Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

কিভাবে, কখন সূর্য্যের মৃত্যু ঘটবে!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 64 বার

প্রকাশিত: September 5, 2021 | 12:55 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক: পৃথিবীর শক্তির প্রধান উৎস সূর্য্যও একদিন মরে যাবে! সত্যি যদি সূর্য্যটা মরে যায়, কিভাবে মরবে সে! মৃত্যুর আগে দেখতে কেমন হবে! এসব নিয়ে বিজ্ঞানীরা নানা রকম পূর্বাভাস দিয়েছেন। তারা বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, আমাদের সৌরজগতের ইতি ঘটবে কেমন করে, কখনইবা তা ঘটবে। তবে যখনই তা ঘটুক, তা প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাবে না মানবজাতি বা কোনো পার্থিব প্রাণি। কারণ, তার আগেই প্রাণ টিকে থাকার পরিবেশ শেষ হয়ে যাবে পৃথিবী থেকে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সায়েন্স এলার্ট।
এতে বলা হয়েছে, আগে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মনে করতেন এক সময় সূর্য্য পরিণত হবে একটি প্লানেটারি নেবুলা বা নীহারিকায়। তখন তা হবে উজ্বল গ্যাস ও ধুলিকণার একটি পিণ্ড। যথেষ্ঠ পরিমাণ ভারি না হওয়া পর্যন্ত এ অবস্থা চলতে থাকবে।
কিন্তু ২০১৮ সালে এমন পূর্বাভাস থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদদের একটি টিম। তারা দেখতে পেলেন যে, প্লানেটারি নেবুলা হলো একটি সৌরজগতের মৃত্যু দশা। সূর্য্যের বয়স প্রায় ৪৬০ কোটি বছর। সৌরজগতের অন্য বস্তুর বয়সের ওপর ভিত্তি করে এই বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ, সৌরজগতের সঙ্গে সঙ্গে একই সময়ে সৃষ্টি হয়েছে সূর্য্যের এমনটা ধরা হয়। অন্যান্য নক্ষত্রের ওপর পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে জ্যোতির্বিদরা পূর্বাভাস দিয়েছেন যে, সূূর্য্যের মৃত্যু ঘটতে পারে আরো ১০০০ কোটি বছর পর।
এ সময়ে আরো ঘটনা ঘটবে। প্রায় ৫০০ কোটি বছরের মধ্যে সূর্য পরিণত হবে একটি লাল জায়ান্টে। অর্থাৎ সূর্য্যের রঙ হবে টকটকে লাল। এর কেন্দ্রীয় অংশ ক্রমশ সঙ্কুচিত হবে। এর বাইরের স্তর বিস্তৃত হবে মঙ্গলগ্রহ পর্যন্ত। এর ফলে যা ঘটবে তা হলো, এই প্রক্রিয়ায় আমাদের গ্রহ পৃথিবী যদি তার অবস্থানে স্থির থাকে, তাহলে তাকে গ্রাস করবে সূর্য্য।
একটি বিষয় নির্দিষ্ট। ওই সময় নাগাদ আমরা কেউই পৃথিবীতে টিকে থাকবো না। ফলে প্রায় ১০০ কোটি বছরের মধ্যে যদি মানবজাতি অন্য কোথাও তার স্থান খুঁজে না নেয়, তাহলে সমাপ্তি ঘটবে এই জাতির, তথা পৃথিবীর প্রাণের। এর কারণ, প্রতি ১০০ বছরে সূর্য্য তার ঔজ্বল্য বৃদ্ধি করে শতকরা প্রায় ১০ ভাগ করে। এ কথা শুনতে অনেক বেশি বাড়িয়ে বলা মনে হতে পারে। কিন্তু এই ঔজ্বল্য বৃদ্ধির কারণে পৃথিবীতে প্রাণের ইতি ঘটবে। সমুদ্রগুলো বাষ্পীভূত হয়ে খরখরে হয়ে যাবে। পৃথিবীপৃষ্ঠ এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠবে যে, এখানে আর কোনো পানির অণু সৃষ্টির সুযোগ থাকবে না।
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, একটি নক্ষত্রকে প্লানেটারি নেবুলা গঠন করতে যে পরিমাণ ঔজ্বল্য দেখা দেয়, তা তৈরি করতে মূল নক্ষত্রকে সূর্য্যের ভরের দ্বিগুণ ভরের হতে হয়। ২০১৮ সালে কম্পিউটার মডেলভিত্তিক এক গবেষণায় দেখা যায়, অন্য নক্ষত্রদের শতকরা ৯০ ভাগের মতো আমাদের সূর্য্য একটি লাল জায়ান্ট থেকে সঙ্কুচিত হয়ে একটি হোয়াইট ডর্ফ বা সাদা বামনে পরিণত হতে পারে। এরপর তার সমাপ্তি ঘটবে প্লানেটারি নেবুলায়। যখন একটি নক্ষত্র মারা যায়, তখন সে বিপুল গ্যাস এবং ধুলিকণা নির্গত করে। এটি মহাশূন্যে ‘এনভেলপ’ হিসেবে পরিচিত। একটি এনভেলপের ভর হতে হয় মূল নক্ষত্রের অর্ধেক। এটা হলো ওই নক্ষত্রের কেন্দ্রবিন্দু। এ সময়ে নক্ষত্রের টিকে থাকার জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। ফলে সে আস্তে আস্তে মারা যেতে থাকে বলে মনে করেন বৃটেনের ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারের জ্যোতির্বিদ আলবার্ট জিজলস্ট্রা।
সারা সৃষ্টিজগতে যেসব নেবুলা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে তার সঙ্গে তুলনায় প্লানেটারি নেবুলা একটি সাধারণ বিষয়। বিখ্যাত নেবুলার মধ্যে আছে হেলিক্স নেবুলা, ক্যাটস আই নেবুলা, রিং নেবুলা, বাবল নেবুলা। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ