Monday, 8 June 2026 |
শিরোনাম
Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
সব ক্যাটাগরি

কচ্ছপ দিয়ে গাছ বাঁচানো!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 199 বার

প্রকাশিত: July 25, 2013 | 2:33 PM

 
‘ইল অঁ আগ্রেতেস’ দ্বীপে গেলে কচ্ছপ দেখে অবাক হবেন। দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে ওরা। এখানে-ওখানে ডিম পাড়ছে। ‘জামাই আদর’-এ আছে। অনেক দূর থেকে খুব যত্ন করে এনে সেখানে ছেড়ে দেয়া হয়েছে ওদের। ওরা পেট পুরে খাচ্ছে আর গাছ বাঁচাচ্ছে।
কচ্ছপ খাবে আর তাতে বেঁচে থাকবে গাছ—শুনলে অবাকই লাগে। কিন্তু বাস্তবে তাই হচ্ছে। মরিশাসে এমন অনেক প্রাণী ও গাছপালা ছিল জনসংখ্যার চাপ এবং আরও কিছু কারণে যেসব আজ প্রায় বিলুপ্ত। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী রক্ষার চেষ্টা তো সব জায়গাতেই হয়। মরিশাসে চেষ্টাটা হচ্ছে বিচিত্র উপায়ে। ইল অঁ আগ্রেতেসের কথাই ধরুন। সেখানে কিছুদিন আগেও গরু-ছাগলসহ এমন অনেক প্রাণী ছিল, যেগুলো আসলে বহিরাগত। অর্থাত্ কোনো না কোনো সময় তাদের বাইরে থেকে আনা হয়েছিল।
সম্প্রতি সেই প্রাণীগুলোকে একে একে বিদায় করা হয়েছে। কারণ ওইগুলো অতীতে ছিল অথচ এখন নেই—এমন কিছু গাছকে ফিরিয়ে আনা কখনও সম্ভব হবে না। গাছগুলোকে চারা অবস্থাতেই গরু-ছাগল খেয়ে ফেলবে। তাই আগে গরু-ছাগল বিদায় করা হয়। তারপর নিয়ে আসা হয় বিশাল আকৃতির বিশেষ প্রজাতির কিছু কচ্ছপ। ওরা যাতে সুস্থ-সবল থাকে, সেই ব্যবস্থাও করা হলো। তারপর দ্বীপে এনে লাগানো হলো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া গাছগুলো। ফল হয় সেই গাছে। কচ্ছপ গরু-ছাগলের মতো চারা গাছ না খেয়ে অপেক্ষায় থাকে সেই ফলের জন্য। ফলে থাকে শক্ত শক্ত বীজ। এমনিতে সেই বীজ মাটিতে পড়লে ওপরের শক্ত আবরণের জন্য অঙ্কুরোদগম হয় না। ফলে গাছের সংখ্যা বৃদ্ধিও হয় না। কিন্তু কচ্ছপ ফল খেলে মলের সঙ্গে সেই বীজ বেরিয়ে আসে আবরণমুক্ত হয়ে। ফলে অঙ্কুরোদম হয়, গাছের চারাও হয় সেই বীজ থেকে।
এভাবেই হারিয়ে যাওয়া গাছপালা এবং প্রাণীকে ফিরিয়ে আনায় কচ্ছপের মতো বিশেষ কিছু প্রাণীকে ব্যবহার করার কৌশল অবলম্বনের কথা ভাবছেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। তবে এমন উদ্যোগের সমালোচনাও করছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, এভাবে কিছু সমস্যার সাময়িক সমাধান করা গেলেও পরে কিছু ক্ষতিও হবে পরিবেশের। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV