Saturday, 5 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

আফ্রিকান আমেরিকান উইনফ্রে : হতদরিদ্র থেকে শীর্ষ ধনী এক নারী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 89 বার

প্রকাশিত: December 26, 2014 | 6:35 AM

ধনী পরিবার থেকে কেউ জন্ম নিয়ে পরবর্তীতে আরও ধনী হবে এটাই স্বাভাবিক। অন্যদিকে একেবারে হতদরিদ্র থেকে উঠে এসে বিশ্বের প্রভাবশালী কেউ হবেনÑ এটা রীতিমতো চমকই বটে। অপরাহ গেইল উইনফ্রে এমনই এক নারী। তাকে থাকতে হয়েছে দীর্ঘ সময় পিতৃপরিচয়হীন। জন্ম ২৯শে জানুয়ারি ১৯৫৪। যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে। অবিবাহিত গৃহপরিচারিকা ভারনিতা লির ঘরে। বাবা ভারনন উইনফ্রে। পেশায় নরসুন্দর। বাবা-মার সঙ্গে একত্রে থাকার কপাল ছিল না উইনফ্রের। আর্থিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে ভারনিতা লি মেয়ের জন্য খাবার পর্যন্ত কিনতে অক্ষম হয়ে পড়েছিলেন। কিছুদিন পরে উইনফ্রেকে মার সঙ্গে নানির বাড়ীতে ঠাঁয় নিতে হয়েছিল। সেখানেও চরম দৈন্যদশায় দিন কাটছিল তাদের। না ছিল পর্যাপ্ত খাবার না ছিল পোশাক। নানিবাড়ীর আত্মীয়দের হাতে রোজ নির্যাতনের শিকার হতে হত মা-মেয়েকে। কখনও মা-মেয়ে একত্রে কাজ করতো অন্যর বাড়িতে। নিকট আত্মীয়দের বাড়ীতেও ।
উইনফ্রেকে নিয়ে তার সমবয়সীরা প্রায় হাসাহাসি করতো। কারণ উইনফ্রের পোশাক-আশাক ছিল একেবারের নিচু মানের। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। মাত্র নয় বছর বয়সেই নিকটাত্মীয়দের দ্বারাই যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয় উইনফ্রেকে। মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন উইনফ্রে, জন্মের কিছুদিন পর শিশুটি মারা যায়। অবশ্য নানির বাড়িতেই তার পড়ালেখার হাতেখড়ি।
স্কুলে পড়াকালে উইনফ্রে টেনিসি রাজ্যের স্থানীয় একটি রেডিও স্টেশনে চাকরি পেয়ে যান সান্ধ্যকালীন খবরের উপস্থাপিকা হিসেবে। উইনফ্রের সুদিন আসতে শুরু করে। পরে তার পারদর্শিতা দেখে দিবাকালীন টক-শো এএম শিকাগো উপস্থাপন করতে দেয়া হয়।
শিকাগোর এই তৃতীয় সারির টকশো যখন অপরাহর হাত ধরে প্রথম সারিতে জায়গা করে নেয়। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। তিনি ভুলতে শুরু করেন তার দুঃখময় অতীতকে। অপরাহ নিজের  প্রোডাকশন কোম্পানি খুললেন এবং আন্তর্জাতিক প্রচারে চুক্তিবদ্ধ হন। শিকাগোর সেই এএম শিকাগোই বর্তমানের দি অপরাহ উইনফ্রে শো।
এই শো টেলিভিশনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি প্রচারিত বলে গণ্য। নিজে ম্যাগাজিন প্রকাশের পাশাপাশি তিনি একজন সাহিত্য সমালোচক এবং অ্যাকাডেমি এওয়ার্ড মনোনীত অভিনেত্রীও। বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে ধনী আফ্রিকান আমেরিকান এবং সর্বকালের সেরা আফ্রিকান আমেরিকান মানবহিতৈষীও হবার যোগ্যতা অর্জন করেন তিনি। পরপর তিন বছর তিনি বিশ্বের অনন্য কালো কোটিপতি হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। কারো কারো মতে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মহিলা। ২০০৮ সালের জুনে প্রকাশিত ফোর্বস ম্যাগাজিন প্রকাশিত ২০০৮ সালের ১০০ জনপ্রিয় প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় পরপর দ্বিতীয়বারের মতো সর্বোচ্চ স্থান দখল করেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ