আমেরিকায় দারিদ্র্য

যুক্তরাষ্ট্রে দরিদ্র লোকের সংখ্যা গত বছর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৬৫ লাখে। ২০১১ সালে পৃথিবীর বৃহত্তম অর্থনীতির এ দেশটিতে দরিদ্র লোকের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৬২ লাখ।
এখন দেশটির ১৫ শতাংশ লোক দরিদ্র। ২০০৯ সালে আমেরিকা অর্থনৈতিক মন্দা থেকে বেরিয়ে এলেও দেশটির দরিদ্র লোকের সংখ্যা কমেনি। এজন্য কর্মসংস্থানের ধরন পরিবর্তন এবং সামাজিক নিরাপত্তা জালকে আরও কঠিন করাকে দায়ী করছেন অনেক বিশ্লেষক।
গত বছর আমেরিকার দরিদ্র এসব লোকের চার সদস্যের একটি পরিবারের আয় ছিল ২৩ হাজার ৪৯২ ডলার বা প্রায় ১৮ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
যুক্তরাষ্ট্রের পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যে দেখা যায়, এ সময় গড়ে পরিবারপ্রতি আয় ছিল ৫১ হাজার ১৭ ডলার। সংস্থার হিসাবে আমেরিকার ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ৩৯ লাখ লোক দরিদ্র।
পেন স্টেট ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞানী জন আইসল্যান্ড বলেন, ‘দরিদ্র লোকের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকায় এটাই প্রমাণিত হচ্ছে, অর্থনীতিতে যে সামান্য উন্নতি হয়েছে তার সুফল সবাই সমানভাবে পায়নি।’
পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যে দেখা যায়, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি ২৭.২ শতাংশ, এরপরে রয়েছে হিসপ্যানিক ২৫.৬ শতাংশ, এশিয়ান ১১.৭ শতাংশ এবং শ্বেতাঙ্গ ৯.৭ শতাংশ। দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি মিসিসিপিতে, ২২ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম নিউ হ্যাম্পশায়ারে, ৮.১ শতাংশ। সূত্র : বিবিসি/আমার দেশ
এখন দেশটির ১৫ শতাংশ লোক দরিদ্র। ২০০৯ সালে আমেরিকা অর্থনৈতিক মন্দা থেকে বেরিয়ে এলেও দেশটির দরিদ্র লোকের সংখ্যা কমেনি। এজন্য কর্মসংস্থানের ধরন পরিবর্তন এবং সামাজিক নিরাপত্তা জালকে আরও কঠিন করাকে দায়ী করছেন অনেক বিশ্লেষক।
গত বছর আমেরিকার দরিদ্র এসব লোকের চার সদস্যের একটি পরিবারের আয় ছিল ২৩ হাজার ৪৯২ ডলার বা প্রায় ১৮ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
যুক্তরাষ্ট্রের পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যে দেখা যায়, এ সময় গড়ে পরিবারপ্রতি আয় ছিল ৫১ হাজার ১৭ ডলার। সংস্থার হিসাবে আমেরিকার ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ৩৯ লাখ লোক দরিদ্র।
পেন স্টেট ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞানী জন আইসল্যান্ড বলেন, ‘দরিদ্র লোকের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকায় এটাই প্রমাণিত হচ্ছে, অর্থনীতিতে যে সামান্য উন্নতি হয়েছে তার সুফল সবাই সমানভাবে পায়নি।’
পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যে দেখা যায়, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি ২৭.২ শতাংশ, এরপরে রয়েছে হিসপ্যানিক ২৫.৬ শতাংশ, এশিয়ান ১১.৭ শতাংশ এবং শ্বেতাঙ্গ ৯.৭ শতাংশ। দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি মিসিসিপিতে, ২২ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম নিউ হ্যাম্পশায়ারে, ৮.১ শতাংশ। সূত্র : বিবিসি/আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








