ওয়াশিংটন পোস্টের রিপোর্ট: আলাদা নিরাপত্তা চুক্তি করছে ওয়ালমার্ট গ্যাপ
ডেস্ক: বাংলাদেশে গার্মেন্ট কারখানার নিরাপত্তার মান উন্নত করার বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছার পথে ফিরছেন ওয়ালমার্ট, গ্যাপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় অন্য সব তৈরি পোশাকের ক্রেতা। আগামী মাসের শুরুর দিকে এমন এক উদ্যোগে তারা এগিয়ে আসছেন। ২৬শে জুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, গার্মেন্ট কারখানার নিরাপত্তা পরিকল্পনার শক্তিশালী একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি ওয়ালমার্ট, গ্যাপ। এতে বলা হয়, এর আগে বাংলাদেশের গার্মেন্ট কারখানায় নিরাপত্তার মান বৃদ্ধি করার একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানায় ওয়ালমার্ট ও গ্যাপ। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও চাপের মুখে পড়ে তারা। আন্তর্জাতিক ওই আইনি চুক্তিতে গত মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৃহত কয়েক ডজন ক্রেতা স্বাক্ষর করেন। এ অবস্থায় ওই চুক্তিতে ওয়ালমার্ট ও গ্যাপ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানানোর ফলে যে সমালোচনা হয় তার পরিপ্রেক্ষিতে এ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট রিলেশনস কমিটির শুনানিতে অংশ নেন ওয়ালমার্ট ও গ্যাপের প্রতিনিধিরা। এ সময় তারা উত্তর আমেরিকার ক্রেতা ও শিল্প সংস্থার একটি আলাদা পরিকল্পনার পক্ষে কথা বলেন। ডিস্ট্রিক্টভিত্তিক অলাভজনক গ্রুপ বাইপারটিসান পলিসি সেন্টার আহূত একটি বৈঠকে এ পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয়। এর প্রেসিডেন্ট জেসন গ্রুমেট বলেন, এখন এ অবস্থায় চুক্তিতে পৌঁছতে আর মাত্র দু’-একটি বিষয় বাকি রয়েছে। জুলাইয়ের শুরুর দিকে আমরা এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাই। এ বৈঠকে আরও যারা অংশ নিয়েছেন তারা হলো মেসি’স, সিয়ার্স, জেসি পেনি। ওই বৈঠকে সহসভাপতি ছিলেন সিনেটের সাবেক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা জর্জ জে, মিশেল। ওদিকে যুক্তরাষ্ট্র সিনেটের শেরড ব্রাউনের নেতৃত্বে ৮ সিনেটরের একটি গ্রুপ ওয়ালমার্ট ও অন্যান্য ক্রেতা সংস্থাকে লিখেছেন, বাংলাদেশের অগ্নিনিরাপত্তা চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে। এক বিবৃতিতে সিনেটররা লিখেছেন, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রেতাদের স্বাক্ষর করা নিরাপত্তামূলক চুক্তি হলেই তবে বাংলাদেশে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তবে ওয়ালমার্ট ও গ্যাপের এ সম্ভাব্য এ চুক্তির বিরোধিতা করেছেন শ্রমিকদের অধিকার পর্যবেক্ষণকারী নিরপেক্ষ সংস্থা ওয়ার্কার্স রাইটস কনসোর্টিয়ামের নির্বাহী পরিচালক স্কট নোভা। তিনি বলেছেন, ওয়ালমার্ট ও গ্যাপ যে বিকল্প চুক্তি করার কথা বলছে তাকে চুক্তি বলা যায় না। কারণ, এটি বাস্তবায়ন করার জন্য কোন সংস্থা থাকছে না। শুধু কোম্পানি ও শিল্প সংস্থাগুলো এতে প্রতিনিধিত্ব করবে। একটি চুক্তি হতে হলে তা বাস্তবায়ন করানোর মতো একটি পক্ষ থাকতে হবে। ওদিকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও বৃটেনের ৩০টি শহরে শনিবার ওয়ালমার্ট ও গ্যাপের স্টোরের সামনে বিক্ষোভ করেবে ইউনাইটেড স্টুডেন্টস এগেইনস্ট সোয়েটশপ ও অন্যান্য শ্রমিক গ্রুপ। এরই মধ্যে ৫০টি পোশাক কোম্পানি যে অগ্নি ও নিরাপত্তা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে তাদেরও ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করার দাবি তোলে তারা।মানবজমিনসর্বশেষ সংবাদ
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
- নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়
- নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন
- নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি
- NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature