ওয়াশিংটনে শ্বেতাঙ্গ ও খ্রিস্টান কট্টরপন্থীদের সমাবেশ আমেরিকাকে ঈশ্বরের কাছে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান
বাংলাপ্রেস,নিউইয়র্ক থেকে-গত শনিবার ওয়াশিংটনে বিশাল সমাবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের শ্বেতাঙ্গ ও খ্রিস্টান কট্টরপন্থীরা।বিভিন্ন মহলের বিরোধিতা উপেক্ষা করে তারা উক্ত সমাবেশে আমেরিকাকে ঈশ্বরের কাছে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী হিসেবে পরিচিত টিভি ব্যক্তিত্ব গ্লেন বেকের আয়োজনে লিংকন মেমোরিয়ালের এ সমাবেশে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ যোগ দেয় । বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর ঐতিহাসিক সমাবেশ ও ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’ বক্তৃতার ৪৭তম বার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতিবিজড়িত মঞ্চেই ‘বর্ণবাদী’দের এমন সমাবেশে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন কৃষ্ণাঙ্গ নেতারা। ওই সমাবেশের বিরোধিতা করে শনিবার তাঁরা প্রতিবাদ মিছিল এবং সভাও করেছেন। কিং-এর বক্তৃতার ৪৭তম বার্ষিকীতে ‘সম্মান পুনরুদ্ধার’ নামের এ সমাবেশ আয়োজনের ঘোষণার পরই যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এর সমালোচনা শুরু হয়। উদারপন্থী নেতারা অভিযোগ করেন, কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে বিপদে ফেলার জন্যই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ সমাবেশের আয়োজন করেছেন বেক। এর মাধ্যমে কিংকে অসম্মান করার অভিযোগও তোলেন অনেকে। এসব সমালোচনা ও বিরোধিতা উপেক্ষা করেই শনিবার লিংকন মেমোরিয়ালে জড়ো হয় হাজার হাজার মানুষ। তাদের বেশির ভাগই কট্টরপন্থী গোষ্ঠী টি- পার্টির সমর্থক ও খ্রিস্টান শ্বেতাঙ্গ। সাড়ে তিন ঘণ্টার এ সমাবেশে বক্তৃতার পাশাপাশি প্রার্থনা ও গানেরও আয়োজন ছিল। সব আয়োজনই বিশাল বিশাল টিভি স্ক্রিনে দেখানো হয়। আয়োজকরা কোনো স্লোগান বা প্ল্যাকার্ডের ব্যবস্থা না করলেও অনেকের হাতেই ছিল ওবামাবিরোধী পোস্টার। এমন কিছু পোস্টারে লেখা ছিল, ‘ওবামাকে ব্যবহৃত টি-ব্যাগের মতো ছুড়ে ফেলে দাও’।বক্তারা কিং-এর মতোই লিংকন মেমোরিয়ালের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন। তাঁরা রাজনৈতিক কথার তুলনায় ধর্মীয় কথা বলেছেন বেশি। মূল আয়োজক ব্লেক আরো বেশি করে প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমেরিকা আবার ঈশ্বরের কাছে ফিরে যাবে। আমাদের দেশ অনেক দিন ধরে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে আছে। এখন ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমেরিকার প্রথাগত মূল্যবোধকে ফিরিয়ে আনতে হবে।’ গত নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে রিপাবলিকান প্রার্থী সারাহ পোলিন এ সমাবেশকে সরাসরি ১৯৬৩ সালের সমাবেশের সঙ্গে তুলনা করেন। এদিকে,বেকের সমাবেশের বিরোধিতা করে ওয়াশিংটনের একটি হাইস্কুলে সভার আয়োজন করেন কৃষ্ণাঙ্গ নেতারা। কিং-এর সহযোগী রেভারেন্ড এল শার্পটন এ আয়োজনের নেতৃত্ব দেন। তিনি বেকের সমালোচনা করে বলেন, ‘আজ থেকে ৪৭ বছর আগে যারা কিং-এর সমাবেশের সমালোচনা করেছিল, এখন তারাই কিং-এর খ্যাতিকে কাজে লাগানোর জন্য লিংকন মেমোরিয়ালে সমাবেশ করছে।’ তিনি কিং-এর স্বপ্নকে জীবিত রেখে ধর্ম, মত, বর্ণ নির্বিশেষে শ্রদ্ধা বজায় রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান। এই সমাবেশে কিং-এর ছেলেও বক্তব্য দেন।
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
- নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়
- নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন