Friday, 30 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
সব ক্যাটাগরি

উদীচী যুক্তরাষ্ট্র’র হেমন্ত উৎসব ও মেলা : শোভাযাত্রা, সঙ্গীতানুষ্ঠান ও গুনীজন সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 102 বার

প্রকাশিত: November 18, 2017 | 9:39 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কে ১১-১২ নভেম্বর হেমন্ত উৎসব ও মেলার আয়োজন করে উদীচী যুক্তরাষ্ট্র। হেমন্তের শেকড় সন্ধানের এ উৎসব বাংলা আর বাঙালীয়ানায় ছিল ভরপূর। ১১ নভেম্বর শনিবার জ্যাকসন হাইটসে ‘জঙ্গীবাদ নিপাত যাক, বাড়িয়ে দাও সম্প্রীতির হাত’ প্রতিপাদ্যের এ উৎসব ক্ষণে ক্ষণে পরিণত হয়েছিল প্রতিবাদ সমাবেশে। কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে এ হেমন্ত উৎসব উদযাপনকে ঘিরে বিশেষ শোভাযাত্রা ছিল উপভোগ্য। জ্যাকসন হাইটসের বিভিন্ন অলি-গলি প্রদক্ষিণ করে মিডল স্কুল ‘আইএস টু-থার্টি’ মিলনায়তে এসে শেষ হয় শোভাযাত্রা। এতে অংশ নেন বিভিন্ন পর্যায়ের সাংস্কৃতিক কর্মীসহ প্রবাসীরা।১২ নভেম্বর শেষ পরিবেশনা ছিল বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী ও তার কন্যা তনিমা হাদীর ‘কিুছ কথা কিছু গান’ নিয়ে সঙ্গীতানুষ্ঠান।
শোভাযাত্রা শেষে শুরু হওয়া হেমন্ত মেলার প্রথম দিনের সকাল বেলা ছিল সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা। যাতে ভিনদেশে, ভিন্ন সংস্কৃতির মাঝে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রজন্ম অংশ নেয়। তারা ঠিকমত বাংলা বলতে না পারলেও সবার স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগীতা ছিল বেশ প্রশংসনীয়। অংশ নেয়া ১১ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের বিষয় ছিল বাংলাদেশ নিয়ে লেখা আর ৭ থেকে ১০ বছর বয়সীরা লিখেছে সপ্তাহের সাতদিনের নাম। একেবারে ছোটদের জন্য ছিল বাংলা অক্ষর ব্যঞ্জনবর্ণ লেখা। যুক্তরাষ্ট্র উদীচী আয়োজিত এ হেমন্ত উৎসব বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রজন্মের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতিকে আরো প্রসারিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।শেষ দিনে বাংলাদেশের বিখ্যাত সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীকে উত্তরীয় পরিয়ে দেয়া হয়। বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর আনোয়ার হোসেন এ উত্তরীয় পরিয়ে দেন।গুনীজন সংবর্ধনাও ছিল অনুষ্ঠানে। তিনজন সংগীত শিক্ষক মুত্তালিব বিশ্বাস, শফী চৌধুরী হারুন, জীবন বিশ্বাস সংগীত পরিবেশন করেন।
সৈয়দ আব্দুল হাদী বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। নতুন প্রজন্ম আমাদের অনুকরণ করছে। তারা ভালো করছে। পরে সৈয়দ আব্দুল হাদী ও তনিমা হাদী যৌথভাবে সংগীত পরিবেশন করেন।
এবারের উৎসবের স্টল ও মেলার দায়িত্বে ছিলেন সমীর মন্ডল, মহাদেব মল্লিক, মোহিত আচার্য্য, সুব্রত বিশ্বাস, ফারুক ফয়সল, হারুন চৌধুরী, সাবিনা হাই উর্বি ও সুদৃতা পাল সুলেখা।
শোভাযাত্রার দায়িত্বে ছিলেন সুব্রত বিশ্বাস। শ্লোগানে ছিলেন নিউমুন, জাকির হোসেন বাচ্চু। মার্শাল ছিলেন বেলাল বেগ। ঢোলে ছিলেন সুশীল সিনহা।উদ্বোধনী দিনে সংগীত পরিবেশন করেন নন্দিত শিল্পী সুবীর নন্দী। উদ্বোধনী সংগীতে অংশ নেন উদিতা তন্বী, দিব্য রায়, অমৃতা রায়, সঙ্গীতা চক্রবর্ত্তী, সাইবা উদ্দীন, স্মরনিকা চক্রবর্ত্তী, তৃষা মন্ডল, অনুপল চৌধুরী, প্রমিত মহান আচার্য্য,ি সাবাত চৌধুরী, ফারহান মাহির অর্নব, নোশীন সিদ্দিক, পরিনীতা ঢালী, নাশাত হোসেন, স্বপ্নীল দাস অর্ঘ্য, দেবাজী সরকার, শিতাব উদ্দিন, আদিত্য রায়, ইসতিয়অক সামিন, বাঁধন কর্মকার, প্রিয়াঙ্কা সরকার, অঙ্কুর বিশ্বাস, তারান্নুম করিম নুহা, নিশাত হাসান, এ্যানি দাস, সাবাত চৌধুরী, রাবেয়া বস্রী সুইটি, লামিয়া তালুকদার রাত্রি, নাভিয়ানা চৌধুরী, রামিসা রাইসা, নামিরা মালেক, নরনীতা চন্দ, বাঁধন কর্মকার, প্রিয়াঙ্কা সরকার, নাদিয়া হাসান, পরিণীতা ঢালী, অর্নব সিদ্দিক, তাজ্জি সিদ্দিক, অচিন্ত্য রায়, দীপ্ত রায়, অনির্বান রায়, অনিক মন্ডল, দুর্জয় রায়, সৃজয় রায়, অর্জুন মল্লিক, অশোক ধর, রাজদীপ বনিক, প্রতীক মোদক, অভিজিত বিশ্বাস, ইথাজ ইসলাম, দিব্য রায়, সুদৃতা পাল সুলেখা, সঙ্গীতা চক্রবর্তী, নাজমুন্নাহার কাকলী, জয়ন্ত্রী ভট্টাচার্য্য, অনামিকা মজুমদার, শাহানা আক্তার নূপুর, রাবেয়া আক্তার, সুক্তি বিশ্বাস, নাজনীন করিম। পরিচালনায় ছিলেন জীবন বিশ্বাস। নৃত্যে ছিলেন উদিতা তম্বী, অমৃতা রায়, তারান্নুম করিম নুহা, নিশাত হাসান, এ্যানি দাস, সাবাত চৌধুরী, রাবেয়া বস্রী সুইটি, লামিয়া তালুকদার রাত্রি, সাইবা উদ্দিন, স্মরণিকা চক্রবর্তী, নাভিয়ানা চৌধুরী, রামিসা রাইসা, নামিরা মালেক, নরনীতা চন্দ, বাঁধন কর্মকার, প্রিয়াঙ্কা সরকার, নাদিয়া হাসান, পরিনীতা ঢালী। পরিচালনয় ছিলেন লাকী খান।ছোটদের গানে ছিল, উদিতা তম্বী, দিব্য রায়, অমৃতা রায়, সঙ্গীতা চক্রবর্তী, সাইবা উদ্দিন, স্মরনিকা চক্রবর্তী, তৃষা মন্ডল, অনুপল চৌধুরী, প্রমিত মহান আচার্য্য,ি সাবাত চৌধুরী, ফারহান মাহির অর্নব, নোশীন সিদ্দিক, পরিনীতা ঢালী, নাশাত হোসেন, স্বপ্নীল তালুকদার, সুদীপ্ত দাস অর্ঘ্য, দেবাজী সরকার, শিতাব উদ্দিন, আদিত্য রায়, ইসতিয়াক সামিন, বাঁধন কর্মকার, প্রিয়াঙ্কা সরকার, অঙ্কুর বিশ্বাস।
বড়দের একক গানে ছিলেন জয়ন্তী ভট্টাচার্য্য, দিব্য রায়, সঙ্গীতা চক্রবর্তী, নাজমুন্নাহার কাকলী, অনামিকা মজুমদার। একক সংগীত পরিবেশন করেন তানভীর শাহীন। তবলায় ছিলেন দীপ্ত রায়, অনির্বান রায়, অনিক মন্ডল, দুর্জয় রায়, সৃজয় রায়, অর্জুন মল্লিক, অশোক ধর, রাজদীপ বনিক, প্রতীক মোদক, অভিজিত বিশ্বাসন, ইথাজ ইসলাম। পরিচালনায় ছিলেন তপন মোদক।উৎসবে গান পরিবেশন করা উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর শিল্পীরা হলেন, জীবন বিশ্বাস, দিব্য রায়, সুদৃতা পাল সুলেখা, স্ঙ্গীতা চক্রবর্তী, নাজমুন্নাহার কাকলী, জয়ন্তী ভট্টাচার্য্য, অনামিকা মজুমদার, শাহানা আক্তার নূপুর, রাবোয়া আক্তার, সুক্তি বিশ্বাস, নাজনীন করিম। আবৃত্তি করেন সঞ্চালনা-ফারুক ফয়সল। নানা পর্বে সহযোগিতায় ছিলেন, তুষার রায়, সাবিনা হাই উর্বি, জেবু চৌধুরী, শফী চৌধুরী, সমীর মন্ডল, মহাদেব মল্লিক, মোহিত আচার্য্য, অশোক রায়, ফারুক ফয়সল, ফজলুল করিম, নাজনীন করিম, সুদৃতা পাল সুলেখা, মো. হারুন, মো. আলম নিউমুন, শুক্লা চক্রবর্ত্তী। মঞ্চসজ্জায় ছিলেন তুষার রায়, জেবু চৌধুরী। তবলায় ছিলেন তপন মোদক, কী-বোর্ড: রিপন, মন্দিরা: শহীদ উদ্দীন, অক্টোপ্যাড: দীপ্তর রায়। সাউন্ডে ছিলেন তানভীর শাহীন। অনুষ্ঠান পরিকল্পনায় ছিলেন জীবন বিশ্বাস।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ