কিডনি রোগ : প্রতিরোধ ও প্রতিকার

ঘাতকব্যাধি বা মরণব্যাধি যে নামেই অভিহিত করি না কেন ‘কিডনি রোগ’ তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশে এখন আর অপরিচিত কোনো রোগ নয়। দেশের মোট জনসংখ্যার উল্লেখযোগ্য অংশ কোনো না কোনোভাবে কিডনি রোগে ভুগছেন। আবার অনেকে হয়তো জানেনই না তিনি কিডনি রোগে আক্রান্ত। তাই এ রোগকে আনেকে নীরবঘাতক হিসেবেও আখ্যায়িত করে থাকেন। আসুন কিডনি রোগ সম্পর্কে কিছু সাধারণ ও প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নেই।
কাদের হয়? কেন হয়?
কিডনি রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা অথবা লিঙ্গভেদ নেই। যে কোনো বয়সের নর-নারী জীবনের যে কোনো সময়ে কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। কিডনি রোগের কারণ বিবিধ। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নিচের কারণগুলোকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়:
*দীর্ঘমেয়াদি অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ। *দীর্ঘমেয়াদি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস। *কিডনি প্রদাহ। *ডায়রিয়ার পর অতিরিক্ত পানিশূন্যতা। *এন্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক ওষুধ অথবা অন্য যে কোনো ওষুধের এমনকি আয়ুর্বেদিক, হোমিও, কবিরাজি ইত্যাদি ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। *অপারেশনের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে অথবা অন্য যে কোনো কারণে শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে হঠাত্ রক্তচাপ কমে যাওয়া। *দীর্ঘমেয়াদি মূত্রনালীতে প্রদাহ। *কিডনিতে পাথর, মূত্রনালীতে পাথর, কিডনি অথবা মূত্রনালীর জন্মগত ত্রুটি কিংবা অন্য কোনো কারণে মূত্রনালী সরু হয়ে প্রস্রাবের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে। *বংশগত কিডনি রোগ থাকলে।
কিডনি রোগের প্রকারভেদ
বৃহত্তর সংজ্ঞায় কিডনি রোগকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়—
১. সাময়িক বা স্বল্পমেয়াদি কিডনি রোগ।
২. দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ।
৩. স্থায়ী কিডনি বিকল রোগ।
এই তিন ভাগের মধ্যে সাময়িক বা স্বল্পমেয়াদি কিডনি রোগ সাধারণত দ্রুত ও যথাযথ চিকিত্সার মাধ্যমে ভালো করা সম্ভব। ফলে কিডনি সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়। তবে অহেতুক সময়ক্ষেপণ অথবা অপচিকিত্সা স্থায়ীভাবে কিডনি বিকল করে দিতে পারে।
অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীর কিডনি যথাযথ চিকিত্সা নেয়ার পরও এক সময় স্থায়ী কিডনি বিকল পর্যায়ে চলে যেতে পারে।
স্থায়ী কিডনি বিকল রোগে আক্রান্ত রোগীর কিডনি স্থায়ীভাবে বিকল হয়ে যাওয়ার ফলে কখনোই আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে না।
লক্ষণ সমূহ
প্রথমেই বলে নেয়া ভালো, লক্ষণ দেখে কিডনি রোগ শনাক্ত করা দুরূহ। বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোন লক্ষনই প্রকাশ পায় না। তবে খুব সাধারণভাবে কিডনি রোগের লক্ষণগুলো হলো :
*খাবারে অরুচি বা ক্ষুধামন্দা *বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া *শারীরিক দুর্বলতা *কোমরের দুই পাশে কিংবা পেছনের নিচের দিকে মৃদু থেকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা। *মুখণ্ডল, হাত-পা এমনকি সারা শরীর ফুলে যাওয়া *দিন দিন প্রস্রাবের পরিমাণ কমতে থাকা অথবা একেবারেই প্রস্রাব না হওয়া অথবা হঠাত্ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া।
তবে এ লক্ষণগুলোই কিডনি রোগের চূড়ান্ত লক্ষণ নয়। ক্ষুধামন্দা, বমি হওয়া, শারীরিক দুর্বলতার যেমন অনেক কারণ রয়েছে তেমনি কোমরে ব্যথা অথবা শরীর ফুলে যাওয়ার কিডনি রোগ ছাড়াও অন্য অনেক কারণ রয়েছে। আবার প্রকারভেদে কিডনি রোগের লক্ষণগুলোরও হেরফের হয়। অন্যদিকে অল্পকিছু রোগীর মাঝে কিডনি রোগের কোনো লক্ষণই খুঁজে পাওয়া যায় না। এই রোগীরা অন্য দশজন সুস্থ মানুষের মতোই জীবনযাপন করেন। রুটিন চেকআপ অথবা অন্যকোন রোগের চিকিত্সার জন্য পরীক্ষা করতে গিয়ে দৈবাত তাদের কিডনি রোগ ধরা পড়ে।
পরীক্ষা-নিরিক্ষা
প্রাথমিকভাবে কিডনি রোগ শনাক্ত করতে খুব বেশি পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না এবং এগুলো খুব ব্যয়বহুল নয়। কারও কিডনি রোগ আছে কিনা তা জানার জন্য প্রথমেই নিচের পরীক্ষাগুলো করা যেতে পারে—
* Urine for R/M/E * S. Creatinine * Ultrasonogram of KUB region. * Plain X-Ray KUB region.
এই পরীক্ষাগুলোর কোনো একটিতে কোনোরকমের অস্বাভাবিকতা থাকলে পরবর্তী ধাপের পরীক্ষা, রোগ নির্ণয় ও যথাযথ চিকিত্সার জন্য কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
চিকিত্সা
চিকিত্সার আগে কিডনি রোগের প্রকার ও কারণ শনাক্ত করা জরুরি। এজন্য সব সময়ই কিডনি রোগীদের বিশেষজ্ঞের পরামর্শের প্রয়োজন হয়। সাময়িক কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীর যে কারণে কিডনি রোগ হয়েছে তা চিহ্নিত করে দ্রুত অভিযুক্ত কারণটির চিকিত্সা দিতে হয়। এ জন্য রোগীকে হাসপাতালে একজন কিডনি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ভর্তি থাকতে হয়। দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগীদের সাধারণত হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয় না। এসব রোগীদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রোটিন জাতীয় খাবারের পরিমাণ কমিয়ে, প্রতিদিন কতটুকু পানি খাবেন তা নির্ধারণ করে এর সঙ্গে আনুষঙ্গিক অন্যান্য ওষুধ দিয়ে বাড়িতে থেকে এ রোগের চিকিত্সা করা সম্ভব। তবে নিয়মিত এসব রোগীর ফলোআপে আসতে হয়। স্থায়ী কিডনি বিকল রোগে আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত হেমোডায়ালাইসিস অথবা কিডনি সংযোজন করে বেঁচে থাকতে হয়।
প্রতিরোধ
কিডনি রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই। তবে কিডনি রোগের প্রকোপ থেকে বাঁচতে নিচের বিষয়গুলো মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি :
১. উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা।
২. ডায়রিয়াজনিত পানিশূন্যতার যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া।
৩. চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন না করা। বিশেষ করে কারণে-অকারণে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন না করা ও সব ধরনের কবিরাজি ওষুধ এড়িয়ে চলা।
৪. প্রাথমিক অবস্থায় কিডনি রোগ ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া, যাতে স্থায়ী কিডনি বিকল রোগ প্রতিরোধ করা যায়।আমার দেশ
লেখক : মেডিকেল অফিসার
কিডনি রোগ বিভাগ , বিএসএমএমইউ, ঢাকা।
কাদের হয়? কেন হয়?
কিডনি রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা অথবা লিঙ্গভেদ নেই। যে কোনো বয়সের নর-নারী জীবনের যে কোনো সময়ে কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। কিডনি রোগের কারণ বিবিধ। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নিচের কারণগুলোকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়:
*দীর্ঘমেয়াদি অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ। *দীর্ঘমেয়াদি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস। *কিডনি প্রদাহ। *ডায়রিয়ার পর অতিরিক্ত পানিশূন্যতা। *এন্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক ওষুধ অথবা অন্য যে কোনো ওষুধের এমনকি আয়ুর্বেদিক, হোমিও, কবিরাজি ইত্যাদি ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। *অপারেশনের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে অথবা অন্য যে কোনো কারণে শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে হঠাত্ রক্তচাপ কমে যাওয়া। *দীর্ঘমেয়াদি মূত্রনালীতে প্রদাহ। *কিডনিতে পাথর, মূত্রনালীতে পাথর, কিডনি অথবা মূত্রনালীর জন্মগত ত্রুটি কিংবা অন্য কোনো কারণে মূত্রনালী সরু হয়ে প্রস্রাবের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে। *বংশগত কিডনি রোগ থাকলে।
কিডনি রোগের প্রকারভেদ
বৃহত্তর সংজ্ঞায় কিডনি রোগকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়—
১. সাময়িক বা স্বল্পমেয়াদি কিডনি রোগ।
২. দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ।
৩. স্থায়ী কিডনি বিকল রোগ।
এই তিন ভাগের মধ্যে সাময়িক বা স্বল্পমেয়াদি কিডনি রোগ সাধারণত দ্রুত ও যথাযথ চিকিত্সার মাধ্যমে ভালো করা সম্ভব। ফলে কিডনি সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়। তবে অহেতুক সময়ক্ষেপণ অথবা অপচিকিত্সা স্থায়ীভাবে কিডনি বিকল করে দিতে পারে।
অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীর কিডনি যথাযথ চিকিত্সা নেয়ার পরও এক সময় স্থায়ী কিডনি বিকল পর্যায়ে চলে যেতে পারে।
স্থায়ী কিডনি বিকল রোগে আক্রান্ত রোগীর কিডনি স্থায়ীভাবে বিকল হয়ে যাওয়ার ফলে কখনোই আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে না।
লক্ষণ সমূহ
প্রথমেই বলে নেয়া ভালো, লক্ষণ দেখে কিডনি রোগ শনাক্ত করা দুরূহ। বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোন লক্ষনই প্রকাশ পায় না। তবে খুব সাধারণভাবে কিডনি রোগের লক্ষণগুলো হলো :
*খাবারে অরুচি বা ক্ষুধামন্দা *বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া *শারীরিক দুর্বলতা *কোমরের দুই পাশে কিংবা পেছনের নিচের দিকে মৃদু থেকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা। *মুখণ্ডল, হাত-পা এমনকি সারা শরীর ফুলে যাওয়া *দিন দিন প্রস্রাবের পরিমাণ কমতে থাকা অথবা একেবারেই প্রস্রাব না হওয়া অথবা হঠাত্ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া।
তবে এ লক্ষণগুলোই কিডনি রোগের চূড়ান্ত লক্ষণ নয়। ক্ষুধামন্দা, বমি হওয়া, শারীরিক দুর্বলতার যেমন অনেক কারণ রয়েছে তেমনি কোমরে ব্যথা অথবা শরীর ফুলে যাওয়ার কিডনি রোগ ছাড়াও অন্য অনেক কারণ রয়েছে। আবার প্রকারভেদে কিডনি রোগের লক্ষণগুলোরও হেরফের হয়। অন্যদিকে অল্পকিছু রোগীর মাঝে কিডনি রোগের কোনো লক্ষণই খুঁজে পাওয়া যায় না। এই রোগীরা অন্য দশজন সুস্থ মানুষের মতোই জীবনযাপন করেন। রুটিন চেকআপ অথবা অন্যকোন রোগের চিকিত্সার জন্য পরীক্ষা করতে গিয়ে দৈবাত তাদের কিডনি রোগ ধরা পড়ে।
পরীক্ষা-নিরিক্ষা
প্রাথমিকভাবে কিডনি রোগ শনাক্ত করতে খুব বেশি পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না এবং এগুলো খুব ব্যয়বহুল নয়। কারও কিডনি রোগ আছে কিনা তা জানার জন্য প্রথমেই নিচের পরীক্ষাগুলো করা যেতে পারে—
* Urine for R/M/E * S. Creatinine * Ultrasonogram of KUB region. * Plain X-Ray KUB region.
এই পরীক্ষাগুলোর কোনো একটিতে কোনোরকমের অস্বাভাবিকতা থাকলে পরবর্তী ধাপের পরীক্ষা, রোগ নির্ণয় ও যথাযথ চিকিত্সার জন্য কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
চিকিত্সা
চিকিত্সার আগে কিডনি রোগের প্রকার ও কারণ শনাক্ত করা জরুরি। এজন্য সব সময়ই কিডনি রোগীদের বিশেষজ্ঞের পরামর্শের প্রয়োজন হয়। সাময়িক কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীর যে কারণে কিডনি রোগ হয়েছে তা চিহ্নিত করে দ্রুত অভিযুক্ত কারণটির চিকিত্সা দিতে হয়। এ জন্য রোগীকে হাসপাতালে একজন কিডনি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ভর্তি থাকতে হয়। দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগীদের সাধারণত হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয় না। এসব রোগীদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রোটিন জাতীয় খাবারের পরিমাণ কমিয়ে, প্রতিদিন কতটুকু পানি খাবেন তা নির্ধারণ করে এর সঙ্গে আনুষঙ্গিক অন্যান্য ওষুধ দিয়ে বাড়িতে থেকে এ রোগের চিকিত্সা করা সম্ভব। তবে নিয়মিত এসব রোগীর ফলোআপে আসতে হয়। স্থায়ী কিডনি বিকল রোগে আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত হেমোডায়ালাইসিস অথবা কিডনি সংযোজন করে বেঁচে থাকতে হয়।
প্রতিরোধ
কিডনি রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেই। তবে কিডনি রোগের প্রকোপ থেকে বাঁচতে নিচের বিষয়গুলো মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি :
১. উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা।
২. ডায়রিয়াজনিত পানিশূন্যতার যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া।
৩. চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন না করা। বিশেষ করে কারণে-অকারণে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন না করা ও সব ধরনের কবিরাজি ওষুধ এড়িয়ে চলা।
৪. প্রাথমিক অবস্থায় কিডনি রোগ ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া, যাতে স্থায়ী কিডনি বিকল রোগ প্রতিরোধ করা যায়।আমার দেশ
লেখক : মেডিকেল অফিসার
কিডনি রোগ বিভাগ , বিএসএমএমইউ, ঢাকা।
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল
- New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion