Saturday, 14 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএসএ’র নির্বাচন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 163 বার

প্রকাশিত: October 30, 2019 | 4:10 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএস-এর নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। সংগঠনের নির্বাচন উপলক্ষ্যে মনোনয়নপত্র বিক্রির দিন সৃষ্ট অপ্রীতিকর ঘটনা এবং নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় এসোসিয়েশনের নির্বাচন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে। তবে সবাই চাইলে নির্বাচন কমিশন যেকোন সময় নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধ পরিকর বলেও জানানো হয়েছে।
গত ২৫ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রুকলীনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএস-এর প্রধান নির্বাচন কমিশনার আশীষ রঞ্জন ভৌমিক লিখিত বক্তব্যে উপরোক্ত কথা জানান। এসময় ৫ সদস্যের নির্বাচন কমিশনে অপর তিন সদস্য যথাক্রমে শাহাব উদ্দিন মিয়া, আব্দুল মালেক খাঁন ও শাহ আলম ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। খবর ইউএনএ’র।
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে আশীষ রঞ্জন ভৌমিক বলেন, সবাই চাইলে আমরা যেকোন সময় নির্বচন আয়োজনে প্রস্তুত। তবে গঠনতন্ত্র মোতাবেক ট্রাষ্টিবোর্ডের সিদ্ধান্ত বা পরামর্শ ছাড়া আমরা কিছুই করতে পারবো না। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যা করছে তা সংগঠনের গঠনতন্ত্র আর ট্রাষ্টিবোর্ডের পরামর্শ মোতাবেক করছে।
সংবাদ সম্মেলনে আশীষ রঞ্জন ভৌমিক তার লিখিত বক্তব্যে বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, ‘মুন্না-সবুজ’ প্যানেলের কয়েক জনের পেশিশক্তি ব্যবহার, আমাদের দিকে তেড়ে আসা, টেবিল চাপড়িয়ে প্রকাশ্য হুমকি, পিঠের চামড়া তুলে ফেলা, জোরপূর্বক পদত্যাগ করার জন্য ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করা, দালাল বলে গালি দেওয়া, ধর্মীয় নানা বিষয় তুলে ধরে কটাক্ষ করা সহ নাজেহাল পরিস্থিতির এমন আচরণ আমাদের বিভিন্ন নির্বাচন পরিচালনার ইতিহাসে নজিরবিহীন। উদ্ভুত এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। পরে তিনি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সংবাদ সম্মেলনে আশীষ রঞ্জন ভৌমিক লিখিত বক্তব্যে বলেন, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএসএ’র ২০১৯ নির্বাচন উপলক্ষে এসোসিয়েশন-এর গঠনতন্ত্রের অধ্যায় ৫ এর ধারা ২০ এর উপধারা ১ এর আলোকে বর্তমান কার্যকরি কমিটি ৫ সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করেন। বিগত ২৯ সেপ্টেম্বর এসোসিয়েশন-এর সাধারণ সভায় সাম্ভাব্য নির্বাচনী তারিখ ও সংক্ষিপ্ত কিছু কার্যবিধি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে বিগত ৩ অক্টোবর এসোসিয়েশন-এর যৌথ কমিটির সভায় একটি অসম্পূর্ণ তফসিলের খসড়া নির্ধারণ এবং যৌথ সভায় তৈরিকৃত তফসিল-এর বিভিন্ন সংশোধনী ও সংযোজন আনা হয়। তিনি বলেন, পূর্বের আংশিক খসড়া তফসিলে নমিনেশন ফি, নির্বাচনের তারিখ সহ বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় সর্বসম্মতিক্রমে যৌথ সভায় আগামী ১০ নভেম্বর নির্বাচন এর দিন ধার্য্য করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়: একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রস্তুতি স্বরূপ, বিগত ১০ অক্টোবর ২০১৯ বৃহস্পতিবার, নির্বাচনে সাম্ভাব্য প্রার্থীদের জন্য নমিনেশন ফরম বিক্রির দিন নির্ধারণ এবং ফরম বিক্রির জন্য আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করি। সভায় ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের উপস্থিত থাকার জন্য আমরা পূর্বেই তাদের আমন্ত্রণ জানাই এবং সেদিন আমাদের একজন নির্বাচন কমিশনার “জনাব জয়নাল আবেদীন মাহমুদ” এর উপস্থিতি না দেখে আমরা ৪ জন নির্বাচন কমিশনার বারবার ফোনে তার অবস্থান কোথায় তা জানতে সংযোগ স্থাপনে ব্যর্থ হই। যার কারণে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম কিছুটা বিলম্ব হয়। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার কিছুটা পরে ট্রাস্টি বোর্ডের ৪ জন সদস্য উপস্থিত হন। তারা মনোনয়ন ফরম বিক্রির ফরমগুলো পর্যালাচনা করেন। এক পর্যায়ে ট্রাস্টি বোর্ডের ২ জন সদস্য সর্বজনাব আবু নাসের ও হাজ্বী আবুল কাশেম মনোনয়ন ফরমে কিছু সংশোধনী ও সংযোজনী এনে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। সংশোধনীগুলো হলো ফরমের সিরিয়াল নাম্বার নির্ধারণ করা। কমিশনের নির্ধারণ করা পূর্বের দুই পেইজের মধ্যে মনোনয়নপত্রকে তারা এক পেইজে আনার জন্য সিদ্ধান্ত দেন। তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তগুলো সংযোজন করার জন্য আমরা সময় নিয়ে সেইগুলো সংযোজন করি। তার জন্য আরও কিছু সময় বিলম্ব হয়। সংযোজনে কিছুটা সময় নিয়ে, পরিপূর্ণ প্রস্তুতি শেষ করে রাত ১০টা থেকে আমরা নমিনেশন ফরম দুইটি পক্ষের জন্য বিক্রির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করি।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রথমে নমিনেশন ফরম ক্রয় করেন সাম্ভাব্য ‘জসিম-পিন্টু’র পক্ষে তাদের মনোনীত প্রতিনিধি নূরুল হুদা হারুন। তাদের প্রতিনিধি দলের সাথে ছিলেন স্বপন, চৌধুরী মামুন, মামুন আব্দুল্লাহ। দ্বিতীয় পর্যায়ে সাম্ভাব্য প্রার্থী ‘মুন্না-সবুজ’র পক্ষে নমিনেশন ফরম কেনার নেতৃত্ব দেন জাহাঙ্গীর আলম সুজন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়ন-এর সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন সেলিম চৌধুরী, মাষ্টার শাহ আলম, এসোসিয়েশন এর বর্তমান সেক্রেটারি মোশাররফ হোসাঈন সবুজ, সভাপতি প্রার্থী নূর আলম ছিদ্দীক মুন্না, চরহাজারী ইউনিয়ন-এর সাবেক চেয়ারম্যান আল হারুন, আবু সুফিয়ান, নঈম উদ্দিন, নুরুল করিম মোল্লা, মিলন, এনামুল হক লিটন, শাহরিয়ার দিদার, শাহ সামীর ফারুক, আবু নাহিদ, আব্দুর রহীম আজাদ, স্বপন ভূঁইয়া, মফিজ, নঈম টুটুল সহ অনেক সহযোগী।
তিনি বলেন, নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ আয়োজন করার জন্য আমরা নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। সংবিধান এর অধ্যায় ৫ এর ধারা ২১ থেকে ২৫ পর্যন্ত সাংবিধানিক পদ্ধতিতে নির্বাচনী কার্যক্রম এর যে নিয়ম রয়েছে। আমরা তা অনুসরণ করে আমাদের কাজ শুরু করেছি। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ফরম বিক্রির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় ও ব্যথিত মনে আপনাদের জানাতে বাধ্য হচ্ছি। বিগত ১০ অক্টোবর, নির্বাচন কমিশন কতৃক নমিনেশন ফরম বিক্রির সময় কিছু ভুল বাঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। উক্ত ভুল বাঝাবুঝির প্রেক্ষিতে সাম্ভাব্য ‘মুন্না-সবুজ’ পক্ষের প্রতিনিধি ও তাদের সহযোগীবৃন্দ একটি উদ্ভুত, অনাকাঙ্খিত পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। যা মোটেও কাম্য ছিলনা।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এসোসিয়েশন এর গঠনতন্ত্রের অধ্যায় ৫ এর ধারা ২১ এর ১ উপধারা বলা মোতাবেক (কমিশনের সকল কার্যক্রম ট্রাস্টি বোর্ডের তত্তাবধানে পরিচালিত হবে)। ট্রাস্টি বোর্ডের তত্বাবধানে পরিচালিত কমিশন ট্রাস্টির সকল আদেশ ও নির্দেশ মানতে বাধ্য। বিগত নির্বাচনী বছরগুলোর মতই বাহিরের স্টেটে ব্যালট পাঠানো সংক্রান্ত একটি আবেদন, আমাদের নির্বাচন কমিশন এর নিকট জমা দেন এসোসিয়েশন এর বাইরেরে স্টেটের বেশ কিছু ভোটার ও সদস্য। আমরা উক্ত আবেদনের কপি ট্রাস্টি বোর্ডের দৃষ্টিতে আনলে, জবাবে তারা বলেন, আমাদের কাছেও উক্ত আবেদনের একটি অনুলিপি এসে পৌছেছে। তারই আলোকে ট্রাস্টি বোর্ড বিগত ৮ অক্টোবর ২০১৯ নির্বাচন কমিশনের সাথে এক জরুরী সভায় মিলিত হোন। উক্ত সভায় এসোসিয়েশন এর বর্তমান সভাপতি আব্দুল মালেক ও সেক্রেটারি মোশাররফ হোসাঈন সবুজও উপস্থিত ছিলেন। বাহিরের স্টেটে ব্যালট পাঠানো সংক্রান্ত, বাহিরের স্টেটের সদস্যদের করা উক্ত আবেদনের ফলে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আবুল কালাম সাহেব আবেদনটি নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষন করেন। এবং নিউইয়র্ক এর বাহিরে ভোটারদের জন্য ব্যালট পাঠানো নিয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের মধ্য হতে ভোট মতামত নেন। ট্রাস্টি বোর্ডের অধিকসংখ্যক সদস্য ব্যালট পাঠানোর পক্ষে রায় দেওয়ার ফলে পূর্ব ব্যালট পাঠানো পদ্ধতি বহাল হয়। ট্রাস্টি বোর্ডে ব্যালট পাঠানো পদ্ধতি পাশ হওয়ার পরেই ট্রাস্টি বোর্ডের উক্ত রায় নির্বাচন পদ্ধতিতে অনুসরণ করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে বোর্ড নির্দেশ দেন।
সংগঠনের গঠনতন্ত্রে ধারা ৩২ এর উপধারা ৪ এ বলা রয়েছে (৪: ট্রাষ্টি বোর্ড নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম তদারকি করিতে পারিবেন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যে কোন সমস্যা কমিশনের সাথে আলোচনাক্রমে তাৎক্ষণিক সমাধান করার ক্ষমতা রাখেন)। নির্বাচন কমিশন উক্ত নির্দেশ অনুসরণ করে নমিনেশন ফরম বিক্রির পূর্বের একদিন আগেই, নির্বাচনে ভোট প্রদান পদ্ধতিতে বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে বাইরের স্টেটে ব্যালট পাঠানো প্রক্রিয়ার পূর্ব পদ্ধতি সংযোজন করেন। আর বাইরের স্টেটে ব্যালট পাঠানো বিষয় সংযোজন করা নিয়ে নমিনেশন ফরম বিক্রির সময় ‘মুন্না-সবুজ’-এর পক্ষে নেতৃত্ব দিতে আসা কতিপয় বেশ কিছু সদস্য আমাদেরকে প্রশ্ন করেন। বাইরের এস্টেটের ভোটারদের ব্যালট পাঠানো পদ্ধতি আপনারা কেন সংযোজন করেছেন? জবাবে নির্বাচন কমিশন বলেন, উনারা নির্দেশ দিয়েছে তাই আমরা সংযোজন করেছি। কিন্তু তারা এই শব্দ প্রয়োগ কে মনে করেছে তাদের বিপরীত পক্ষের নির্বাচনে প্রতিযোগিতা কারি কারও নির্দেশে তা করা হয়েছে! প্রকৃতপক্ষে এইটি ছিল ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত এবং গঠনতন্ত্রের আলোকে উক্ত সিদ্ধান্ত আমরা মানতে বাধ্য। এমন জবাবে তারা সন্তুষ্ট না হয়ে আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হোন। তফসিল থেকে ট্রাস্টি বোর্ডের উক্ত সিদ্ধান্ত বাদ দিতে আমাদের উপর চাপ প্রয়োগ করেন। যদি আমরা উক্ত সংযোজনী বাদ না দিই তাহলে আমাদের সবাইকে এক্ষুনি পদত্যাগ করতে হবে বলে দাবি উঠান। আমরা পূর্বের উত্তর দেওয়াতে একপর্যায়ে এসোসিয়েশন এর নির্বাচনী কার্যালয়ে আমাদের উপস্থিত ৪ জন নির্বাচন কমিশনারবৃন্দকে ব্যাপক নাজেহাল পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে। পেশিশক্তি ব্যবহার, আমাদের দিকে তেড়ে আসা, টেবিল চাপড়িয়ে প্রকাশ্য হুমকি, পিঠের চামড়া তুলে ফেলা, জোরপূর্বক পদত্যাগ করার জন্য ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করা, দালাল বলে গালি দেয়া, ধর্মীয় নানা বিষয় তুলে ধরে আমাকে কটাক্ষ করা সহ হেন কোন নাজেহাল পরিস্থিতি বাকি ছিলনা। বলা চলে পেশিশক্তি প্রয়োগ করে এক পর্যায়ে আমাদের জিম্মি করে রাখে। আমি কোথাও কল দিতে চাইলে আমাকে ধমকি দিয়ে ফোন না করতে বাধ্য করা, ইত্যাদি। সেখানে উপস্থিত রইসুল হক নামের একজন সদস্য পুলিশ কল দিলে প্রিসেন্ট থেকে পুলিশ আসলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।
পরাবর্তীতে পুলিশ যেতে না যেতে পুলিশে কল দেওয়া উক্ত সদস্যেকে মারার জন্য তেড়ে আসেন ‘মুন্না-সবুজ’র পক্ষের কয়েকজন। যার অডিও ও ভিডিও ডকুমেন্ট প্রমাণসহ আমাদের কাছে সংগৃহিত করা আছে। আপনারা চাইলে আমরা আপনাদের নিকট তাহা চালু করে দেখাতে পারব। তাছাড়া ইতিমধ্যে সেইদিনের পর থেকে আজ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে, পত্রপত্রিকায়, প্রতিবাদ সভায়, তাদের সাথে সেইদিন আসা কতিপয় সদস্য আমাদের নির্বাচন কমিশনকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। অপবাদ অপপ্রচার করে বিকৃত পোস্ট ও মন্তব্য করে যাচ্ছে। এমন আচরণ আমাদের বিভিন্ন নির্বাচন পরিচালনার ইতিহাসে নজিরবিহীন। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নির্বাচন কশিমন সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV