এবার অভিনব ‘মুসলিম সুন্দরী প্রতিযোগিতা’ : চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশী লিজা

বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা বা মিস ওয়ার্ল্ড নিয়ে বিতর্ক পুরনো। অনেক নারীবাদীও একে নারীদেহের বাণিজ্যিক প্রদর্শনী বলে সমালোচনা করেন। এই বিতর্কের মধ্যেই মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার সর্বশেষ আসর বসেছে ইন্দোনেশিয়ায়। এই প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশটির ইসলামপন্থীরা। এই প্রেক্ষাপটে এবার বিশ্বের বৃহত্তম এই মুসলিম দেশটিতে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমী এক মুসলিম সুন্দরী প্রতিযোগিতা। এর নাম ‘মুসলিমা ওয়ার্ল্ড’।
এর স্লোগান ‘বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতার উত্তর আছে ইসলামে’। এতে অংশ নিয়েছেন শুধু মুসলিম পরহেজগার নারীরা। প্রতিযোগিতার আয়োজক একা শান্তি জানান, বুধবার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে শান্তি বলেন, এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের যোগ্যতা বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা থেকে ভিন্নতর।
তিনি বলেন, ‘অংশগ্রহণকারীদের ধর্মপরায়ণ হতে হবে। তাকে ইতিবাচক গুণে অনুসরণীয় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হতে হবে এবং দেখাতে হবে যে আধুনিক বিশ্বে সে কীভাবে তাদের আধ্যাত্মিক জীবনের সঙ্গে সমন্বয় করে চলছে। অংশগ্রহণকারীরা অনলাইনে কোরআন তেলাওয়াত করেছেন এবং কীভাবে হিজাব পরতে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন সে কাহিনী শুনিয়েছেন।’
প্রায় ৫০০ অংশগ্রহণকারীর মধ্যে চূড়ান্ত পর্বে লড়াইয়ের জন্য ২০ জন মুসলিম নারীকে বাছাই করা হয়েছে। বাংলাদেশ, ইরান, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, নাইজেরিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে প্রতিযোগীরা চূড়ান্ত পর্বে টিকেছেন। চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশী তরুণি নাজনীন সুলতানা লিজাও টিকেছেন।
প্রতিযোগীদের ফ্যাশন শো করতে হবে। তবে গতানুগতিক ধাঁচের নয়। ইসলামি পোশাক পরে তারা মুসলিম তরুণীদের দেখাবেন যে, সুন্দরী হওয়ার জন্য তাদের অশালীন হওয়ার দরকার নেই এবং তাদের চুল ও কাঁধ খোলা রাখাও অর্থহীন। তারা ক্যাটওয়াকের আদলে ‘ফানওয়াক’ করেছেন।
একা শান্তি বলেন, ‘আমরা বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতাকে না বলছি না। তবে আমরা আমাদের সন্তানদের দেখাতে চাই যে তাদের জন্য বিকল্প আছে। তোমরা কি বিশ্ব প্রতিযোগিতার সুন্দরীদের মতো হতে চাও, নাকি মুসলিমা ওয়ার্ল্ডের নারীদের মতো হতে চাও?’
এই প্রতিযোগিতাকে বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতার জন্য একটি বড় আঘাত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ইসলামপন্থীদের আন্দোলনের মুখে এবার ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ৬৩তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় সমুদ্র সৈকতে সুন্দরীদের বিকিনি পরা বাদ দেয়া হয়েছে।
তবে এতেও সন্তুষ্ট নয় ইন্দোনেশিয়ার ইসলামপন্থীরা। তারা এই প্রতিযোগিতা বাদ দেয়ারই দাবি জানাচ্ছে। তারা প্রতিযোগিতার আয়োজকদের কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়েছে। ইসলামপন্থীরা এই প্রতিযোগিতাকে ‘অশ্লীল’ ও ‘পর্নোগ্রাফি’ বলে মন্তব্য করেছেন। ২৮ সেপ্টেম্বর মিস ওয়ার্ল্ড নামের এই সুন্দরী প্রতিযোগিতার ৬৩তম আসরের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
ইসলামপন্থীদের লাগাতার আন্দোলনের মুখে সরকার সম্প্রতি এই প্রতিযোগিতা জাকার্তা থেকে সরিয়ে বালির একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় স্থানান্তরিত করেছে। প্রতিযোগিতার এই স্থান পরিবর্তন ইসলামপন্থীদের জন্য আর একটি বিজয়। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ায় ইসলামপন্থীরা শক্তিশালী হচ্ছে এবং ইসলামবিরোধী অনেক অনুষ্ঠান বাতিল করে দিতে আয়োজকদের বাধ্য করেছে।
তবে হিজবুত তাহরির নামের একটি ইসলামপন্থী সংগঠন বলছে, ইন্দোনেশিয়ায় সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়।আমার দেশ
এর স্লোগান ‘বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতার উত্তর আছে ইসলামে’। এতে অংশ নিয়েছেন শুধু মুসলিম পরহেজগার নারীরা। প্রতিযোগিতার আয়োজক একা শান্তি জানান, বুধবার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে শান্তি বলেন, এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের যোগ্যতা বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা থেকে ভিন্নতর।
তিনি বলেন, ‘অংশগ্রহণকারীদের ধর্মপরায়ণ হতে হবে। তাকে ইতিবাচক গুণে অনুসরণীয় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হতে হবে এবং দেখাতে হবে যে আধুনিক বিশ্বে সে কীভাবে তাদের আধ্যাত্মিক জীবনের সঙ্গে সমন্বয় করে চলছে। অংশগ্রহণকারীরা অনলাইনে কোরআন তেলাওয়াত করেছেন এবং কীভাবে হিজাব পরতে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন সে কাহিনী শুনিয়েছেন।’
প্রায় ৫০০ অংশগ্রহণকারীর মধ্যে চূড়ান্ত পর্বে লড়াইয়ের জন্য ২০ জন মুসলিম নারীকে বাছাই করা হয়েছে। বাংলাদেশ, ইরান, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, নাইজেরিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে প্রতিযোগীরা চূড়ান্ত পর্বে টিকেছেন। চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশী তরুণি নাজনীন সুলতানা লিজাও টিকেছেন।
প্রতিযোগীদের ফ্যাশন শো করতে হবে। তবে গতানুগতিক ধাঁচের নয়। ইসলামি পোশাক পরে তারা মুসলিম তরুণীদের দেখাবেন যে, সুন্দরী হওয়ার জন্য তাদের অশালীন হওয়ার দরকার নেই এবং তাদের চুল ও কাঁধ খোলা রাখাও অর্থহীন। তারা ক্যাটওয়াকের আদলে ‘ফানওয়াক’ করেছেন।
একা শান্তি বলেন, ‘আমরা বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতাকে না বলছি না। তবে আমরা আমাদের সন্তানদের দেখাতে চাই যে তাদের জন্য বিকল্প আছে। তোমরা কি বিশ্ব প্রতিযোগিতার সুন্দরীদের মতো হতে চাও, নাকি মুসলিমা ওয়ার্ল্ডের নারীদের মতো হতে চাও?’
এই প্রতিযোগিতাকে বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতার জন্য একটি বড় আঘাত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ইসলামপন্থীদের আন্দোলনের মুখে এবার ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ৬৩তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় সমুদ্র সৈকতে সুন্দরীদের বিকিনি পরা বাদ দেয়া হয়েছে।
তবে এতেও সন্তুষ্ট নয় ইন্দোনেশিয়ার ইসলামপন্থীরা। তারা এই প্রতিযোগিতা বাদ দেয়ারই দাবি জানাচ্ছে। তারা প্রতিযোগিতার আয়োজকদের কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়েছে। ইসলামপন্থীরা এই প্রতিযোগিতাকে ‘অশ্লীল’ ও ‘পর্নোগ্রাফি’ বলে মন্তব্য করেছেন। ২৮ সেপ্টেম্বর মিস ওয়ার্ল্ড নামের এই সুন্দরী প্রতিযোগিতার ৬৩তম আসরের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
ইসলামপন্থীদের লাগাতার আন্দোলনের মুখে সরকার সম্প্রতি এই প্রতিযোগিতা জাকার্তা থেকে সরিয়ে বালির একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় স্থানান্তরিত করেছে। প্রতিযোগিতার এই স্থান পরিবর্তন ইসলামপন্থীদের জন্য আর একটি বিজয়। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ায় ইসলামপন্থীরা শক্তিশালী হচ্ছে এবং ইসলামবিরোধী অনেক অনুষ্ঠান বাতিল করে দিতে আয়োজকদের বাধ্য করেছে।
তবে হিজবুত তাহরির নামের একটি ইসলামপন্থী সংগঠন বলছে, ইন্দোনেশিয়ায় সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়।আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes