Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
সব ক্যাটাগরি

ঘাম থেকে হবে বিদ্যুৎ আর পানি!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 24 বার

প্রকাশিত: December 15, 2014 | 6:17 PM

মানুষের শরীরের ঘামকে কাজে লাগানোর অদ্ভুত কথা কেউ কখনও না বললেও বিজ্ঞানীরা কিন্তু বসে থাকেননি। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, এবার তারা শরীরের ঘামকে কাজে লাগানোর নানা উপায় বের করতে সক্ষম হয়েছেন। বিজ্ঞানের কল্যাণে আমরা মূত্র থেকে বিশুদ্ধ পানি কিংবা স্মার্টফোন চার্জ করার কথা জেনেছি। এবার বিজ্ঞানীরা শরীরের ঘাম থেকে বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ খাবার পানি উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন।       ঘাম থেকে হবে বিদ্যুৎ আর পানি!ধরুন, আপনি ‘জগার’ হিসেবে দৌঁড়াচ্ছেন। সেই সঙ্গে শুনছেন এমপিথ্রি প্লেয়ারে সঙ্গীত। আর এ জন্য যে বিদ্যুৎশক্তির প্রয়োজন, তা প্রস্তুত করছেন আপনি নিজেই। শুনে অবাক লাগলেও কথাটা কিন্তু সঠিক। শুধু ঘামের মাধ্যমেই তৈরি হয় বিদ্যুৎ। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর একদল গবেষক এই মজার আইডিয়া বাস্তবায়ন করেছেন। তারা এর নাম দিয়েছেন ‘ট্যাটু বায়োব্যাটারি’। ঘামের মতো শরীর থেকে নির্গত তরল পদার্থ দ্বারা যে শক্তি উৎপাদন করা যায়, এটা তারই একটা দৃষ্টান্ত।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর ডক্টরেটের গবেষক ভেনঝাউ জিয়া বলেন, ‘ঘামের ল্যাকটেট মাপা হয় একটি সেন্সর দিয়ে। ল্যাকটেট হলো এক প্রকার অণু, যা গ্গ্নুকোজ থেকে মেটাবলিজমের মাধ্যমে প্রস্তুত হয়। শারীরিক পরিশ্রমের সময় কোষে ল্যাকটেটের ঘনত্ব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ট্রেনিংয়ের সময় শারীরিক অবস্থা কেমন হয় সেটা মাপা যায় ল্যাকটেটের পরিমাণ দেখে। অতিরিক্ত ল্যাকটেট তৈরি হলে দেহে চাপ পড়ে। এতদিন চিকিৎসকরা খেলোয়াড়দের দেহে ল্যাকটেটের পরিমাণ মাপার জন্য রক্ত পরীক্ষা করতেন। এখন একটি বেশ সহজ পদ্ধতি বের হলো।’সমকাল

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ