নিউইয়র্কে কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএসএ’র জরুরী সাধারণ সভার দাবি সদস্যদের, অন্যথায় তলবী সভা (ভিডিও)
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/446909242873946/
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/575189573215602/
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/494029871201156/
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কে কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএসএ’র জরুরী সাধারণ সভার দাবি জানিয়েছে সাধারণ সদস্যরা। নির্বাহী কমিটি ১৫ দিনের মধ্যে সাধারণ সভা আহবান না করলে তলবী সভা ডাকবে সাধারণ সদস্যরা। গত ২৫ নভেম্বর সোমবার রাতে ব্রুকলীনের মধুবন সুইটস এন্ড রেষ্টুরেন্টে কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএসএ ইনকের সদস্যবৃন্দ’র ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভা থেকে এ আল্টিমেটাম ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএসএ’র সাধারণ সদস্যদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জহির উদ্দিন সেলিম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবু সুফিয়ান, গোলাম ছারোয়ার, মোহাম্মদ নুরুল করিম মোল্লা, আল হারুন, জাহাঙ্গীর আলম সুজন, মাষ্টার শাহ আলম, মোঃ নাসিম, মোঃ মোজাম্মেল হোসেন, নাঈম টুটুল, আবুল খায়ের, মোহাম্মদ ছিদ্দিক মুন্না প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কর্তৃত্ববাদী সিন্ডিকেটকে সহায়তাকারী ও বিতর্কিত ট্রাষ্টি বোর্ড ও নির্বাচন কমিশন পূণর্গঠন এবং নির্বাচন না দিয়ে ট্রাষ্টি বোর্ডের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অপচেষ্টা প্রতিরোধে সাধারণ সভার দাবীতে এ সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সাধারণ সভা আহবান করে ট্রাষ্টি বোর্ড ও নির্বাচন কমিশন পূনর্গঠন, আউট ষ্টেট/সিটির ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে গঠনতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত এবং নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে নির্বাহী কমিটিকে জরুরী সাধারণ সভা করতে আহবান করতে হবে। অন্যথায় এসোসিয়েশনের সাধারণ সদস্যরা তলবী সাধারণ সভা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ১০ নভেম্বর কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএসএ ইনক এর নির্বাচন ২০১৯ অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। কিন্তু মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অনিয়মতান্ত্রিক, অসাংগঠনিক, গঠনতন্ত্রবিরোধী এবং পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের প্রতিবাদের একপর্যায়ে কোন কারণ না দেখিয়ে তথাকথিত উপরের নির্দেশে তিনি নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করেন। দেড় মাসের অধিক হলেও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করার কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আমরা গত ১৩ অক্টোবর সাংবাদিক সম্মেলন ও প্রতিবাদ সভা করে অসাংবিধানিক এবং পক্ষপাতদুষ্ট কার্যক্রমের জন্য ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যানের পদত্যাগ, গঠনতন্ত্রের ধারা ২১(৪), ২১(৩), ২১(৭) এবং ২৪(২) লঙঘন করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করে ১ম তফসিল, আচরণবিধি ও নিয়মাবলী অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখে নির্বাচন করার দাবী করেছিলাম। ওই সময় নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য আমরা বিতর্কিত ট্রাষ্টি বোর্ড ও নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের প্রতি সম্মান রেখে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ট্রাষ্টি বোর্ড, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাহী কমিটি বরাবর ৩টি চিঠি দিয়ে আমাদের দাবীগুলো জানিয়েছিলাম। এজন্য প্রয়োজনে গঠনতন্ত্রের ধারা ৩৬(খ) অনুসরণ করে ট্রাষ্টি বোর্ড, উপদেষ্টা পরিষদ, নির্বাহী কমিটির যৌথ সভা এবং ধারা ৩৩(১) অনুযায়ী জরুরী সাধারণ সভা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ করেছিলাম চিঠিতে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের স্বার্থে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সহায়তা করার জন্য ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্যদের সাথে আমাদের ৫ জন প্রতিনিধি আলাদা ভাবে দেখা করে গ্রহণযোগ্য সমাধানের জন্য চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁরা আমাদের প্রতিনিধি ও তাঁদের পরামর্শকে উপেক্ষা করে একগুয়েমী মনোভাব দেখিয়ে এসাসিয়েশনের উপদেষ্টা পরিষদ ও নির্বাহী কমিটির সাথে কোন রকম আলোচনা করেন নি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আমাদের প্রতিনিধির সাথে সামান্যতম সৌজন্যতাবোধও দেখান নি। তিনি স্বাক্ষর বিহিন একটি চিঠি টেক্সট আকারে আমাদের সভাপতি ও সেক্রেটারী প্রার্থীকে পাঠান। আমাদের চিঠির বিষয়কে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে কতৃত্ববাদী সিন্ডিকেটকে সহায়তা করার জন্য ষড়যন্ত্রের জাল আরো ব্যাপক করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতার জন্য ট্রাষ্টি বোর্ড কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বরং অনিয়মতান্ত্রিক, অসাংগঠনিক, গঠনতন্ত্রবিরোধী এবং পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের প্রতিবাদকারী সদস্যদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তার আত্মীয়ের পুলিশের কার্ড দেখিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহারের হুমকি দিলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা সদস্যদের হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ১ম তফসিলে ভোট হবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কিন্তু আউটষ্টেট/সিটির ভোটারদের ব্যালট মেইল করার কমিশনের অসাংবিধানিক সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। ১ম তফসিলে ভোট হলে কোন ব্যলট মেইল হতে পারে না। সিদ্ধান্ত মতে ২য় তফসিল গ্রহযোগ্য নয়। উল্লেখ্য যে, গঠনতন্ত্রে ধারা ২৪ (২) অনুযায়ী বাইরের সিটি/স্টেট- এ অবস্থানরত সদস্যদের ভোটাধিকারের স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও স্বাধীনভাবে নিশ্চয়তা প্রদানের লক্ষে সদস্যবৃন্দ ভোট কেন্দ্রে শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রদান করবেন। নির্বাহী কমিটিতে অনুমোদনের পর যৌথসভায় পাসের পর সাধারণ সভায় পাস করে তা গঠনতন্ত্রে সংযোজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আমরা আউটষ্টেট/সিটির ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা চাই এবং তা বিতকের্কর উর্দ্ধে রাখার পক্ষে। এব্যাপারে প্রয়োজনে যৌথ সভা ও সাধারণ সভা করে সাধারণ সদস্যদের মতামত নিয়ে গঠনতন্ত্র সংশোধন করার জন্য আমরা ট্রাষ্টি বোর্ড বরাবর চিঠিও দিয়েছিলাম। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করার জন্য বারবার বলেছিলাম। কিন্তু এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ না নিয়ে আরো ৩ জনকে দায়িত্ব দিয়ে ট্রাষ্টি বোর্ড গঠনতন্ত্র পূণরায় লংঘন করেছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৫ সদস্যের নির্বাচন কমিশন আলোচনা করে স্দ্ধিান্ত নিবেন। এখানে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেয়ার সুযোগ নেই। গঠনতন্ত্রের ধারা ২১ (৪), ২১ (৩), ২১ (৭), ২৩ এবং ২৪ (২) লঙঘন করায় নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়েছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দায়িত্ব পালনে অপারগ হওয়ায় নির্বাচন কমিশনকে বাতিল করতে হবে।
এছাড়া ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ২০১৭ সালের জানুয়ারী থেকে ২০১৯ সালের ভোটার তালিকা চুড়ান্ত হওয়া পর্যন্ত সকল নতুন সদস্যের ভর্তি ফরম, রিসিট বই, ভর্তির প্রমাণ পত্র, রেজি: বুক সাবেক সেক্রেটারী লতিফুর রহমান লিটন ও মশিউর রহমান সবুজের নিকট হস্তান্তর করতে বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আমরা মনে করি ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যান উদ্দেশ্যমূলকভাবে সমিতির কাগজপত্র দখলে নেবার জন্য এ চিঠিটি দিয়েছেন। ট্রাষ্টি বোর্ডের কোন সভায় এবিষয়ে কাগজপত্র হস্তান্তরের আলোচনা হয়নি বলে আমরা জানতে পারি। কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবেন। ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সদস্য বাচাই কমিটি সদস্য ফরম সমূহ পরীক্ষা স্বাক্ষর করেছেন। অডিট কমিটি রিসিট বইগুলো বারবার চেক করেছেন। সদস্য বাচাই ও অডিট কমিটির জন্য সাধারণ সভা দেরীতে করতে হয়েছে। ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যানের স্বেচ্ছাচারী ও অগঠনতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত নির্বাচন না দিয়ে দায়িত্ব দখলের ষড়যন্ত্রের অংশ। আমরা কমিটির নিকট কোন কাগজপত্র কাউকে হস্তান্তর না করার অনুরোধ করছি।
ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্যগণ মৌখিকভাবে নির্বাচন কমিশন পূনর্গঠন সহ আউট ষ্টেট/সিটির ভোট মেইলের অসাংবিধানিক সিদ্ধান্ত বাতিলের কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু এক অজানা কারণে কর্তৃত্ববাদী সিন্ডিকেটের নির্দেশনায় ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান গঠনতন্ত্র বিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এ নির্বাচন সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও নানা অজুহাতে একটি সিন্ডিকেট নির্বাচনকে বিলম্বিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যানের বিভিন্ন পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে, তিনি নির্বাচন না করে অচালবস্থা তৈরী করার চেষ্টা চালাচ্ছেন যাতে নির্ধারিত মেয়াদের পর ট্রাষ্টি বোর্ড দায়িত্ব নিতে পারেন। বার বার সাধারণ সভা পিছানো, গঠনতন্ত্র বহির্ভূতভাবে সদস্য ফরম বাচাই, অডিট কমিটিকে রিপোর্ট প্রদানে বিলম্বিত ও প্রভাবিত করা, তাঁর বাসায় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থদের নিয়ে আলোচনা করা, নির্বাচন কমিশনের উপর কর্তৃত্ব করা এবং আউট ষ্টেট/সিটির ভোট নিয়ে অসাংবিধানিক সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন এবং উক্ত সিন্ডিকেটের পক্ষে কাজ করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আমরা মনে করি বর্তমান নির্বাচন কমিশন দ্বারা কোন অবস্থাতেই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব নয়। ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্যগণ তত্ত্বাবধান, তদারকি বা পর্যবেক্ষণের ভুল ব্যাখ্যা করে প্রার্থীকে বা তার এজেন্টকে হয়রানী করতে ও নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারেন। তাই আমরা বর্তমান ট্রাষ্টি বোর্ডকে নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে অনুরোধ করছি।
কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন কতিপয় সদস্যের খাম খেয়ালীপনার কারণে আজ গঠনতান্ত্রিক জটিলতার সম্মুখিন। সমিতির নিয়মিত কার্যক্রম আজ স্থবির। ২য় বাড়ীর সকল ভাড়াটিয়া চলে গেলেও সভাপতির ইচ্ছাকৃত অসহযোগীতার ফলে কিছু সংস্কার কাজ না করায় নতুন করে ভাড়া দেওয়া যাচ্ছেনা। এব্যপারে অতিদ্রুত বাড়ীটি সংস্কার করে ভাড়া দেওয়ার জন্য সভাপতির নিকট আহবান জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, নির্বাহী কমিটি নির্বাচন করার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ও ট্রাষ্টি বোর্ড অগঠনতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত দিয়ে নির্বাচন বানচাল করেছে। নির্বাচিত কমিটির থেকে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য বিতর্কিত ট্রাষ্টি বোর্ড ষড়যন্ত্র করছে। আমরা কোন বিতর্কিত ও গঠনতন্ত্র লঙঘনকারী ট্রাষ্টি বোর্ডের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তরের পক্ষে নই। সাধারণ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে।
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK