ভার্জিনিয়ায় বাংলাদেশী আমেরিকান আইটি প্রফেসনাল অরগানাইজেন’র পিকনিক ও ফাদার’স ডে উদযাপন
ভার্জিনিয়া থেকে শামসুদ্দিন মাহমুদ: গত ১৬ জুন রবিবার উডব্রীজ,ভার্জিনিয়ার লিসেলবেনিয়া পার্কে বাংলাদেশী আমেরিকান ইনফরমেশন টেকনোলজি প্রফেশনাল অরগানাইজেন (বাইটপো)’র আয়োজনে এক পিকনিকের আয়োজন করা হয়। সারাদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত বার্ষিক পিকনিক ও ফাদার’স ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে ভার্জিনিয়া ওয়াশিংটন এবং মেরিল্যান্ডে বসবাসরত আইটি প্রফেশনাল এবং সাধারন চাকুরীজীবিদের পরিবার উপস্থিত ছিলেন।
বাংলার
ঔতিহ্যবাহী পরোটা
ভাজি,
ডিম
ভাজি
এবং
আলু
ভাজি
দিয়ে
সকালের
নাস্তা
শুরু
হয়
সকাল
১০টায়
এর
পর
বেলা
১২টা
থেকে
চিকেন
বার
বারবাকিউ সাথে
চলে
ঔতিহ্যবাহী মেজবান। গরুর
মাংশ,
খাশি-চনার ডাল, লাউ-চিংড়ী ও সাদাভাতের সাথে
দেশী
সালাদ।
সবশেষে
রসমালাই এবং
সুস্বাদু পায়েশ
এবং
চা,
পান-সুপারি খেয়ে ঠোট
রঙিন
করে
তৃপ্তির ঢেকুর
তুলতে
তুলতে
অতিথি
বৃন্দ
সুর্যাস্ত পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপভোগ
করেন।
ছোট
ছোট
ছেলেমেয়েদের ও
মহিলাদের অংশগ্রহনে শুরু
হয়
খেলাধুলা পর্ব,
বাবা
দিবসে
বাবাদের নিয়ে
বিশেষ
অনুষ্ঠান সাথে
ছিল
গান
বাজনা।
এককথায়
পুরো
অনুষ্ঠান ছিল
আনন্দ
ও
ছন্দময়।
দুপুর
বারোটায় বাইটপোর এ
পথচলা
ও
পিকনিকের বেলুন উড়িয়ে
উদ্ধোধন করেন
ই-লার্নিং বই এর লেখক
ও
নলেজ
ক্যারিয়ার জ্ঞানবাহন এর
প্রতিষ্ঠাতা ডক্টর
বদরুল
হুদা
খান।
এ
সময়
বাইটপোর সকল
সদস্যবৃন্দ, বিশিস্ট গায়িকা
ডঃ
সীমা
খান
ও
ওয়াশিংটন বাংলাদেশ দুতাবাশের প্রতিনিধি রাষ্ট্রদুতের পিএস
প্রিয়ন্তী সহ কমিউনিটির গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসির
অনেক
সংগঠনের প্রতিনিধি সহ
কমিউনিটির সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ, লেখক সাংবাদিক সহ
সুধী
বৃন্দ
উপস্থিত ছিলেন।
এ
সময়
বাইটপোর সদল
সদস্যদের পরিচয়
করিয়
দেন
বাইটপোর অন্যতম সদস্য সামছুদ্দীন মাহমুদ। বাইটপোর সকল সদস্য একে
এক
তাদের
নিজ
নিজ
পরিচয়
তুলে
ধরেন এবং সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সামছুদ্দীন মাহমুদ,
মোহাম্মেদ রশীদ,সাইফুল্লাহ খালেদ, তারিকুল ইসলাম
অশ্রু,
হাবিবুল্লাহ ভুইয়া
কচি,
মোঃ
নিজামউদ্দিন, মোঃ
মিজানুর রহমান,
মোহাম্মদ হায়দার,
আবদুল
মোমেন,
আয়ান
রশীদ,
রফিকুল
ইসলাম
আকাশ,
সুমন
কর্মকার, তৈয়বুর
হাসান,
তানভীর
হায়দার
প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন ডঃ
বদরুল
খান।
তিনি বাংলাদেশী আইটি
প্রফেশনালদের মার্কিন যুক্তরাষ্টের বিভিন্ন কর্পোরেট অফিস
এবং
ইউ
এস
গভরমেন্টের অফিসে
কাজ
করার
প্রশংসা করে
বলেন,
গার্মেন্টস সেক্টরের পরে
বাংলাদেশের আইটি
সেক্টর
সবচেয়ে
সম্ভাবনাময় খাত
হিসাবে
আবির্ভুত হয়েছে।
আইটি
প্রফেশনালরা তাদের
অভিজ্ঞতা দিয়ে
কেবল
কমিউনিটিতে নয়
বাংলাদেশের আইটি
খাতকেও
বিভিন্ন ভাবে
সহায়তা
করতে
পারে।
আগামী
দিনে
আরো
বাংলাদেশীদের একটি
বিশাল
অংশ
এ
সেক্টরে প্রবেশ
করবে
বলে
আশাবাদ
ব্যক্ত
করেন।
এই
প্রফেশনালরা দেশের
রেমিটেন্সে বিশেষ
সহায়তা
প্রদান
করতে
সক্ষম
হবেন
সাথে
সাথে
বাংলাদেশের আইটি
খাত
উন্নয়নে বিশেষ
ভুমিকা
রাখবে।
এ
বিষয়ে
বাইটপো
বাংলাদেশ সরকারের সাথে
একটি
সেতুবন্ধন হিসাবে
কাজ
করবে
বলে
তিনি
আশাবাদ
ব্যক্ত
করেন।
তিনি
বাইটপোর সকল
কাজে
বিশেষ
সহায়তা
প্রদানের ও
আশ্বাস
দেন।
পিকনিকের অন্যতম আয়োজক সামছুদ্দীন মাহমুদ
তার
বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আইটি
প্রফেশনালদের একই
প্লাটফর্মে নিয়ে
আসার কথা উল্লেখ করে নবগঠিত সংগঠনের কার্যক্রম, আদর্শ ও উদ্দেশ্যের বর্ণনা
দিয়ে
বলেন,
আগামী
দিনে
সংগঠনের কার্যক্রম কেবল
নিজেদের মধ্যেই
নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি
ও
পারষ্পরিক সহায়তার মধ্যে
সীমাবদ্ধ থাকবেনা, কমিউনিটির বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা
এবং
সর্বোপরি আইটি
সেকটরে
বাংলাদেশ সরকারকে বিভিন্ন কাজে
সহায়তা
প্রদানের ও
আশ্বাস
দেন।
এছাড়া
আগামীতে বাইটপোর আরো
তিনটি
অনুষ্ঠানের ঘোষনা
প্রদান
করেন।
অনুষ্ঠানগুলো হচ্ছে
আগামী
বছর
২১
জুন
২০২০
“বার্ষিক পিকনিক
ও
ফাদার’স ডে উদযাপন”,
আগামী
অক্টোবর ২০১৯
“বাইটপো
সকার
গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট” এবং
জানুয়ারী ২০২০
“আইটি
স্টার
এওয়ার্ড” প্রদান
।
অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় পর্বে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ও মহিলাদের খেলাধুলায় সহায়তা করেন আয়ান রশীদ ও নুর মোহাম্মদ। এর পর ফাদার’স ডের বিশেষ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তারিকুল ইসলাম অশ্রু, তাকে সহায়তা করেন হাবিবুল্লাহ ভুইয়া ও নিজামউদ্দীন। বারবিকিউতে সহায়তা করেন সাইফুল্লাহ খালেদ, মোহাম্মদ হায়দার, আবদুল মোমেন, তৈয়বুর হাসান, মেজবান ও অন্যান্য রান্নায় সহায়তা করেন মোহাম্মদ রশীদ, মিজানুর রহমান, সুমন কর্মকার, রেদওয়ান চৌধুরী, বোরহান আহমেদ, সরফওয়াজ ও স্যাম রিয়া(মাহমুদ ভাবী)। ফটোগ্রাফী ও ভিডিওতে সহায়তা করেন রফিকুল ইসলাম আকাশ ও দেওয়ান বিপ্লব। মিউজিক ও সাউন্ড সিস্টেমে সহায়তা করেন উজ্জল হোসেন ও তুশার রহমান। র্যাফল ড্র তে সহায়তা করেন ফাইয়াজ মাহমুদ ও ফারিয়া খালেদ। র্যাফল ড্রতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার ছিল যথাক্রম ২২ ক্যারেট স্বর্ণের চেইন, গেস হাতঘড়ি ও আন ক্লেইন হাতঘড়ি। পুরস্কারগুলি স্পন্সর করেন যথাক্রমে এজেএম হোসেন, কবির পাটোয়ারী, ও মাসুদ আহসান। ফাদার’স ডের কেক কাটেন সর্ব শ্রদ্ধেয়, সংগঠনের সদস্য মিজানুর রহমানের বাবা মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সাইফুল্লাহ খালেদের বাবা রহমান বিশ্বাস ও তানভীর হায়দার এর বাবা আবুল ফজল। বাবা দিবসে সকল বাবাদের সন্মানে একটি বিশেষ বাইটপো লোগোযুক্ত কফিকাপ উপহার প্রদান করা হয়।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল