খর্বকায় শিশু বুদ্ধিতে পিছিয়ে
বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম এমন শিশুদের মানসিকভাবে পক্ব হতে দেরি হয়। এদের বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা কম থাকে। স্কুলে খারাপ করে এরা। পাঁচ বছরের কম বয়সী এসব শিশুর মধ্যে রোগাক্রান্ত ও মৃত্যুহার বেশি। বাংলাদেশে এ রকম শিশু ৪০ শতাংশের ওপরে।
‘দ্য রোড টু গুড নিউট্রিশন’ শীর্ষক প্রকাশনায় এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক চিকিৎসা ও বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘কারগার’ সম্প্রতি পুষ্টির ওপর এই বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। চিকিৎসা ও বিজ্ঞানবিষয়ক বই প্রকাশের জন্য কারগার বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মাতৃগর্ভে জীবন শুরু হওয়া থেকে জন্মের পর প্রথম দুই বছর অপুষ্টির শিকার হলে শিশু খর্বকায় হয়। তবে জীবনভর এর প্রভাব থাকে। খর্বাকৃতি ব্যক্তির শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করে। প্রাপ্তবয়সে এদের মধ্যে স্থূলকায় হওয়ার ও অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বেশি।
২২১ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে ২০১০ সালের পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে খর্বকায় শিশু ৪৩ দশমিক ২ শতাংশ (সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে ৪১ শতাংশ)। পৃথিবীর সব দেশে খর্বকায় শিশুর হার কমছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপুষ্টির কারণে জীবনের প্রথম দুই বছরে যে ক্ষতি হয়ে যায়, সারা জীবনে তা আর শোধরানো যায় না। সুতরাং মূল করণীয় হচ্ছে খর্বাকৃতি প্রতিরোধ করা। আর এ জন্য দরকার পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার। গর্ভবতী ও শিশুকে দুধ খাওয়ায়, এমন মায়ের পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে। ছয় মাস পর্যন্ত শিশুকে শুধু মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে এবং দুই বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধের পাশাপাশি যথাযথ সম্পূরক খাবার দিতে হবে।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ২১ জন বিশেষজ্ঞের লেখা এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির বেড়ে উঠতে ও স্বাস্থ্য অটুট রাখতে প্রায় ৪০ ধরনের অণুপুষ্টির (নিউট্রিয়েন্ট) প্রয়োজন। এই প্রয়োজন মেটানোর জন্য খাদ্যে বৈচিত্র্য থাকা চাই। এর মধ্যে আছে বুকের দুধ, উদ্ভিদজাত খাদ্য (শাকসবজি, ফলমূল ও শস্যদানা), প্রাণীজাত খাদ্য (দুধ, ডিম, মাছ ও মাংস)।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দারিদ্র্য ও বৈষম্য শিশুদের খর্বাকৃতির অন্যতম কারণ। খর্বাকৃতি প্রতিরোধকে মানবাধিকার হিসেবে দেখতে বলা হয়েছে। এনজিও, সরকার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, দাতা সংস্থা, জাতিসংঘ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ একসঙ্গে কাজ করলে এই অপুষ্টি দূর করা সম্ভব।
খর্বাকৃতি প্রতিরোধে সরকার কী করছে, জানতে চাইলে জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচির ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শিশুকে ছয় মাস পর্যন্ত শুধু বুকের দুধ খাওয়ানো, দুই বছর পর্যন্ত মায়ের দুধের পাশাপাশি যথাযথ সম্পূরক খাবার খাওয়ানোর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে সারা দেশের শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ও কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো হচ্ছে। তবে তিনি মনে করেন, যে হারে খর্বকায় শিশুর হার কমার প্রয়োজন ছিল, বাংলাদেশে তা কমছে না।প্রথম আলো
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








