পপসম্রাট আজম খানের অবস্থার অবনতি

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: পপসম্রাট আজম খানের শারীরিক অবস্থা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও গতকাল নাগাদ অবনতি ঘটে। গতকাল সকালের দিকে তার রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ একেবারেই কমে যায়। এরপর তার শরীরে দ্রুত দুই ব্যাগের মতো রক্ত দেয়া হয়। এমনটাই জানালেন আজম খানের বড়কন্যা ইমা খান। সিএমএইচ-এ কর্তব্যরত চিকিৎসক কর্নেল পাশা’র বরাত দিয়ে ইমা খান মানবজমিনকে আরও বলেন, যতটুকু জেনেছি বাবার শরীর ক্রমাবনতির দিকেই যাচ্ছে। সিটিস্ক্যানসহ বেশ ক’টি পরীক্ষার ফলাফল তেমনই ইঙ্গিত বহন করছে। কিডনি-লিভার-ফুসফুস-হাড় এবং রক্তে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে। এক একটি দিন যাচ্ছে আর যেন আমাদের চারপাশটা অন্ধকার হয়ে আসছে। এদিকে আরও জানা যায়, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনীতে গড়া সিএমএইচ হাসপাতালে আজম খানের ভক্ত কিংবা শুভানুধ্যায়ীদের যাওয়ার সুযোগ খুব একটা নেই। যেমনটা ছিল স্কয়ার হাসপাতালে। শুধু তাই নয়, সিএমএইচ-এ কন্যা ইমা খান কিংবা হৃদয় খানও এখন আর রাতের বেলায় অবস্থান করছেন না বলে জানা যায়। দিনের বেলায় ভিজিটিং আওয়ারে দেখা করে, কর্তব্যরত ডাক্তারদের সঙ্গে আলাপ করে চলে আসেন। এদিকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা এবং না রাখা সম্পর্কে ইমা খান বলেন, এখানে বাবার চিকিৎসা সেবায় কোন রকমের ঘাটতি নেই। শতভাগ আন্তরিকতার মধ্য দিয়ে তারা আমার বাবাকে আগলে রাখার চেষ্টা করছেন। যতদিন সম্ভব বাবাকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হবে। বাবা বাঁচবেন না ভেবে আগাম লাইফ সাপোর্ট খুলে দেয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। বাবা এখন সিএমএইচ-এ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা আর হেফাজতে রয়েছেন। ফলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা অপেক্ষায় থাকবো- প্রার্থনা করবো বাবার ফিরে আসার জন্য। প্রসঙ্গত, সংগীতশিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা আজম খানকে চিকিৎসাসেবার জন্য বুধবার রাতে স্কয়ার হাসপাতাল থেকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে বিশেষায়িত আইসিইউতে আগের মতোই লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, বুধবার সকালে প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান আজম খানকে দেখতে স্কয়ার হাসপাতালে গেলে আজম খানের পরিবার থেকে আবেদন জানানো হয়, তাকে যেন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। প্রেসিডেন্টের ইতিবাচক আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার রাতেই আজম খানকে সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়। আরও উল্লেখ্য, গত ২২শে মে আজম খান তার হাতে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। ওই দিনই দ্রুত তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এর আগে গত বছর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে আজম খানের মুখগহ্বর-জিহ্বার নিচে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর ১৪ই জুলাই উন্নত চিকিৎসার জন্য শিল্পীদের সম্মিলিত উদ্যোগে পাঠানো হয় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে। তারপর ২০শে জুলাই মাউন্ট এলিজাবেথ মেডিকেল সেন্টারের ইএনটি হেড-নেক সার্জন বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্র- লয় হেং চেংয়ের তত্ত্বাবধানে আজম খানের মুখে সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। সর্বশেষ ২৭শে ডিসেম্বর ২০১০-এ ২১টি টমোথেরাপি (রেডিওথেরাপি) ও একটি কেমোথেরাপি নেয়ার পর কয়েকটি থেরাপি বাকি রেখেই তিনি দেশে ফিরে আসেন।মানবজমিন
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের