চশমা ছাড়াই পড়া যাবে যে পর্দায়
দৃষ্টিত্রুটি রয়েছে যাঁদের, নানা কাজে সমস্যায় পড়তে হয় তাঁদের। চশমা বা লেন্স ব্যবহার করে তাঁরা পড়াশোনাসহ অন্যান্য কাজ চালান। কম্পিউটার, মুঠোফোন, স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে গিয়েও তাঁদের চশমার ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে হয়তো এমন দিন খুব দূরে নয়, যখন তাঁরা চশমা বা বাড়তি লেন্স ছাড়াই এসব যান্ত্রিক পর্দা বা ডিসপ্লে বা মনিটরে পড়তে পারবেন। কারণ, এসব প্রযুক্তি হয়ে যাবে দৃষ্টিত্রুটিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়ক। যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক এমন আশার বাণী শুনিয়েছেন।
ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই গবেষকেরা তৈরি করেছেন সব ধরনের দৃষ্টিশক্তির মানুষের সহায়ক একটি বিশেষ যান্ত্রিক পর্দা বা ডিসপ্লে। এতে ভেসে ওঠা লেখা বা ছবি পড়তে বা দেখতে কোনো চশমার প্রয়োজন হবে না। গবেষণায় নেতৃত্ব দেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারবিজ্ঞানী ব্রায়ান বার্সকি। ডিসপ্লেটি যুক্তরাষ্ট্রে আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় কম্পিউটার বিশেষজ্ঞদের এক সম্মেলনে প্রদর্শন করা হবে।
বিশেষ ওই ডিসপ্লের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে গবেষকেরা বলেন, এটি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, যা গাণিতিক হিসেব করে পর্দাটি ব্যবহারকারীর চশমার পাওয়ার অনুযায়ী ডিসপ্লেতে আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ডিসপ্লেতে ব্যবহৃত প্রতিটি বিন্দু (পিক্সেল) দিয়ে আসা পরিমিত আলো দৃষ্টিত্রুটিগ্রস্ত মানুষকে সেখানে প্রদর্শিত প্রতিটি সূক্ষ্ম বিষয় স্পষ্ট করে দেখতে সহায়তা করে। ফলে চশমা বা অন্য কোনো দৃষ্টিসহায়ক বস্তু ছাড়াই তাঁরা ওই ডিসপ্লেতে কোনো ছবি বা লেখা স্পষ্ট দেখতে পারেন।
ব্রায়ান বার্সকি বলেন, এখনকার বিশ্বে মানুষকে প্রায় সব সময়ই কোনো না-কোনো ডিসপ্লে ব্যবহার করতে হয়। কাজেই সেগুলো সব ধরনের মানুষের ব্যবহারোপযোগী করে তোলা প্রয়োজন। বিশেষভাবে তৈরি ডিসপ্লেটি হবে অনেকটা দরজির তৈরি নির্দিষ্ট একজনের জন্য তৈরি পোশাকের মতো। একজনের জন্য তৈরি পোশাক যেমন অন্যের মাপমতো হবে না, তেমনি পরিবর্তিত ডিসপ্লেতে একজন স্পষ্ট দেখলেও অন্যরা একই জিনিস অস্পষ্ট দেখতে পাবেন। তবে ডিসপ্লেটিতে প্রয়োজন অনুযায়ী আলোর পরিবর্তন করে অন্য ব্যক্তিও ব্যবহার করতে পারবেন।
গবেষকেরা বলেন, বয়স্কদের ক্ষেত্রে কর্নিয়া গঠনে পার্থক্য দেখা যায়। এই পরিবর্তনের সঙ্গে কন্টাক্ট লেন্স (চোখের লেন্সের সহায়ক) অনেক সময় দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে না। কিন্তু এ ক্ষেত্রে বিশেষ দৃষ্টিসহায়ক ডিসপ্লে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারে। আর অনেক চাকরির ক্ষেত্রে যান্ত্রিক পর্দায় দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে কাজ করতে হয়। এসব ক্ষেত্রেও চোখে সমস্যাগ্রস্ত লোকজনের সহায়ক হবে বিশেষ ডিসপ্লেটি। সব মিলিয়ে এটি মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ, দৃষ্টিতে সমস্যা থাকুক আর নাই থাকুক এই ডিসপ্লে সাধারণ ডিসপ্লের চেয়ে বেশি স্বচ্ছ দেখা যাবে সবার কাছে। ডেইলি এক্সপ্রেস।প্রথম আলো
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes