চলে গেলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফরিদা ইয়াসমীন
চলে গেলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফরিদা ইয়াসমীন। গতকাল বাদ মাগরিব বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। এক সপ্তাহ আগে অসুস্থ হলে এই গুণী শিল্পীকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ তার মরদেহ সেগুনবাগিচার বাসায় আনা হবে বলে শিল্পীর স্বজনরা জনিয়েছেন। দুপুরে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে মরহুমার মরদেহ দাফন করা হবে।
সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেন-ফরিদা ইয়াসমীন দম্পতির ২ ছেলে। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত সিনেমা আর রেডিওর গানে ফরিদা ইয়াসমীনের জনপ্রিয়তা ছিল আকাশচুম্বী। সে সময় তিনি আধুনিক বাংলা গান, উর্দু গান ও গজলে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ৫ বোনের মধ্যে ফরিদা ইয়াসমীন ছিলেন সবার বড়। আজকের খ্যাতিমান কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনেরই বড় বোন এ ফরিদা ইয়াসমীন। এছাড়া নীলুফার ইয়াসমিন ও ফওজিয়া খানও সংগীতাঙ্গনে সাড়া জাগানো শিল্পী।
এক সময় ফরিদা ইয়াসমীনের গাওয়া ‘তুমি জীবনে মরণে আমায় আপন করেছো’, ‘জানি না ফুরায় যদি এই মধুরাতি’, ‘তোমার পথে কুসুম ছড়াতে এসেছি’, ‘খুশির নেশায় আজকে বুঝি মাতাল হলাম’ প্রভৃতি গান এক সময় ছিল সংগীতপ্রেমীদের মুখে মুখে।
ফরিদা ইয়াসমীনের পৈতৃক বাড়ি খুলনায়। তবে মুর্শিদাবাদে নানাবাড়িতে তার জন্ম হয়েছিল। এক সময় পিতামাতার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে চলে আসেন। সেখানেই ওস্তাদের কাছে তার গান শেখা শুরু। তার মা ভাল গান করতেন। এজন্য মায়ের কাছ থেকেও গান শিখেছিলেন তিনি। প্রতিনিয়ত গান গাইবার জন্য মায়ের কাছ থেকে উৎসাহও পেতেন। পঞ্চাশের দশকের শেষার্ধে ঢাকা ইডেন গার্লস কলেজে এক সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গান গাইতে যান ফরিদা ইয়াসমীন। তার গান শুনে সংগীত পরিচালক ও সুরকার আবদুল আহাদ মুগ্ধ হয়ে বলেন, তুমি রেডিওতে অডিশন দাও, দেখবে একদিন তোমার খুব নামধাম হয়ে যাবে। রেডিওতে অডিশন দিয়ে ফরিদা ইয়াসমীন টিকে যান। এরপর নিয়মিত রেডিওতে গান গাওয়া শুরু তার। অল্পদিনের মধ্যেই ফরিদা ইয়াসমীনের নাম দেশের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ল। তখন রেডিওতে ফেরদৌসী বেগম ও আঞ্জুমান আরা বেগমের খুব নামডাক ছিল। একসময় তাদের পাশে ফরিদা ইয়াসমীন নামটিও যুক্ত হলো। ১৯৫৯ সালে ওস্তাদ মতি মিয়ার কাছে গান শিখতেন ফরিদা ইয়াসমীন। সে বছরই তিনি ফরিদা ইয়াসমীনকে ‘এ দেশ তোমার আমার’ ছবিতে গান গাওয়ার জন্য সুযোগ করে দেন। ‘জানি না ফুরায় যদি এই মধুরাতি’ গানটি ছিল ‘রাজা এলো শহরে’ ছবিতে। সংগীত ভুবনে ফরিদা ইয়াসমীন যখন খ্যাতির তুঙ্গে, তখন কাজী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। এরপর ঘর-সংসার নিয়ে ব্যস্ত হওয়ার কারণে সংগীতাঙ্গন থেকে এক প্রকার ছুটিই নিয়ে নেন। যদিও রেডিওতে মাঝেমধ্যে তিনি অনুষ্ঠান করতেন।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া