Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কূটনীতিক হেনরি কিসিঞ্জারকে ৯ প্রশ্ন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 18 বার

প্রকাশিত: May 31, 2011 | 12:21 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কূটনীতিক হেনরি কিসিঞ্জার। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি এ দেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ আখ্যায়িত করে ব্যাপক সমালোচিত হন। সমপ্রতি তিনি টাইম ম্যাগাজিনকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তার কাছে ৯টি প্রশ্ন উত্থাপন করা হয় বিভিন্ন বিষয়ে। তার জবাব দিয়েছেন তিনি নিজের মতো করে। এখানে তার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো-
প্রশ্ন: চীনকে কি আমেরিকার ভয় পাওয়া উচিত?
উত্তর: আমেরিকার উচিত চীনকে বোঝা। তাকে ভয় পাওয়া নয়।
প্রশ্ন: কেন?
উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন একে অন্যকে সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ভয় পাওয়ার প্রবণতা দেখায়। আমেরিকার সেনারা চীনকে ঘিরে রেখেছে- এ নিয়ে চীন ভীত। অন্যদিকে চীন এশিয়ায় তার আধিপত্য বিস্তার করছে- এমনটা ভয় আমেরিকার। আমেরিকা মনে করে এর মাধ্যমে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে এশিয়া থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। আমি মনে করি, আমাদের উচিত অভিন্ন কিছু প্রকল্প খুঁজে বের করা, যা নিয়ে আমরা একত্রে কাজ করতে পারি। এর ফলে সহযোগিতার মনোভাব গড়ে উঠবে। আমাদের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে আমি বলতে পারি আমেরিকানরা বেশির ভাগ সমস্যাকে সমাধানযোগ্য করেছে। যখনই আমাদের সামনে কোন ইস্যু উত্থাপিত হয়, তখনই আমরা চিন্তা করি তা কিভাবে সমাধান করা যাবে। তারপর তা সমাধান করা হয়। আমাদের ইতিহাস সফলতার। অন্যদিকে চীনের ইতিহাস হাজার হাজার বছরের পুরনো। সেখানে কোন সমস্যারই চূড়ান্ত সমাধান নেই। সেখানে প্রতিটি সমস্যার সমাধান আরেকটি সমস্যার জন্ম দেয়। চীনাদের কাছে ইতিহাস একটি জীবন্ত বাস্তবতা। এখানেই আমাদের মনস্তত্ত্বের পার্থক্য।
প্রশ্ন: চীনা সরকারের পক্ষে আপনার প্রতিষ্ঠান কাজ করে। এ জন্যই কি চীন সম্পর্কে আপনার ধারণা আশাব্যঞ্জক?
উত্তর: আমরা কোন দেশের সরকারকে আমাদের এজেন্ট হিসেবে নিই না। কোথাও না। আমরা চীনা সরকারের কাছ থেকে কোন অর্থ নিই না। চীনের কোন সম্পদও ব্যবহার করি না।
প্রশ্ন: আপনি কি তথাকথিত ‘উত্তাল আরব’ নিয়ে কোন আশা পোষণ করেন?
উত্তর: এটা এক ঐতিহাসিক অসাধারণ মুহূর্ত। আমি বিশ্বাস করি এর কোন দরকার ছিল না অথবা গণতান্ত্রিক বিপ্লব মনে হয় না। এখন একটি গণতান্ত্রিক বিপ্লবে আমরা কিভাবে অংশ নিই, তাই দেখার বিষয়।
প্রশ্ন: আমরা বুঝতে পারছি, বিদেশী হস্তক্ষেপ ছাড়াই ওই অঞ্চলে শাসন-ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু আপনি কি মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাকের জন্য আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে?  
উত্তর: মার্কিন কংগ্রেসের চার-পঞ্চমাংশ যেমন ইরাক যুদ্ধের জন্য সমর্থন দিয়েছিল, আমিও দিয়েছিলাম। তা হয়তো তারা আজ ভুলেই গেছে। সাধারণ অর্থে আমি বিশ্বাস করি না যে সামরিক শক্তি কোন শাসনযন্ত্রের পরিবর্তন আনতে পারে। তবুও অনেকে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে এটাকেই বেছে নেয়।
প্রশ্ন: আর এখন?
উত্তর: এটা এমন হতে পারে যে, ইরাক এমন একটিমাত্র দেশ হবে যেখানে প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার থাকবে। কিন্তু আমি এই অর্জনের জন্যই কি যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলম। আমি বলব, না।
প্রশ্ন: আপনার মতো যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মন্ত্রীরা যাতে বিচারের মুখোমুখি না হন, সেজন্যই কি যুক্তরাষ্ট্র ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের সদস্য নয়?
উত্তর: আন্তর্জাতিক আদালতের আমরা সদস্য নই এ কারণে যে, সেখানে যেসব কাজ থাকে এবং তা যাদের ওপর ছেড়ে দেয়া হয় তারা বিভিন্ন দেশ থেকে আসেন। তাদের অনেকে ওইসব বিষয়ে ভাল করে বোঝেও না।  ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের ব্যাপারে আমার কোন আগ্রহ নেই। আমি নিজে বিচারের মুখোমুখি হব না এমন বিন্দুমাত্র ভয় থেকেও আমি মুক্ত নই।
প্রশ্ন: আপনার নামের প্রথম শব্দ হাইঞ্জ। এ নামেই কি পরিচিত থাকতে চান?
উত্তর:  না, একটি মুহূর্তের জন্যও না।
প্রশ্ন: আপনাকে নিয়ে গান গেয়েছেন মন্টি পাইথন থেকে বব ডিলন। এর মধ্যে কে আপনার প্রিয়?
উত্তর: এ প্রশ্নের উত্তরে আপনি শক খাবেন। আসলে তাদের কেউই আমার প্রিয় নন। মানবজমিন
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ