নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট এবং এসেম্বলি হাউসে আগামী ২৩ মার্চ সোমবার ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন করা হবে। ১০ম বারের মতো নিউইয়র্ক স্টেটের রাজধানী আলবেনীতে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হবে ‘বাংলাদেশ ডে’ হিসেবে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে এদিন আলবেনীর ক্যাপিটাল হিলে আবারো উড়বে বাংলাদেশের পতাকা। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম’র।
‘বাংলাদেশ ডে’ যথাযথভাবে উদযাপনের লক্ষে গত ৭ মার্চ শনিবার ব্রঙ্কসের স্টারলিং-বাংলাবাজার এলাকার হাসান চাইনিজে কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় সভাপতিত্ব করেন আবদুস শহীদ। মো. শামিম মিয়ার পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জুনেদ আহমেদ চৌধুরী, মাহবুব আলম, রোকন হাকীম, শামিম আহমেদ, শেখ জামাল হোসেন, মনজুর চৌধুরী জগলুল, এ ইসলাম মামুন, নূরে আলম জিকু, কাজী রবি উজ্জামান, নুরুল ইসলাম মিলন, মুনতাসিম বিল্লাহ তুষার, সরাফত আলী পাটোয়ারী মাস্টার প্রমুখ।
ব্যাপক আয়োজনে দিবসটি উদযাপনের লক্ষে গঠন করা হয় একটি আহ্বায়ক কমিটি। এ উদযাপন কমিটির কর্মকর্তারা হলেন : চেয়ারম্যান জুনেদ আহমেদ চৌধুরী, কো-চেয়ারম্যান রোকন হাকীম, সামাদ মিয়া জাকারিয়া ও এইচ এম ইকবাল।
আহ্বায়ক মো. শামিম মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক শামিম আহমেদ, প্রধান সমন্বয়কারী মনজুর চৌধুরী জগলুল, সমন্বয়কারী নূরে আলম জিকু, কাজী রবি উজ্জামান, নুরুল ইসলাম মিলন ও মুনতাসিম বিল্লাহ তুষার, সদস্য সচিব এ ইসলাম মামুন, যুগ্ম সদস্য সচিব রেজা আব্দুল্লাহ।
প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ এন মজুমদার, উপদেষ্টা আবদুস শহীদ, আবদুল হাসিম হাসনু, আবদুর রহিম বাদশা, সাখাওয়াত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুর আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল চৌধুরী, শেখ জামাল হোসেন, খবির উদ্দিন ভূইয়া, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এ খালেক, ইমরান শাহ রন, সাইদুর রহমান লিংকন, এডভোকেট রেদওয়ানা রাজ্জাক এবং সরাফত আলী পাটোয়ারী মাস্টার।
সদস্য : ইসকান্দর আলী মিন্টু, জামাল আহমদ, জহিরুল ইসলাম, কলি চৌধুরী, সাদিকুর রহমান প্রমুখ।
‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন কমিটির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাহবুব আলম।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনায় থাকবে বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস-বাফা।
সভায় ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপনে সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, অন্যান্যবারের মতো এবারও নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট এবং এসেম্বলিতে বাংলাদেশ ডে উদযাপনের জন্য ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। পূর্ণ মর্যাদায় স্টেটের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানমালা থাকবে। স্টেট সিনেট হাউজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আলবেনী হলে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মানে এক অভ্যর্থনা পার্টির আয়োজন করা হবে। এসময় বিভিন্ন জনকে সম্মাননা প্রদান ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।
সভায় জানান হয়, এদিন নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের ওপর রেজুলেশন গ্রহণ করা হবে। সিনেট অধিবেশনের রেজুলেশনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হবে। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, গীতা ও বাইবেল পাঠের মধ্য দিয়ে সিনেটে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এসময় বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হবে। সিনেট গ্যালারি এদিন পুরোটাই সংরক্ষিত থাকবে বাংলাদেশীদের জন্য।
উদযাপন কমিটি জানায়, বাংলাদেশ ডে বাংলাদেশ, বাংলাদেশী-আমেরিকানদের সম্মানার্থে স্টেটের পক্ষ থেকে এক বিশেষ আয়োজন। দলমত নির্বিশেষে প্রবাসীরা বাংলাদেশ ডে’র নানা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে ঐতিহাসিক বাংলাদেশ ডে বিলটি পাশ হয় বিগত ২০১২ সালের ২৪ মার্চ। ব্রঙ্কস থেকে নির্বাচিত সাবেক সিনেটর রুবিন ডিয়াজের ধন্যবাদ প্রস্তাব বিলের মাধ্যমে বিলটি পাশ হয়। তাকে সে সময় রেজুলেশন তৈরি করে সহযোগীতা করেন প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে ‘লুইস ভাই’ হিসেবে পরিচিত এটর্নী লুইস সিপুলভেদা (বর্তমান সিনেটর)। তাদের সহায়তা করেন ব্রঙ্কস বাংলাদেশী কমিউনিটির নের্তৃবৃন্দ।
জানা যায়, বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস ও বাংলাদেশী কমিউনিটির যৌথ উদ্যোগে ২০১২ সালে বাংলাদেশের ৪১ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয় ব্রঙ্কসের একটি রেষ্টুরেন্টে। প্রয়াত কমিউনিটি সংগঠক জাকির খানের আমন্ত্রণে রুবিন ডিয়াজ ও লুইস সিপুলভেদা ওই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন। বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের সভাপতি মোহাম্মদ এন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের তৎকালীন সভাপতি মাহবুব আলমের প্রস্তাবনায় ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে ২০১২ সালের ২৪ মার্চ নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটে ততকালীন সিনেটর রুবিন ডিয়াজ বাংলাদেশ ডে বিলটি উত্থাপন করেন। বিলের আলোকে সিনেটর রুবিন ডিয়াজ সিনেটে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিবরণ তুলে ধরেন। রুবিন ডিয়াজ ১৯৭১ সালের মার্চে অপারেশন সার্চ লাইটের নামে গণহত্যা, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে বাংলাদেশীদের আত্মত্যাগ এবং পাকিস্তানী বাহিনীর হাতে বাংলাদেশী মা-বোনদের সম্ভ্রমহানির কথা সবিস্তারে তুলে ধরেন। সেদিন মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই এই ঐতিহাসিক বিলটি সর্বসম্মতভাবে সিনেটে পাশ হয়। সে থেকে প্রতি বছর ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপিত হয়ে আসছে। ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপনের প্রথম কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন মোহাম্মদ এন মজুমদার এবং সদস্য সচিব ছিলেন মরহুম জাকির খান।
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
- Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women
- Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
- নিউইয়র্কে ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের বৈঠক: এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের আহ্বান
- শিশু ও নারীর কল্যাণে বিনিয়োগ সুরক্ষায় ঋণসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান ড. তিতুমীরের
- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ইউএসএ’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভা