Saturday, 24 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

আমেরিকা-অস্ট্রেলিয়া-ইউরোপ-এশিয়ার ৫১ দেশের অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশে স্বাস্থ্য-বীমা প্রবর্তনে কাজ করতে চান ড. রায়ান সাদী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 155 বার

প্রকাশিত: January 25, 2020 | 12:03 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্বাস্থ্য বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের টিমের অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, এশিয়ার ৫১ দেশের চিকিৎসা-সেবা সহজলভ্য করা নিয়ে কর্মরত বাংলাদেশি আমেরিকান ড. রায়ান সাদী বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন, ‘ভারতের চেয়েও বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান অনেক উন্নত এবং নির্ভরযোগ্য হওয়া সত্বেও বাংলাদেশের রোগীরা ছুটছেন বিদেশে। এটি শুধুমাত্র মানসিক প্রশান্তি, এর বেশী কিছু নয়।’ 

নিউইয়র্ক সংলগ্ন নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যে সপরিবারে বসবাসরত ড. সাদী গত বছর স্বাস্থ্য-সেবা নিয়ে সারাবিশ্বে কর্মরতদের মধ্যে শীর্ষে অবস্থানকারী পাঁচজনের একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি এমন সব জটিল রোগের চিকিৎসা-পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করছেন যার ওষুধ এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। এমন রোগের আবিষ্কৃত ওষুধের দাম মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। মানবতার সামগ্রিক কল্যাণে নিবেদিত ড. সাদী ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস করার পর কিছু সময় শিক্ষকতা করেন। এরপর ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এসে বিশ্বখ্যাত ইয়েল ইউনিভার্সিটি থেকে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন। টানা ২৫ বছর মানবতার সেবা করার পর মাতৃভূমিতে ফিরে কিছু করার তাগিদ অনুভব করছেন পাবনার রুপপুরের সন্তান ড. সাদী। মুক্তিযুদ্ধে পরিবারের ১১ জনকে হারিয়ে দেশান্তরী হওয়া ড. সাদীর উপলব্ধিতে এসেছে, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ এক মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হতে পেরেছে। 

এ প্রসঙ্গে একান্ত এক সাক্ষাতকারে ড. সাদী এনআরবি নিউজের এ সংবাদদাতাকে বলেন, ‘আগে যা কল্পনাও করতে পারিনি, এখন তা বাস্তবে দৃশ্যমান হয়েছে। যুক্তরাজ্য, জার্মানী, ইটালি, চীন, ভিয়েতনাম, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নেদারল্যান্ড, ব্রাজিল প্রভৃতি দেশে মাঝেমধ্যেই সেমিনারে স্বাস্থ্য-সেবা নিয়ে উদ্ভাবনী বক্তব্য দিতে হচ্ছে। চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সর্বজনীন করা নিয়ে চলমান গবেষণার আলোকে কথা বলতে হয়। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে সকলের জন্যে চিকিৎসা নিশ্চিতে কী পদক্ষেপ অবলম্বন করা দরকার, সে ব্যাপারেও মতামত রাখতে হচ্ছে। এ পেশায় ১২ বছরের অধিক সময় যাবত রয়েছি।’ 

ড. সাদী সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার আলোকে অত্যন্ত অহংকারের সাথে উল্লেখ করেন, দু’বছর আগে বাংলাদেশ ভ্রমণের পর নিজেকে খুব সম্মানীতবোধ করছি। তার বহি:প্রকাশ ঘটাতে বিভিন্ন দেশের সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে নিজেকে বাঙালি হিসেবে পরিচিত করার সাহস পেয়েছি। বাংলাদেশের মানুষ আমি-এটি জানার পর অনেকেই মুগ্ধ নয়নে কাছে ডাকেন। শুভেচ্ছা বিনিময়ের পরই জানতে চান যে কীভাবে সম্ভব হচ্ছে বাংলাদেশ এগিয়ে চলা। ছোট্ট একটি দেশ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে জর্জরিত। জনসংখ্যার ঘনত্ব অবিশ্বাস্য। তারপরও দারিদ্র বিমোচনে অবিস্মরণীয় ভূমিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। কীভাবে এটি সম্ভব হচ্ছে। এমন কৌতুহলের জবাব আমি যতটা গুছিয়ে সম্ভব বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে দিচ্ছি। তবে সবচেয়ে বেশী কথা বলতে হচ্ছে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা প্রদানকারি বঙ্গবন্ধুর জাদুকরি নেতৃত্ব প্রসঙ্গে। সেই নেতার সুযোগ্য কন্যা হিসেবে শেখ হাসিনা আবির্ভূত হয়েছেন বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে টেনে নেয়ার জন্যে। আমি গভীর শ্রদ্ধায় নিবিষ্ট হয়ে শীর্ষস্থানীয় নীতি-নির্দ্বারকদের সাথে যখন বাংলাদেশকে উপস্থাপন করি সকলেই উৎসাহ প্রকাশ করেন। সচক্ষে বাংলাদেশ দেখার আগ্রহ ব্যক্ত করতেও শুনি। কী যে আনন্দ লাগে-তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না।’ 

ড. সাদী উল্লেখ করেন, ‘অভূতপূর্ব উন্নয়নের অর্জনকে ধরে রাখতে হবে,চিকিৎসা-সেবাকে টেকসই করতে হবে। আর এজন্যে দরকার সুদূর প্রসারি অর্থনৈতিক-চিকিৎসা কাঠামো তৈরি করা। প্রতিটি বাংলাদেশি যাতে চিকিৎসা-সেবার নিশ্চয়তা পান সে ব্যাপারে একটি কৌশল অবলম্বন করতে হবে।’ 

ড. সাদী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে হেল্থ ইন্স্যুরেন্স প্রচলিত রয়েছে। এটি আগে তেমনভাবে ছিল না। বহুল প্রচলনের কার্যক্রম শুরু হয় আমার মত শ’খানেক মানুষের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিমের পরামর্শক্রমে। সে অভিজ্ঞতার আলোকে এখন আমি ৫১টি দেশের চিকিৎসা-সেবার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করছি। পরিবর্তিত পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে এমন সব রোগের বিস্তার/আবির্ভাব ঘটছে-যার চিকিৎসা আবিষ্কার হয়নি। আমরা সে সব রোগ নিয়ে গবেষণা করছি। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রোগের ওষুধ প্রস্তুত করাও সম্ভব হয়েছে।’ 

ড. সাদী বলেন, ‘মানুষের অসাধ্য কিছু নেই। আন্তরিকতা নিয়ে চেষ্টা করলে সবকিছুই সাধন করা সম্ভব-এর প্রমাণ বহুভাবে দৃশ্যমান হতে দেখেছি চিকিৎসা-সেবা পরিমন্ডলে। পাশাপাশি বাংলাদেশকেও ঘুরে দাঁড়াতে দেখছি অবাক বিস্ময়ে।’ 

বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনী-চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে কর্মরতদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ১০০ চিকিৎসকের একজন হিসেবে ২০১১ এবং ২০১৫ সালে নির্বাচিত হন ড. সাদী। এ স্বীকৃতি দেয় ‘ফার্মা ভয়েস’ নামক চিকিৎসা-সাময়িকী। স্বাস্থ্য-সেবায় আন্তর্জাতিক পলিসি তৈরির ক্ষেত্রে ড. সাদীর প্রশংসা এতটাই ব্যাপক যে, তার একমাত্র সন্তান এমিলি সাদীও ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির পরই বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করছেন। তিনিও বাবার মতই নীতি-নির্ধারণী বক্তব্য রাখছেন বিষয়ভিত্তিক সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে। ইউরোপেও তার বক্তব্যের পরিধি বিস্তৃত হয়েছে। চিকিৎসা-বিজ্ঞানে ভর্তির প্রথম বছরেই এমিলি সকলের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। ডিপার্টমেন্ট অব ক্রনিক ডিজিজ এপিডেমিয়োলজির প্রথম বর্ষের ছাত্রী এমিলি হাই স্কুলে অধ্যয়নরত অবস্থায় একটি রচনা লিখেছিলেন নতুন রোগের চিকিৎসা-সেবায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ক্যামন হওয়া উচিত সে আলোকে। ওষুধের মূল্য ক্রমাগতভাবে বাড়তে থাকায় মানুষের পক্ষে উচ্চমূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না বলে মানুষের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে ওষুধের মূল্য কীভাবে নির্ধারণ করা যায় তা নিয়ে মতামত প্রকাশ করেছিলেন এমিলি। নিজ এলাকার কংগ্রেসম্যান ফ্র্যাঙ্ক পেলনের আমন্ত্রণে সম্প্রতি ক্যাপিটল পরিভ্রমণের সময়েও মার্কিন নীতি-নির্ধারকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন এমিলি। এ সময় কংগ্রেসম্যানরা তাকে ‘বাপ কা বেটি’ হিসেবেও মন্তব্য করেছেন। 

ড. সাদীর স্ত্রী জুডি আহমেদও চিকিৎসক। ডেন্টাল সার্জেন্ট হিসেবে নিউজার্সিতে বড় একটি ক্লিনিক পরিচালনা করছেন। অর্থাৎ পুরো পরিবার চিকিৎসা-ব্যবস্থার সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। 

ড. সাদী বলেন, বাংলাদেশ আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। এমবিবিএস পর্যন্ত লেখাপড়ার খরচ বহন করেছে। সেটি হচ্ছে আমার জীবনের ভিত। তাই এখন সময় হচ্ছে মাতৃভূমির দায়মুক্তির।

ড. সাদী উল্লেখ করেন, আগে এমনভাবে ভাবতে পারিনি। এখন ভাবছি নিজ গ্রামে ফিরে যাবো। তেমন সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে। মানুষের জন্যে প্রকৃত অর্থে কিছু করার মত অবস্থা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা-ব্যবস্থায় আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, তার আলোকে বাংলাদেশেও সর্বজনীন চিকিৎসা-সেবা  (হেলথ ইন্স্যুরেন্স) ব্যবস্থা করা যেতে পারবে। এক সাথে হয়তো সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে তার প্রসার ঘটানো সম্ভব। মানুষের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটায় আনুষঙ্গিক বিষয়েও নিশ্চয়ই সমাজে সচেতনতা তৈরি হয়েছে। 

জনশন অ্যান্ড জনশনের গ্লোবাল প্রধান হিসেবে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৬ বছর ২ মাস দায়িত্ব পালন করেছেন ড. সাদী। এরপর যোগদান করেছেন সারাবিশ্বে মারাত্মক রোগ হিসেবে বিবেচিত (যে রোগের ওষুধ তৈরি হয়নি এখনও) রোগের চিকিৎসা-ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণারত প্রতিষ্ঠান ‘সিএসএল বেহরিং’-এর গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে। একইসাথে ম্যারিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোরে অবস্থিত ফেডারেল প্রশাসনের ‘সেন্টার ফর মেডিকেয়ার এ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিস’র প্রভাবশালী মেম্বার হিসেবে গত ১০ বছর যাবত দায়িত্ব পালন করছেন।
মার্কিন নীতি-নির্ধারকদের মধ্যেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা কানে আসে বলে ড. সাদী জানান। সকলেই অবাক, কীভাবে বাংলাদেশ এগুচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা সেতু থেকে বিশ্বব্যাংক পিছু টান দেয়ার পর নিজস্ব অর্থে বিরাট এই প্রকল্পে হাত দেয়ার পর শেখ হাসিনার সাথে গোটা জনগোষ্ঠির সম্পৃক্ততার বিষয়টি মার্কিন রাজনীতিকদের অভিভূত করেছে বলে মনে করছেন ড. সাদী। তাই নিজেও বাংলাদেশকে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে একজন সাহসী কর্মী হিসেবে নিযুক্ত করার কথা ভাবছেন। স্বেচ্ছায় মেধার বিনিয়োগ ঘটাতে আগ্রহী বাংলাদেশের চিকিৎসা-সেবাকে যুগোপযোগী করতে। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশের চিকিৎসা-ব্যবস্থায় যুগান্তকারী অগ্রগতিসাধিত হয়েছে। এর কোয়ালিটি মেইনটেইন করতে হবে। তিনি বলেন, কোনো দেশেরই অফুরন্ত সম্পদ নেই চিকিৎসা খাতে ব্যয় করার। এ অবস্থায় পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হচ্ছে। মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে চিকিৎসা-পদ্ধতি ঢেলে সাজাতে পারলে অর্থনৈতিক সংকট বড় একটি বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, যুক্তরাষ্ট্রে মোট বাজেটের ১৮% ব্যয় করা হয় চিকিৎসা-সেবা খাতে। এর পরিমাণ ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। অপরদিকে, জার্মানীতে জিডিপির পরিমাণ ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। সেখানে স্বাস্থ্যখাতে মাত্র ৪% ব্যয় করা হচ্ছে। 

ডা. সাদী বলেন, বাংলাদেশে চিকিৎসা-সেবা নিয়ে চিন্তা-ভাবনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ৫১ দেশে কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে নিজ জন্মস্থানের জন্যে কিছু করতে চাই সে তাগিদেই।এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ