Tuesday, 8 September 2026 |
শিরোনাম
বঙ্গবীর ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ছড়া-কবিতা পাঠ ও আলোচনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নিচ্ছেন বাংলাদেশের খলিলুর রহমান উত্তর আমেরিকার ৪১তম ফোবানা চার ভাগে অনুষ্ঠিত: আগামী বছর ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক ও হিউস্টনে পৃথক সম্মেলন নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন: সেলিম–আলী ও কুনু–ফিরোজ পরিষদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা নিউইয়র্কে ‘ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ সোসাইটি দেখতে চাই’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা: তরুণ নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ১ অক্টোবর থেকে কার্ডে ফি পরিশোধ বাধ্যতামূলক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির সংশোধিত নির্বাচনী তফসিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর: নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজক কন্স্যুলেট! নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
সব ক্যাটাগরি

আর নয় নগ্ন বক্ষ, সবটুকু স্বামীর : মডেল রিয়ান সাগডেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 38 বার

প্রকাশিত: October 29, 2018 | 8:35 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : বৃটেনের টপলেস হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে তার টপলেস ছবির ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়েন অসংখ্য পুরুষ। দীর্ঘ ১২ বছর এভাবে পোজ দিয়ে মাতিয়ে তুলেছেন যুবকদের হৃদয়। কিন্তু আর না। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আর তিনি টপলেস হবেন না। কারণ, তিনি বিয়ে করেছেন। এখন তার শরীরে যা কিছু সম্পদ আছে তার সবটুকুই তার স্বামীর। এই যুবতীর নাম রিয়ান সাগডেন। তিনি বিয়ে করেছেন ‘করোনেশন স্ট্রিট’-এর সাবেক তারকা অলিভার মেলোরকে। এখন সাগডেনের কাছে যা আছে তার সবটুকুই তার। রিয়ান সাগডেন এখন ৩২ বছরের টগবগে যুবতী। তিনি প্রথম ২০০৬ সালে টপলেস হয়ে পোজ দেন। তারপর টানা ১২ বছর এভাবেই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন তিনি। অর্ধনগ্ন হয়ে পোজ দিয়েছেন। তবে ২০১৯ সালে যে  ক্যালেন্ডার প্রকাশিত হচ্ছে, তাতে তিনি অমন রগরগে পোজ দিয়েছেন এবং সেটাই হবে তার শেষ টপলেস পোজ। এরপর ভক্তরা তাকে আর নতুন করে টপলেস হিসেবে দেখতে পাবেন না। 
গত মাসে তিনি ৩৭ বছর বয়সী অলিভারকে বিয়ে করেছেন। নিজের টপলেস ছবি প্রসঙ্গে সাগডেন বলেছেন, নতুন ক্যালেন্ডারেই তার সর্বশেষ টপলেস ছবি প্রকাশিত হবে। তার ভাষায়, আমি এখন বিবাহিত। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর বক্ষ উন্মুক্ত করে কোনো মডেলিং করবো না। এর অর্থ এই নয় যে, আমার স্বামী অলিভার আমার এমন কর্মকান্ডে বিরক্ত। কিন্তু আমিই বুঝতে পেরেছি, সে আমার স্বামী। তার প্রতি আমার সম্মান থাকা উচিত। তাই তার প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমি আর টপলেস না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার শরীরে যেটুকু সম্পদ আছে তা এখন একান্তই তার। কারণ, আমি সব সময়ই ভেবেছি, বিয়ে করলে আমার টপলেস মডেলিং ক্যারিয়ার শেষ করে দেবো। এর মধ্য দিয়ে আমার শরীর দেখানোর যে অধ্যায় ছিল তার ইতি ঘটছে। আমার এই ক্যারিয়ারের চমৎকার একটি সমাপ্তি ঘটছে এর মধ্য দিয়ে। 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ