Tuesday, 21 July 2026 |
শিরোনাম
বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation নিউইয়র্কে ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের বৈঠক: এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের আহ্বান শিশু ও নারীর কল্যাণে বিনিয়োগ সুরক্ষায় ঋণসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান ড. তিতুমীরের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ইউএসএ’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভা Trump Admin Rescinds Public Charge Rule BOROUGH PRESIDENT GIBSON ANNOUNCES SIGNIFICANT INVESTMENTS IN THE BRONX EU and G77 express support for Bangladesh’s smooth and sustainable LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের উপর আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 133 বার

প্রকাশিত: March 8, 2022 | 12:27 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ইউনেস্কো’র ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সূচনা করা হয়। এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদ-এর রুহের মাগফিরাত এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয় অনুষ্ঠানটিতে। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ এবং ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ভিডিও প্রদর্শন করা হয় অনুষ্ঠানটিতে।

আলোচনা পর্বে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ও চ্যার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. মো: মনোয়ার হোসেন। ৭ই মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি জাতিকে বজ্রকঠিন ঐক্যের পতাকাতলে সমবেত করে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণে উজ্জ্বীবিত করার মূল মন্ত্র ছিল এই ভাষণ। ইংরেজি বর্ণ ‘সি’ এর চারটি শব্দরূপ অর্থাৎ ‘কনডোলেন্স’, ‘কমিটমেন্ট’, ‘কমান্ড’ ও ‘কল’ দিয়ে তিনি এই ভাষণটিকে বিশ্লেষণ করে ১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা দিনগুলোতে এর প্রাসঙ্গিকতা ও সার্বজনীন আবেদন তুলে ধরেন। এছাড়া তার বক্তব্যে উঠে আসে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ রেজিস্টারে অন্তভূক্তিকরণ এবং জ্যাকব এফ. ফিল্ড এর ‘উই স্যাল ফাইট অন দ্যা বিছেজ্: দ্যা স্পিসেস দ্যাট ইন্সপায়ার্ড হিস্ট্রোরি’ নামক খ্যতনামা গ্রন্থে এই ভাষণের স্থান লাভসহ এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও মর্যাদার নানা দিক। ৭ই মার্চের ভাষণের মর্মবাণী ধারণ করে কর্মে ও চিন্তায় এর প্রয়োগ এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এটি চির জাগরুক রাখতে উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানান ড. মো: মনোয়ার হোসেন।
জাতির পিতার এই ভাষণে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একজন সুযোগ্য রাষ্ট্রনায়কের সুচিন্তিত কৌশলের সবটুকুই প্রতিভাত হয়েছে মর্মে মন্তব্য করেন অন্যান্য আলোচকগণ।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রমনার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতার দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’-এ অন্তর্ভুক্ত করে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV