে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 24 বার

প্রকাশিত: June 20, 2019 | 7:31 PM

পপি চৌধুরী:নিজের লেখা বই ছাপাতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে ২০০৫ সালে গড়ে তুলেছিলাম নিজের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান “প্রীতম প্রকাশ”। ২০০৬ সাল থেকে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছি অমর একুশে গ্রন্থমেলায়। প্রকাশনা সম্পর্কে বিন্দুমাত্র জ্ঞান না থাকলেও একাকী নিজের অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে এগিয়ে নিয়ে এসেছি ২০১৯ সাল পর্যন্ত।

প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা তিনশ-র অধিক । নিজের প্রথম বই ছাপার তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে নতুনদেরকে প্রাধান্য দেয়ার চেষ্টা করে এসেছি সবসময়। নতুনদের পাশাপাশি লেখক সেলিনা হোসেন, নির্মলেন্দু গুণ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, ড. আশরাফ সিদ্দিকীর ন্যায় অনেক নামকরা লেখকের বইও প্রকাশিত হয়েছে আমার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে।

প্রকাশকদের সংগঠন পুস্তক প্রকাশক সমিতি এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি- এই দুটি সংগঠনেরই সদস্য আমার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান “প্রীতম প্রকাশ”। বাংলাবাজারে নিজের প্রতিষ্ঠানের নামে ক্রয় করা একটি দোকানও আছে। ২০০৮ সাল থেকে নিউইয়র্কে মুক্তধারা আয়োজিত বইমেলায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছে প্রীতম প্রকাশ (কেবলমাত্র ২০১৮ ব্যতীত)।

তবে যতবার আমি নিজে সশরীরে নিউইয়র্ক বইমেলায় অংশ নিয়েছি প্রতিবারই একজন নারী প্রকাশক হিসেবে আমার প্রতি তাদের বৈষম্যমূলক আচরণ লক্ষ্য করেছি। এর পূর্বে ২০১৫ সালে মেলার ২য় দিনে সকাল বেলা লেখক-প্রকাশকদের একটি আড্ডা ছিল। বইয়ের দোকান ঢেকে রেখে সেখানে সবার অংশগ্রহণ ছিল বাধ্যতামূলক। তাই আমিও সেখানে উপস্থিত ছিলাম একমাত্র নারী প্রকাশক হিসেবে।

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করছিলেন প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশের একজন পরিচিত ছড়াকার। তিনি উপস্থিত সকল পুরুষ প্রকাশকদের ২/৩ বার করে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দিলেও আমি কিছু বলার জন্য বেশ কয়েকবার হাত তুললেও তিনি আমাকে কিছু বলার সুযোগ দেননি। তা লক্ষ্য করে ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার তাকে বলেন মাইক্রোফোনটি আমাকে দেয়ার জন্য, কিন্তু তারপরও ঐ ছড়াকার আমাকে কিছু বলার সুযোগ দেননি।

তার সাথে আমার কখনও কোন বিরোধ ছিল না, বরং তিনি আমাকে একজন প্রকাশক হিসেবে ভালো করেই চিনতেন। তার এই আচরণে সেদিন আমি কষ্ট পেয়েছিলাম এবং অনুষ্ঠান শেষে আমি তার এই আচরণের প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। তাদের এই বৈষম্যমূলক আচরণের পরও বইমেলায় অংশগ্রহণ করেছি শুধুমাত্র বইয়ের প্রতি ভালোবাসার টানে। তবে এরপর মঞ্চ কিংবা আলোচনা সভা এড়িয়ে চলেছি সবসময়।

এবারও আমার সাথে চরম বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে । মেলার ৩য় দিন দুপুর বেলা মেলা কমিটির দুজন এসে আমার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিয়ে যান। সারাদিন বই নিয়ে তীর্থের কাকের মত বসে থাকলেও সন্ধ্যা সাতটার দিকে যখন মেলাস্থানটিতে কিছু দর্শক সমাগম হয়েছে ঠিক তখনই মেলা কমিটির একজন সব প্রকাশককে ডাকতে এলেন উপরে যাওয়ার জন্য।

কারণ এবার মেলায় আগত প্রকাশকদের মধ্য থেকে একজনকে পুরস্কৃত করা হবে। না গেলেও একটু পরে আবারও মেলা কমিটি থেকে আরেকজন ডাকতে আসেন এবং বলেন মাত্র ১০ মিনিটের জন্য সকল প্রকাশককে উপরের অনুষ্ঠানস্থলে যেতে হবে। এরপর অনেকটা বাধ্য হয়ে উপরে যাই।

উপরে যাওয়ার পর এক এক করে সকল প্রকাশক এবং তাদের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করে তাদের মঞ্চে ডাকেন নিউ ইয়র্কের পরিচিত লেখক হাসান ফেরদৌস। সেখানে প্রতিষ্ঠিত প্রকাশকদের পাশাপাশি এমন অনেক প্রকাশকও ছিলেন যাদের প্রকাশনার বয়স এখনও দুবছর হয়নি। তাদেরকে মঞ্চে ডাকা হলেও একটিবারও আমার নাম কিংবা ১৫ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত আমার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নাম নেওয়া হয়নি।

দর্শকসারীতে অনেক নামকরা সাংবাদিক, পত্রিকার সম্পাদক এবং একসময়ের প্রতিষ্ঠিত নারী-সাংবাদিকও উপস্থিত ছিলেন যারা দীর্ঘদিন থেকে আমাকে প্রকাশক হিসেবে চিনেন তারাও এ বিষয়ে কিছু বললেন না। বিষয়টি আমাকে খুবই মর্মাহত করে।

যখন মঞ্চের কাজ শেষে সকলে মঞ্চ থেকে নামতে যাবেন তখন এগিয়ে যাই মঞ্চের দিকে। এক মিনিট কথা বলার সুযোগ চাই আমি। অনুষ্ঠানের উপস্থাপক লেখক হাসান ফেরদৌস বার বার বলতে থাকেন- “না না আপনি এভাবে মঞ্চে আসতে পারেন না… এভাবে কিছু বলতে পারেন না।” আমি বুঝে যাই, ওনারা আমাকে কথা বলার সুযোগ দেবেন না। তখন আমি প্রতিবাদ জানিয়ে বলি, “আপনারা অন্য প্রকাশকদের সাথে আমাকে নীচে থেকে উপরে ডেকে এনেছেন, সকল প্রকাশককে মঞ্চে ডেকেছেন অথচ একটিবার আমার নাম বা আমার প্রকাশনার নামটি উচ্চারণ করার প্রয়োজন মনে করলেন না, সেকী আমি নারী বলে? আপনারা আমাকে একজন প্রকাশক হিসেবে উপযুক্ত সম্মান দিলেন না তাই আজ থেকে এই বইমেলা বর্জন করলাম আমি।”

এরপর আমি নীচে এসে এই বইমেলার মূল আয়োজক মুক্তধারার কর্ণধার বিশ্বজিত সাহাকে বলি, “দাদা, আপনি যদি আমাকে প্রকাশকই মনে না করেন তাহলে আর কখনও আমায় ডাকবেন না বইমেলায় অংশ নিতে।” তারপর আমি চলে যাই আমার স্টল গোটাতে।

 একটু পরে বিশ্বজিত সাহা এসে রাগত ভাবে ধমকের সুরে বার বার বলতে থাকেন- “আপনি কাজটি ঠিক করেন নি এভাবে ওখানে (উপরে) কথা বলে।” আমি বলি- “আপনারা আমাকে ডেকে নিয়ে একজন নারী হিসেবে বৈষম্যমূলক আচরণ করবেন আর আমি তার প্রতিবাদ করায় এখন বলছেন আমি অন্যায় করেছি !” আমার একথার জবাবে বিশ্বজিত সাহা অসৌজন্যমূলক ভাবে বলেন “আপনি নারী নিয়ে ব্যবসা করবেন না।”

বিশ্বজিত সাহা সবসময় প্রচার করে বেড়ান যে প্রবাসে তিনি দেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার কাজ করছেন। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, যে মানুষ বা যে সংগঠনটি একজন নারীকে সঠিক সম্মান দিতে জানে না সে কিভাবে দেশের সংস্কৃতি প্রবাসে তুলে ধরার প্রতিনিধিত্ব করেন!

তার আরো কিছু বৈষম্যমূলক আচরণের কথা আমি এখানে উল্লেখ করতে চাই:

বাংলাদেশ থেকে যে সকল প্রকাশক এবার বইমেলায় অংশ নিতে এসেছেন তাদের জন্য স্টল ফ্রি হলেও আমার কাছে ৫০০ ডলার স্টল ভাড়া চাওয়া হয়, বলা হয় আমি যেহেতু নিউ ইয়র্কে থাকি তাই আমাকে এই ভাড়া দিতে হবে। অথচ আমার প্রকাশনাটি বাংলাদেশে অবস্থিত, সেখানে আমার নিজস্ব একটি দোকান আছে এবং একজন কর্মচারীও আছে।

এই বইমেলা উপলক্ষ্যে ৬০ কেজি বই আনতে বিশ্বজিত সাহাকে দিতে হয়েছে ২১৫ ডলার। অনেক বাদ-প্রতিবাদের পর ১০০ ডলার ডোনেশন দেয়ার বিনিময়ে আমাকে স্টল দেয়া হয়। এদেশে নির্ধারিত ছুটি ছাড়া ছুটি নিলে বেতন থেকে টাকা কেটে নেয়া হয়, তারপরও বইমেলায় অংশ নেওয়ার জন্য আমাদের কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়েছিলাম।

কিন্তু আমার বইয়ের স্টলটি দেয়া হয়েছিল একেবারে শেষপ্রান্তে শাড়ি-কাপড়ের দোকান ঘেষে। মেলা কমিটির এসকল আচরণ আমাকে বিব্রত ও মর্মাহত করেছে। আমার প্রতি করা তাদের সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ স্বরূপ ততক্ষনাৎ আমি এই মেলা বর্জন করে মেলাস্থল থেকে আমার প্রকাশনার স্টলটি গুটিয়ে নিয়ে চলে আসি।

পপি চৌধুরীর অভিযোগ দূরভিসন্ধিমূলক : মুক্তধারা ফাউন্ডেশন

মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের বক্তব্য : ২৮-তম নিউইয়র্ক বইমেলায় পুস্তক বিক্রেতা হিসেবে অংশগ্রহণকারী পপি চৌধুরীর কিছু বক্তব্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, নারী হওয়ার কারণে তাঁর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। মুক্তধারা ফাউন্ডেশন বিনয়ের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, তাঁর এই অভিযোগ সত্য নয়। মুক্তধারা ফাউন্ডেশন বরাবরের মতো এবারের বই মেলাতেও নারীদের সম-অধিকার নিশ্চিত করা ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে সচেষ্ট ছিল।

পপি চৌধুরীর “প্রীতম প্রকাশে”র বর্তমান তৎপরতা মূলত যুক্তরাষ্ট্রে সীমাবদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রস্থ অন্যান্য বই ব্রিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ মূল্যে স্টল স্থাপনের অনুমতি দেয়া হয়েছিল, যা তিনি তাঁর বক্তব্যে স্বীকার করেছেন। মেলার তৃতীয় দিন এবারের বই মেলার আহ্বায়ক নিজে গিয়ে তাঁর স্টল পরিদর্শন করেছেন এবং তাঁর স্টলের কী কী আকর্ষণীয় দিক আছে তা জেনে এসেছেন, যেটা পপি চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে স্বীকার করেছেন। সুতরাং নারী হিসেবে তাঁর স্টলকে অবহেলা করার প্রশ্ন ওঠে না। অনুষ্ঠানে সর্বশ্রেষ্ঠ স্টলকে পুরস্কার পর্বের আগে মেলা কর্তৃপক্ষ তাঁকে সময়মত মঞ্চে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানান। তিনি তখন জানান, তাঁর কোন সাহায্যকারী নেই, ফলে নিজের বইয়ের টেবিল ছেড়ে তিনি যেতে পারবেন না। পরে অনুষ্ঠান চলাকালীন নাম ঘোষিত হয়নি এমন কোন অন্য প্রকাশক উপস্থিত থাকলে তাঁদের মঞ্চে আসতে অনুরোধ করা হয়। সে ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে সন্দেশ প্রকাশনীর লুৎফর রহমান চৌধুরী মঞ্চে এসে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তখনও পপি চৌধুরী মঞ্চে আসেন না। অথচ, এই পর্বটি শেষ হবার পর পপি চৌধুরী অকস্মাৎ মঞ্চে উঠে জোর পূর্বক মাইক নিয়ে বক্তব্য রাখতে চান, যেটা শোভনীয় ছিল না। তাঁর কোনো অভিযোগ থাকলে তিনি মেলা কর্তৃপক্ষকে শোভনীয় উপায়ে জানাতে পারতেন এবং মেলা কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে তার জন্য অপেক্ষা করতে পারতেন। তা না করে তিনি যেটা করেছেন, তাতে মেলার প্রতি কোনো ইতিবাচক অঙ্গীকারের প্রকাশ ঘটেনি। এ প্রসঙ্গে স্মরণযোগ্য যে, পপি চৌধুরী এবং তাঁর স্বামী তপন চৌধুরী দুজনেই ইতিপূর্বে মেলায় অংশগ্রহণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এসে আর ফেরত যান নি। তাঁদের এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ দ্বারা মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এবং নিউ ইয়র্ক বই মেলার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। “বর্তমানে তিনি মুক্তধারার প্রধান ব্যবস্থাপক বিশ্বজিত সাহা সম্পর্কে যেসব অপবাদ আনছেন এবং অপপ্রচার করছেন, মুক্তধারা ফাউন্ডেশন তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা এবং ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানাচ্ছে।”

মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এবং নিউ ইয়র্ক বই মেলা নারীর সম অধিকারের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ। বইমেলার প্রতি বছরের কর্মসূচিতেই তার প্রতিফলন খুঁজে পাওয়া যায়। এ বছর মুক্তধারা-জিএফবি পুরস্কার পেয়েছন দিলারা হাশেম। বিভিন্ন সময় বই মেলার উদ্বোধক ছিলেন সেলিনা হোসেন, দিলারা হাশেম, রাবেয়া খাতুন ও পূরবী বসুর মত সাহিত্যিক। আগামীতেও মুক্তধারা এবং নিউ ইয়র্ক বই মেলা নারীর সম অধিকারের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ।

বিবৃতি দাতারা হলেন: ২৮তম নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলার আহ্বায়ক ড. নজরুল ইসলাম, মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা বৃন্দ: দিলারা হাশেম, জামালউদ্দীন হোসেন, রোকেয়া হায়দার, ড. নূর নবী, গোলাম ফারুক ভুঁইয়া। সভাপতি: ড. জিয়াউদ্দীন আহমেদ। সহ সভাপতি: ফেরদৌস সাজেদীন, নিনি ওয়াহেদ, হাসান ফেরদৌস। সিইও: বিশ্বজিত সাহা। কোষাধ্যক্ষ: তানভীর রাব্বানী। সদস্য: সউদ চৌধুরী, কৌশিক আহমেদ, আহমাদ মাযহার, আদনান সৈয়দ, ফাহিম রেজা নূর, রানু ফেরদৌস, ওবায়দুল্লা মামুন, ইউসুফ রেজা, হারুন আলী, সাবিনা হাই উর্বি, মুরাদ আকাশ, সেমন্তী ওয়াহেদ ও শুভ রায়।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV